বিজয়নগরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সংকট
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক পদে তীব্র জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার অনুমোদিত ১০০টি প্রধান শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৫২ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ৪৮টি পদ।
প্রধান শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়। বিদ্যালয়ের হিসাব-নিকাশ, দাপ্তরিক চিঠিপত্র, অনলাইন কার্যক্রম, প্রশাসনিক কাজ এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলোতে এসব অতিরিক্ত দায়িত্ব অন্য শিক্ষকদের ওপর পড়ছে।
এতে একদিকে শিক্ষকদের ওপর প্রশাসনিক কাজের চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে শিক্ষকদের পাঠদানে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান জানান, শূন্য পদগুলো পূরণে পর্যায়ক্রমে নতুন পদোন্নতি ও নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে প্রধান শিক্ষক সংকট কমে যাবে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
বিজয়নগরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সংকট
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক পদে তীব্র জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার অনুমোদিত ১০০টি প্রধান শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৫২ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ৪৮টি পদ।
প্রধান শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়। বিদ্যালয়ের হিসাব-নিকাশ, দাপ্তরিক চিঠিপত্র, অনলাইন কার্যক্রম, প্রশাসনিক কাজ এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলোতে এসব অতিরিক্ত দায়িত্ব অন্য শিক্ষকদের ওপর পড়ছে।
এতে একদিকে শিক্ষকদের ওপর প্রশাসনিক কাজের চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে শিক্ষকদের পাঠদানে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান জানান, শূন্য পদগুলো পূরণে পর্যায়ক্রমে নতুন পদোন্নতি ও নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে প্রধান শিক্ষক সংকট কমে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন