ফুলপুরে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন এখন পানির নিচে
ফয়জুর রহমান, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার সিংহস্বর ইউনিয়নের বড় পুটিয়া গ্রামের চাকুয়া বিল এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে শতাধিক কৃষকের প্রায় তিন হাজার মণ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে ওই বিল এলাকায় পানি দ্রুত জমে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে জমে থাকা পানি নেমে যেতে পারেনি। এর ফলে প্রায় ৩০ একর জমির পাকা ও আধাপাকা ধান পানির নিচে ডুবে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অনেকেই ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎ জলাবদ্ধতায় তাদের সোনালী স্বপ্ন পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে করে তাদের সারা বছরের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রায় ৩০ একর জমির ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মণ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এই ধানই ছিল আমাদের বছরের একমাত্র ভরসা। ঋণ করে চাষ করেছি। এখন সব পানির নিচে—কীভাবে সংসার চালাব বুঝতে পারছি না।”
একই ধরনের হতাশার কথা জানিয়েছেন আরও অনেক কৃষক। তারা বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই প্রতি বছর এভাবে ফসল তলিয়ে যায়। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তারা আশা করছেন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ফুলপুরে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন এখন পানির নিচে
ফয়জুর রহমান, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার সিংহস্বর ইউনিয়নের বড় পুটিয়া গ্রামের চাকুয়া বিল এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে শতাধিক কৃষকের প্রায় তিন হাজার মণ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে ওই বিল এলাকায় পানি দ্রুত জমে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে জমে থাকা পানি নেমে যেতে পারেনি। এর ফলে প্রায় ৩০ একর জমির পাকা ও আধাপাকা ধান পানির নিচে ডুবে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অনেকেই ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎ জলাবদ্ধতায় তাদের সোনালী স্বপ্ন পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে করে তাদের সারা বছরের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রায় ৩০ একর জমির ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মণ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এই ধানই ছিল আমাদের বছরের একমাত্র ভরসা। ঋণ করে চাষ করেছি। এখন সব পানির নিচে—কীভাবে সংসার চালাব বুঝতে পারছি না।”
একই ধরনের হতাশার কথা জানিয়েছেন আরও অনেক কৃষক। তারা বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই প্রতি বছর এভাবে ফসল তলিয়ে যায়। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তারা আশা করছেন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন