উখিয়ায় লাইসেন্স বিহীন করাতকল প্রতিদিন কেটে ধ্বংস করা হচ্ছে সামাজিক বনায়নের গাছ।
উখিয়া প্রতিনিধি :- বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায় উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া গ্রামে বনবিভাগের সহযোগিতায় স্বৈচারসরকারের নিষিদ্ধ সংগঠনের ছাত্রলীগ নেতা, তারেক হোসেন মানিক, আওয়ামীলীগের সদস্য, জমির আহাম্মদ ও রিয়াদের নেতৃত্বে আবাসিক এলাকায় অবৈধ ভাবে করাত কল স্থাপন করে সামাজিক বনায়ন এবং দৃষ্টিনন্দন ঝাউগাছ কেটে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। করাত কল (লাইসেন্স)বিধিমালা ২০১২ মোতাবেক সংরক্ষিত, রক্ষিত,অর্পিত বা অন্য যে কোন ধরনের সরকারি বনভূমির সীমানা হইতে ন্যূনতম ১০(দশ) কিলোমিটারে মধ্যে এবং আবাসিক এলাকায়, সরকারি অফিস আদালত,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিঘ্ন সৃষ্টি এই রূপ কোন স্থানে করাতকল স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষেধ আছে। অথচ বনবিভাগের অসাধু কর্মচারীদের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের যুগ্ন আহবায়কের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে সকাল ৬ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত অবৈধভাবে সামাজিক বনায়ন ও ঝাউগাছ কর্তন করে কাঠ চিরাই করা হচ্ছে বলে স্থানীয় ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশকয়জন ব্যক্তি প্রতিবেদকে সরাসরি জানিয়েছেন। স্থানীয় জনসাধারণের মতে করাতকলের বিকট শব্দে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে আছে। এমনকি সন্ধ্যা হলে করাতকলের অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দে স্কুল, মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্র, ছাত্রীদের লেখাপড়ার ব্যঘাত সৃষ্টি হয়। এই ছাড়া স্থানীয় জুয়াড়ি, মদ,ইয়াবা সেবনকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। এই ব্যপারে মুঠোফোনে মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন, রেঞ্চ কর্মকর্তা, ইনানী,জালিয়াপালং এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমরা অবগত আছি,বিগত সময় আমরা বনআইনে একটি মামলা করেছিলাম, বাদীও আমাদের বিরুদ্ধে একটি পাল্টা মামলা করেন।
আমরা আগামী সপ্তাহে ঐ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো এবং অবৈধ করাতকল জব্দ করবো।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
উখিয়ায় লাইসেন্স বিহীন করাতকল প্রতিদিন কেটে ধ্বংস করা হচ্ছে সামাজিক বনায়নের গাছ।
উখিয়া প্রতিনিধি :- বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায় উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া গ্রামে বনবিভাগের সহযোগিতায় স্বৈচারসরকারের নিষিদ্ধ সংগঠনের ছাত্রলীগ নেতা, তারেক হোসেন মানিক, আওয়ামীলীগের সদস্য, জমির আহাম্মদ ও রিয়াদের নেতৃত্বে আবাসিক এলাকায় অবৈধ ভাবে করাত কল স্থাপন করে সামাজিক বনায়ন এবং দৃষ্টিনন্দন ঝাউগাছ কেটে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। করাত কল (লাইসেন্স)বিধিমালা ২০১২ মোতাবেক সংরক্ষিত, রক্ষিত,অর্পিত বা অন্য যে কোন ধরনের সরকারি বনভূমির সীমানা হইতে ন্যূনতম ১০(দশ) কিলোমিটারে মধ্যে এবং আবাসিক এলাকায়, সরকারি অফিস আদালত,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিঘ্ন সৃষ্টি এই রূপ কোন স্থানে করাতকল স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষেধ আছে। অথচ বনবিভাগের অসাধু কর্মচারীদের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের যুগ্ন আহবায়কের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে সকাল ৬ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত অবৈধভাবে সামাজিক বনায়ন ও ঝাউগাছ কর্তন করে কাঠ চিরাই করা হচ্ছে বলে স্থানীয় ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশকয়জন ব্যক্তি প্রতিবেদকে সরাসরি জানিয়েছেন। স্থানীয় জনসাধারণের মতে করাতকলের বিকট শব্দে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে আছে। এমনকি সন্ধ্যা হলে করাতকলের অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দে স্কুল, মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্র, ছাত্রীদের লেখাপড়ার ব্যঘাত সৃষ্টি হয়। এই ছাড়া স্থানীয় জুয়াড়ি, মদ,ইয়াবা সেবনকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। এই ব্যপারে মুঠোফোনে মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন, রেঞ্চ কর্মকর্তা, ইনানী,জালিয়াপালং এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমরা অবগত আছি,বিগত সময় আমরা বনআইনে একটি মামলা করেছিলাম, বাদীও আমাদের বিরুদ্ধে একটি পাল্টা মামলা করেন।
আমরা আগামী সপ্তাহে ঐ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো এবং অবৈধ করাতকল জব্দ করবো।

আপনার মতামত লিখুন