ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

নড়াইলের নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আহত জুলাইযোদ্ধা তুহিন মোল্যা

নড়াইলের নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আহত জুলাইযোদ্ধা তুহিন মোল্যা

কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু

কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির।

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির।

নীলফামারীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

নীলফামারীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস মার্শাল আর্ট (জুডো) প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ

নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস মার্শাল আর্ট (জুডো) প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ

ময়মনসিংহে বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ এর ১১তম সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ এর ১১তম সভা অনুষ্ঠিত

মসজিদের ক্ষতিপূরণের টাকায় মসজিদ নির্মান ও স্থান নির্বাচন নিয়ে বিরোধে সরিষাবাড়ীতে একই সমাজে নির্মাণ হচ্ছে দুই মসজিদ

মসজিদের ক্ষতিপূরণের টাকায় মসজিদ নির্মান ও স্থান নির্বাচন নিয়ে বিরোধে সরিষাবাড়ীতে একই সমাজে নির্মাণ হচ্ছে দুই মসজিদ

সাংবাদিকতার অধিকার রক্ষায় নতুন দিগন্ত: সরকারি নিবন্ধন পাওয়ায় ‘জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি’র আনন্দ আয়োজন

সাংবাদিকতার অধিকার রক্ষায় নতুন দিগন্ত: সরকারি নিবন্ধন পাওয়ায় ‘জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি’র আনন্দ আয়োজন

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির।

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির।

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির। 

আশীষ বিশ্বাস  নীলফামারী প্রতিনিধি :-নীলফামারীতে সরকারি অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি) ইজারা প্রদান ও বাতিলকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় ভয়াবহ অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রহস্যজনকভাবে ইজারা প্রদান এবং জনরোষের মুখে তা বাতিল করা হলেও সরকারি নথিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন 'ভুতুড়ে' কেস নম্বর। অভিযোগ উঠেছে, জেলা প্রশাসনের দুই প্রভাবশালী নাজিরের স্ত্রী এই অবৈধ ইজারা সিন্ডিকেটের নেপথ্যে রয়েছেন, যারা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভুক্তভোগীর বসতবাড়ির তালা ভেঙে দখলের মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।

নথিপত্রে নজিরবিহীন জালিয়াতি অনুসন্ধানে জানা যায়, নীলফামারী টাউন মৌজার এসএ ৪০৮ নম্বর খতিয়ানের ৩৪৯ দাগের সদর উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত একটি মূল্যবান সম্পত্তি গত ২৪শে মার্চ ভিপি  কেস নং ৪৪(১)৬৮-৬৯ ব্যক্তি মালিকানায় লীজ প্রদান করা হয়। 

২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে তিন ব্যক্তির নামে ইজারা প্রদান করে জেলা প্রশাসন (স্মারক নং: ০৫.৪৭.৭৩০০.০১৬.০৯.৪৪/৯-৫৫)। ইজারাগ্রহীতারা হলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসে এ শাখার নাজির মো. মনিরুজ্জামান এর স্ত্রী মোছাঃ রুমা বেগম, ও নেজারত শাখার নাজির মোঃ মোমেনের স্ত্রী মোছাঃ ইসরাত জাহান মিম এবং স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মুইন আনসারী।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, ২৪ মার্চের ইজারা আদেশে ভিপি কেস নম্বর উল্লেখ করা হয় ৪৪/১-৬৮-৬৯। কিন্তু জালিয়াতির বিষয়টি জানাজানি হলে একই তারিখ উল্লেখ করে তড়িঘড়ি করে ইজারা বাতিলের আদেশ জারি করে জেলা প্রশাসন। তবে রাজস্ব শাখার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সুমনা পারভীন মিতু স্বাক্ষরিত সেই বাতিল আদেশে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। সেখানে কেস নম্বর লেখা হয়েছে ভিপি-৪/৭৮ (নীল:)। একই জমির ক্ষেত্রে একই দিনে দুটি ভিন্ন কেস নম্বর ও স্বারক নম্বর ব্যবহার করাকে সরকারি নথি জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ইজারা বাণিজ্যের মূল হোতা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মরত দুই নাজির। ইজারাগ্রহীতা মোছাঃ রুমা বেগমের স্বামী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এস এ শাখার নাজির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।একই দপ্তরের নেজারত শাখার নাজির  মো: মমিন এর স্ত্রী মোছাঃ ইসরাত জাহান মিম।  অভিযোগ রয়েছে, এই দুই নাজির নিজেদের পদের প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য গোপন সহ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার রেজোয়ানের সাথে যোগসাজশ করে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের নির্ধারিত জায়গা নিজের স্ত্রীদের নামে ইজারা বাগিয়ে নেন। পূর্বের ইজারা মালিক ভুক্তভোগী জি এম জাহাঙ্গীর আলমের ভোগদখলীয় বসতঘরের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী, দীর্ঘকাল ধরে ভোগদখলীয় বা পূর্বের লিজ বিদ্যমান থাকা সম্পত্তি বাতিল না করে নতুন কাউকে ইজারা দেওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া, ২০২০ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত একটি পত্রের সূত্র মতে ২৮ জুলাই ২০২০ সালে ৩১.০২.৭৩৬৪.০০০.০৫.০১৫.২০-৭২৫ নং স্বরকে 

উক্ত জমি উপজেলা ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরে ২০২৩ সালে সহকারী কমিশনার ভূমি ইমরুল আবেদীনের স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর  স্মারক নং ৩১.০২.৭৩৬৪.০০০.০৫.০১৫.২৩-৩৫৫,তারিখ ৭/২০২৩  উপজেলা ভূমি অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণের ডিপিপি ছকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। 

তবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দুই নাজির নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে সেই তথ্য গোপন করে ব্যক্তিগত স্বার্থে জমিটি ইজারা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালায়।          এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির মো: মনিরুজ্জামান বলেন, নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া হয়েছে আপনাদের কি সমস্যা। 

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আরেক নাজির মোঃ মমিন জানান, ওখানে আমার কোন জমি নেই কোনদিন আমাকে কি ওখানে দেখেছিলেন,আরো অনেকে সরকারি জমির দখল করেছে তাদের নিয়ে নিউজ করেন না তো! তাদের নিয়েও নিউজ করেন। 

ভুক্তভোগী জি এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার পিতা ১৯৫২-৫৫ সালে উক্ত জমির লিজ গ্রহণ করে এবং ১৯৮২ সালে তার ম‌ত্যুর পর থেকে আমরা তার সন্তানেরা ২০২২ সাল পর্যন্ত ভিপি কেস নং ২৩/৭০(নীল)  ২৩ শতক জমির লীজ মানি পরিশোধ করেছি । আমার পূর্বের লিজ বাতিল না করেই সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ভুয়া কেস নম্বর ব্যবহার করে আমার আসবাবপত্র সহ ঘর দখল করা হয়েছে।

প্রশাসনের লোক হয়ে যারা আইন রক্ষা করবেন, তারাই আজ জালিয়াতির মাধ্যমে আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই কেড়ে নিতে চাইছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ দিয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাইরুজ্জামান ঢাকায় ডিসি সম্মেলনে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয়ে উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান,আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত অবৈধ স্থাপনা গুলতে উচ্ছেদ চালানো হবে। 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নথিপত্রের এই গরমিল বা জালিয়াতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। জেলা শহরে এমন চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির।

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির। 

আশীষ বিশ্বাস  নীলফামারী প্রতিনিধি :-নীলফামারীতে সরকারি অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি) ইজারা প্রদান ও বাতিলকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় ভয়াবহ অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রহস্যজনকভাবে ইজারা প্রদান এবং জনরোষের মুখে তা বাতিল করা হলেও সরকারি নথিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন 'ভুতুড়ে' কেস নম্বর। অভিযোগ উঠেছে, জেলা প্রশাসনের দুই প্রভাবশালী নাজিরের স্ত্রী এই অবৈধ ইজারা সিন্ডিকেটের নেপথ্যে রয়েছেন, যারা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভুক্তভোগীর বসতবাড়ির তালা ভেঙে দখলের মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।

নথিপত্রে নজিরবিহীন জালিয়াতি অনুসন্ধানে জানা যায়, নীলফামারী টাউন মৌজার এসএ ৪০৮ নম্বর খতিয়ানের ৩৪৯ দাগের সদর উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত একটি মূল্যবান সম্পত্তি গত ২৪শে মার্চ ভিপি  কেস নং ৪৪(১)৬৮-৬৯ ব্যক্তি মালিকানায় লীজ প্রদান করা হয়। 

২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে তিন ব্যক্তির নামে ইজারা প্রদান করে জেলা প্রশাসন (স্মারক নং: ০৫.৪৭.৭৩০০.০১৬.০৯.৪৪/৯-৫৫)। ইজারাগ্রহীতারা হলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসে এ শাখার নাজির মো. মনিরুজ্জামান এর স্ত্রী মোছাঃ রুমা বেগম, ও নেজারত শাখার নাজির মোঃ মোমেনের স্ত্রী মোছাঃ ইসরাত জাহান মিম এবং স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মুইন আনসারী।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, ২৪ মার্চের ইজারা আদেশে ভিপি কেস নম্বর উল্লেখ করা হয় ৪৪/১-৬৮-৬৯। কিন্তু জালিয়াতির বিষয়টি জানাজানি হলে একই তারিখ উল্লেখ করে তড়িঘড়ি করে ইজারা বাতিলের আদেশ জারি করে জেলা প্রশাসন। তবে রাজস্ব শাখার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সুমনা পারভীন মিতু স্বাক্ষরিত সেই বাতিল আদেশে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। সেখানে কেস নম্বর লেখা হয়েছে ভিপি-৪/৭৮ (নীল:)। একই জমির ক্ষেত্রে একই দিনে দুটি ভিন্ন কেস নম্বর ও স্বারক নম্বর ব্যবহার করাকে সরকারি নথি জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ইজারা বাণিজ্যের মূল হোতা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মরত দুই নাজির। ইজারাগ্রহীতা মোছাঃ রুমা বেগমের স্বামী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এস এ শাখার নাজির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।একই দপ্তরের নেজারত শাখার নাজির  মো: মমিন এর স্ত্রী মোছাঃ ইসরাত জাহান মিম।  অভিযোগ রয়েছে, এই দুই নাজির নিজেদের পদের প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য গোপন সহ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার রেজোয়ানের সাথে যোগসাজশ করে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের নির্ধারিত জায়গা নিজের স্ত্রীদের নামে ইজারা বাগিয়ে নেন। পূর্বের ইজারা মালিক ভুক্তভোগী জি এম জাহাঙ্গীর আলমের ভোগদখলীয় বসতঘরের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী, দীর্ঘকাল ধরে ভোগদখলীয় বা পূর্বের লিজ বিদ্যমান থাকা সম্পত্তি বাতিল না করে নতুন কাউকে ইজারা দেওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া, ২০২০ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন স্বাক্ষরিত একটি পত্রের সূত্র মতে ২৮ জুলাই ২০২০ সালে ৩১.০২.৭৩৬৪.০০০.০৫.০১৫.২০-৭২৫ নং স্বরকে 

উক্ত জমি উপজেলা ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরে ২০২৩ সালে সহকারী কমিশনার ভূমি ইমরুল আবেদীনের স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর  স্মারক নং ৩১.০২.৭৩৬৪.০০০.০৫.০১৫.২৩-৩৫৫,তারিখ ৭/২০২৩  উপজেলা ভূমি অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণের ডিপিপি ছকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। 

তবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দুই নাজির নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে সেই তথ্য গোপন করে ব্যক্তিগত স্বার্থে জমিটি ইজারা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালায়।          এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির মো: মনিরুজ্জামান বলেন, নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া হয়েছে আপনাদের কি সমস্যা। 

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আরেক নাজির মোঃ মমিন জানান, ওখানে আমার কোন জমি নেই কোনদিন আমাকে কি ওখানে দেখেছিলেন,আরো অনেকে সরকারি জমির দখল করেছে তাদের নিয়ে নিউজ করেন না তো! তাদের নিয়েও নিউজ করেন। 

ভুক্তভোগী জি এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার পিতা ১৯৫২-৫৫ সালে উক্ত জমির লিজ গ্রহণ করে এবং ১৯৮২ সালে তার ম‌ত্যুর পর থেকে আমরা তার সন্তানেরা ২০২২ সাল পর্যন্ত ভিপি কেস নং ২৩/৭০(নীল)  ২৩ শতক জমির লীজ মানি পরিশোধ করেছি । আমার পূর্বের লিজ বাতিল না করেই সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ভুয়া কেস নম্বর ব্যবহার করে আমার আসবাবপত্র সহ ঘর দখল করা হয়েছে।

প্রশাসনের লোক হয়ে যারা আইন রক্ষা করবেন, তারাই আজ জালিয়াতির মাধ্যমে আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই কেড়ে নিতে চাইছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ দিয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাইরুজ্জামান ঢাকায় ডিসি সম্মেলনে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয়ে উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান,আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত অবৈধ স্থাপনা গুলতে উচ্ছেদ চালানো হবে। 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নথিপত্রের এই গরমিল বা জালিয়াতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। জেলা শহরে এমন চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ