ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

পায়রা নদীতে যৌথ অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার জাল জব্দ

কেশবপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, ভোট ১৪ নভেম্বর

কেশবপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, ভোট ১৪ নভেম্বর

সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন

বুরুঙ্গা বাজারে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৬০০ রোগী

বুরুঙ্গা বাজারে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৬০০ রোগী

সুনামগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

সুনামগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

কক্সবাজারে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় উখিয়ার সাহিত্য সংস্কৃতির সমস্যার কথা তুলে ধরলেন, জাসাস নেতা, রাজীব বড়ুয়া

কক্সবাজারে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় উখিয়ার সাহিত্য সংস্কৃতির সমস্যার কথা তুলে ধরলেন, জাসাস নেতা, রাজীব বড়ুয়া

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যুবদলের সভায় নিপুণ রায় চৌধুরী, দেশপ্রেমে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যুবদলের সভায় নিপুণ রায় চৌধুরী, দেশপ্রেমে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

গাইবান্ধায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গাইবান্ধায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাজার কমিটিতে স্থান না পেয়ে আলোচনায় আরিফ: সিলেট বিএনপিতে অস্বস্তি

মাজার কমিটিতে স্থান না পেয়ে আলোচনায় আরিফ: সিলেট বিএনপিতে অস্বস্তি

মাজার কমিটিতে স্থান না পেয়ে আলোচনায় আরিফ: সিলেট বিএনপিতে অস্বস্তি

আখলাক হুসাইন, সিলেট জেলা প্রতিনিধিঃ সিলেট বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরীর মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরেই এক ধরনের নীরব প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুক্তাদির সিলেট-১ আসন থেকে এবং আরিফ সিলেট-৪ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রিত্ব লাভ করেন।

সরকার গঠনের পর সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে মূলত মুক্তাদিরপন্থীদের প্রাধান্য দেখা গেলেও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে আরিফুল হক চৌধুরীর প্রভাব তুলনামূলক বেশি ছিল। বিশেষ করে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে তাঁর পছন্দের কর্মকর্তা হিসেবে দেখা হতো।

সম্প্রতি মাজার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ডিসি সারওয়ার আলমের প্রত্যাহারকে আরিফের প্রভাবের ওপর একটি বড় আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে মন্তব্য করলেও বিষয়টি স্বাভাবিক বদলি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন।

এর মধ্যেই খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটে এসে মাজার সংক্রান্ত একটি ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করেন, যেখানে তাঁকে প্রধান করা হলেও আরিফুল হক চৌধুরীকে রাখা হয়নি। কমিটির অধিকাংশ সদস্যকেই মুক্তাদিরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে কমিটি ঘোষণার সময় আরিফ নিজেও এলাকায় উপস্থিত থাকায়।

স্থানীয় নেতাদের অনেকে মনে করছেন, আরিফকে অন্তত পরামর্শক বা আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিতর্ক এড়ানো যেত। তবে এ বিষয়ে দুই মন্ত্রীর কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি এবং দলীয় নেতারাও নীরবতা বজায় রেখেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) মাজারে দানের অর্থের স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন তৎকালীন ডিসি সারওয়ার আলম। পরবর্তীতে দানবাক্স স্থাপন ও পুরনো ডেগ সিলগালা করার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। এরপর ২১ জুন তাঁকে প্রত্যাহার করা হয় এবং পরদিন দানবাক্স খুলে গণনা করে প্রায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার বেশি অর্থ পাওয়া যায় বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে মাজার ব্যবস্থাপনা ও অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে নেওয়া পদক্ষেপ যেমন জনমনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তেমনি রাজনৈতিক সমন্বয়ের অভাব প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ফলে বিষয়টি এখন শুধু প্রশাসনিক নয়, সিলেটের রাজনৈতিক সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


মাজার কমিটিতে স্থান না পেয়ে আলোচনায় আরিফ: সিলেট বিএনপিতে অস্বস্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

মাজার কমিটিতে স্থান না পেয়ে আলোচনায় আরিফ: সিলেট বিএনপিতে অস্বস্তি

আখলাক হুসাইন, সিলেট জেলা প্রতিনিধিঃ সিলেট বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরীর মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরেই এক ধরনের নীরব প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুক্তাদির সিলেট-১ আসন থেকে এবং আরিফ সিলেট-৪ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রিত্ব লাভ করেন।

সরকার গঠনের পর সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে মূলত মুক্তাদিরপন্থীদের প্রাধান্য দেখা গেলেও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে আরিফুল হক চৌধুরীর প্রভাব তুলনামূলক বেশি ছিল। বিশেষ করে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে তাঁর পছন্দের কর্মকর্তা হিসেবে দেখা হতো।

সম্প্রতি মাজার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ডিসি সারওয়ার আলমের প্রত্যাহারকে আরিফের প্রভাবের ওপর একটি বড় আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে মন্তব্য করলেও বিষয়টি স্বাভাবিক বদলি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন।

এর মধ্যেই খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটে এসে মাজার সংক্রান্ত একটি ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করেন, যেখানে তাঁকে প্রধান করা হলেও আরিফুল হক চৌধুরীকে রাখা হয়নি। কমিটির অধিকাংশ সদস্যকেই মুক্তাদিরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে কমিটি ঘোষণার সময় আরিফ নিজেও এলাকায় উপস্থিত থাকায়।

স্থানীয় নেতাদের অনেকে মনে করছেন, আরিফকে অন্তত পরামর্শক বা আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিতর্ক এড়ানো যেত। তবে এ বিষয়ে দুই মন্ত্রীর কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি এবং দলীয় নেতারাও নীরবতা বজায় রেখেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) মাজারে দানের অর্থের স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন তৎকালীন ডিসি সারওয়ার আলম। পরবর্তীতে দানবাক্স স্থাপন ও পুরনো ডেগ সিলগালা করার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। এরপর ২১ জুন তাঁকে প্রত্যাহার করা হয় এবং পরদিন দানবাক্স খুলে গণনা করে প্রায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার বেশি অর্থ পাওয়া যায় বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে মাজার ব্যবস্থাপনা ও অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে নেওয়া পদক্ষেপ যেমন জনমনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তেমনি রাজনৈতিক সমন্বয়ের অভাব প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ফলে বিষয়টি এখন শুধু প্রশাসনিক নয়, সিলেটের রাজনৈতিক সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ