কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:- চলতি ভাদ্র মাসে কুকুরের প্রজনন মৌসুম চলায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিভিন্ন উপজেলাজুড়ে পাগলা বা ক্ষ্যাপা কুকুরের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ছোট শিশু ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিদিন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে বহু মানুষ কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপজেলার কালিয়াকৈর পৌরসভা এবং ৫ নং ওয়ার্ড হরতকিতলা আমতলা মোড়ে,মাইওয়ান মোড়ে, ফুলবাড়িয়া, মৌচাক, সফিপুর, বোয়ালী, শ্রীফলতলী, সূত্রাপুর, চাপাইর ও ঢালজোড়াসহ ৯টি ইউনিয়নে বর্তমানে কুকুর আতঙ্ক চরমে পৌঁছেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনার মেডিকেল অফিসার সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, প্রজনন মৌসুমে কুকুরের আক্রমণাত্মক আচরণ বাড়ে। জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে কুকুরের কামড় বা আঁচড় লাগার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও সরকারি হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, পাগলা কুকুরের উপদ্রবের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত ভ্যাকসিনেশন ও প্রতিরোধমূলক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের একা বাইরে না ছাড়ার অনুরোধ জানান।
উপজেলার লাখো মানুষ এই ভয়াবহ উপদ্রব থেকে রক্ষায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:- চলতি ভাদ্র মাসে কুকুরের প্রজনন মৌসুম চলায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিভিন্ন উপজেলাজুড়ে পাগলা বা ক্ষ্যাপা কুকুরের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ছোট শিশু ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিদিন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে বহু মানুষ কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপজেলার কালিয়াকৈর পৌরসভা এবং ৫ নং ওয়ার্ড হরতকিতলা আমতলা মোড়ে,মাইওয়ান মোড়ে, ফুলবাড়িয়া, মৌচাক, সফিপুর, বোয়ালী, শ্রীফলতলী, সূত্রাপুর, চাপাইর ও ঢালজোড়াসহ ৯টি ইউনিয়নে বর্তমানে কুকুর আতঙ্ক চরমে পৌঁছেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনার মেডিকেল অফিসার সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, প্রজনন মৌসুমে কুকুরের আক্রমণাত্মক আচরণ বাড়ে। জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে কুকুরের কামড় বা আঁচড় লাগার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও সরকারি হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, পাগলা কুকুরের উপদ্রবের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত ভ্যাকসিনেশন ও প্রতিরোধমূলক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের একা বাইরে না ছাড়ার অনুরোধ জানান।
উপজেলার লাখো মানুষ এই ভয়াবহ উপদ্রব থেকে রক্ষায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন