ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

​এআই ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ আদায়: ডিমলা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

​এআই ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ আদায়: ডিমলা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

উখিয়ায় বনবিভাগের আয়োজনে অংশীদারদের জন্য সচেতনতা মুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

উখিয়ায় বনবিভাগের আয়োজনে অংশীদারদের জন্য সচেতনতা মুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গোবিন্দগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

গোবিন্দগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

বারহাট্টায়  সাহতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে  মোস্তাফিজুর রহমান মাজু

বারহাট্টায় সাহতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মোস্তাফিজুর রহমান মাজু

ঝিনাইগাতীতে ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে বাবাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন

ঝিনাইগাতীতে ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে বাবাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন

বারহাট্টায়  ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ আল আমিন তালুকদার

বারহাট্টায় ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ আল আমিন তালুকদার

পটুয়াখালীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীতে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন

সরকারী স্কুলে ফিডিং দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে অসুস্থ

সরকারী স্কুলে ফিডিং দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে  অসুস্থ

সরকারী স্কুলে ফিডিং দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে  অসুস্থ 

খাদেমুল ইসলাম! নিজস্ব প্রতিবেদক পঞ্চগড়! পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে দুধ পান করার পরপরই তাদের মাথা ঘোরা, পেট ব্যথা, খিঁচুনি ও দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয় বলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। পরে তাদেরে  হাসপাতাল জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি শিক্ষার্থীদের অবস্থা স্থিতিশীল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ‘আরডি’ নামের প্যাকেটজাত দুধের কয়েকটি প্যাকেটে ফুটো দেখতে পান শিক্ষকরা। কয়েকটি প্যাকেটের দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায়ও দেখা যায়।

বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনকে জানানো হয়। শিক্ষকেরা দুধের প্যাকেটের ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাকে পাঠান। পরে মনোয়ার হোসেন বিদ্যালয়ে এসে দুধ পরীক্ষা করে নিজেই তা পান করেন এবং দুধে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান। এরপর শিক্ষার্থীদের দুধ পান করতে বলা হয়।

শিক্ষকদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা দুধ পান করার প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে আরও শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ জনে দাঁড়ায়।

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলে, দুধ খাওয়ার পর থেকে আমার মাথা ও পেট ব্যথা শুরু হয়। আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক তসলিমা খাতুন বলেন, দুধ বিতরণের সময়ই আমরা কয়েকটি প্যাকেটে ফুটো এবং দুধ দইয়ের মতো দেখতে পাই। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানিয়ে দুধ বিতরণ না করার জন্য বলেছিলাম। পরে কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন এসে নিজে দুধ খেয়ে সবাইকে খেতে বলেন। এরপরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।

পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, প্রথমে একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা একে একে তাদের সন্তানদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। রাত ৭টা পর্যন্ত প্রায় ১৯ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং অনেকেই ভালো আছে। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


সরকারী স্কুলে ফিডিং দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে অসুস্থ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সরকারী স্কুলে ফিডিং দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী গুরুতর ভাবে  অসুস্থ 

খাদেমুল ইসলাম! নিজস্ব প্রতিবেদক পঞ্চগড়! পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে দুধ পান করার পরপরই তাদের মাথা ঘোরা, পেট ব্যথা, খিঁচুনি ও দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয় বলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। পরে তাদেরে  হাসপাতাল জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি শিক্ষার্থীদের অবস্থা স্থিতিশীল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ‘আরডি’ নামের প্যাকেটজাত দুধের কয়েকটি প্যাকেটে ফুটো দেখতে পান শিক্ষকরা। কয়েকটি প্যাকেটের দুধ দইয়ের মতো জমাট অবস্থায়ও দেখা যায়।

বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনকে জানানো হয়। শিক্ষকেরা দুধের প্যাকেটের ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাকে পাঠান। পরে মনোয়ার হোসেন বিদ্যালয়ে এসে দুধ পরীক্ষা করে নিজেই তা পান করেন এবং দুধে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান। এরপর শিক্ষার্থীদের দুধ পান করতে বলা হয়।

শিক্ষকদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা দুধ পান করার প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে আরও শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ জনে দাঁড়ায়।

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলে, দুধ খাওয়ার পর থেকে আমার মাথা ও পেট ব্যথা শুরু হয়। আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক তসলিমা খাতুন বলেন, দুধ বিতরণের সময়ই আমরা কয়েকটি প্যাকেটে ফুটো এবং দুধ দইয়ের মতো দেখতে পাই। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানিয়ে দুধ বিতরণ না করার জন্য বলেছিলাম। পরে কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন এসে নিজে দুধ খেয়ে সবাইকে খেতে বলেন। এরপরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।

পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, প্রথমে একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা একে একে তাদের সন্তানদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। রাত ৭টা পর্যন্ত প্রায় ১৯ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং অনেকেই ভালো আছে। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিয়েছেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ