১০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ১০ বছর,শেষ হয়নি ব্রিজের কাজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরের সিমনা-বিবাড়িয়া সড়কের খোফাজোরা ব্রিজ, যা স্থানীয়দের কাছে ‘ভাঙা ব্রিজ’ নামে পরিচিত,প্রায় ১০ বছর পার হলেও একটি ব্রিজের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ২ থেকে ৩ জন শ্রমিক দিয়ে ধীরগতিতে চলছে নির্মাণকাজ, যা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বর্ষা মৌসুমে ব্রিজসংলগ্ন এলাকা কাদাযুক্ত হয়ে পড়ে, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
জানা যায়,২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিরাইলকান্দি থেকে বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের সীমনা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় পুরো সড়কটির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন লাখো মানুষ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণেই বছরের পর বছর ধরে এভাবে কাজ ঝুলে আছে। দ্রুত কাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য তারা কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান,খুব দ্রুত কাজ সম্পন্ন হবে,আশাকরি চলতি বছর কাজ শেষ হয়ে যাবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
১০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ১০ বছর,শেষ হয়নি ব্রিজের কাজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরের সিমনা-বিবাড়িয়া সড়কের খোফাজোরা ব্রিজ, যা স্থানীয়দের কাছে ‘ভাঙা ব্রিজ’ নামে পরিচিত,প্রায় ১০ বছর পার হলেও একটি ব্রিজের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ২ থেকে ৩ জন শ্রমিক দিয়ে ধীরগতিতে চলছে নির্মাণকাজ, যা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বর্ষা মৌসুমে ব্রিজসংলগ্ন এলাকা কাদাযুক্ত হয়ে পড়ে, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
জানা যায়,২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিরাইলকান্দি থেকে বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের সীমনা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় পুরো সড়কটির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন লাখো মানুষ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণেই বছরের পর বছর ধরে এভাবে কাজ ঝুলে আছে। দ্রুত কাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য তারা কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান,খুব দ্রুত কাজ সম্পন্ন হবে,আশাকরি চলতি বছর কাজ শেষ হয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন