ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বাংলা নববর্ষের উৎসবমুখর দিনে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে চার বছরের এক শিশু। আনন্দের দিনে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাণীশংকৈল পৌর শহরের কলেজ হাট ঈদগাপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মুবাশ্বিরা। সে স্থানীয় আসবাবপত্র ব্যবসায়ী মুনজুর আলমের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নববর্ষ উপলক্ষে নতুন পোশাক পরে বাড়ির গেটের সামনে খেলছিল মুবাশ্বিরা। বাড়ির পাশেই প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেনের দীর্ঘদিনের পুরনো ও নড়বড়ে একটি সীমানা দেয়াল ছিল। হঠাৎ কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই দেয়ালটি ভেঙে শিশুটির ওপর ধসে পড়ে। ইটের স্তূপের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় মুবাশ্বিরা। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নববর্ষের আনন্দঘন দিনে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম চলছে। শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে অদৃশ্য অন্ধকার। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
মুবাশ্বিরার মা জানান, সকালে নতুন জামা পরে আনন্দে মেতে উঠেছিল তার মেয়ে। কিন্তু দুপুরের আগেই সেই আনন্দ চিরতরে নিভে যায়। এক মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে গেল, কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন বলেন, একটি অবহেলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কীভাবে একটি পরিবারের প্রদীপ নিভিয়ে দিল এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এলাকাবাসী বলেন, পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর না ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বাংলা নববর্ষের উৎসবমুখর দিনে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে চার বছরের এক শিশু। আনন্দের দিনে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাণীশংকৈল পৌর শহরের কলেজ হাট ঈদগাপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মুবাশ্বিরা। সে স্থানীয় আসবাবপত্র ব্যবসায়ী মুনজুর আলমের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নববর্ষ উপলক্ষে নতুন পোশাক পরে বাড়ির গেটের সামনে খেলছিল মুবাশ্বিরা। বাড়ির পাশেই প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেনের দীর্ঘদিনের পুরনো ও নড়বড়ে একটি সীমানা দেয়াল ছিল। হঠাৎ কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই দেয়ালটি ভেঙে শিশুটির ওপর ধসে পড়ে। ইটের স্তূপের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় মুবাশ্বিরা। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নববর্ষের আনন্দঘন দিনে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম চলছে। শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে অদৃশ্য অন্ধকার। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
মুবাশ্বিরার মা জানান, সকালে নতুন জামা পরে আনন্দে মেতে উঠেছিল তার মেয়ে। কিন্তু দুপুরের আগেই সেই আনন্দ চিরতরে নিভে যায়। এক মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে গেল, কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন বলেন, একটি অবহেলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কীভাবে একটি পরিবারের প্রদীপ নিভিয়ে দিল এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এলাকাবাসী বলেন, পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন