ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

অবশেষে কালিগঞ্জের মহেশ্বরপুর খাল উন্মুক্ত করলো স্থানীয় জনসাধারণ, স্বস্তি ফিরে এলো ১০ গ্রামের কৃষকের মাঝে

অবশেষে কালিগঞ্জের মহেশ্বরপুর খাল উন্মুক্ত করলো স্থানীয় জনসাধারণ, স্বস্তি ফিরে এলো ১০ গ্রামের কৃষকের মাঝে

মহেশপুরে মাদক সেবনের অপরাধে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

মহেশপুরে মাদক সেবনের অপরাধে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

সিএমপিতে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল আযহা/২০২৬ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সিএমপিতে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল আযহা/২০২৬ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বিজয়নগরে ৬ কেজি গাঁজাসহ  মাদক কারবারি রুবেল ও স্ত্রী গ্রেপ্তার

বিজয়নগরে ৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি রুবেল ও স্ত্রী গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিচিতি সভা। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতেই এই আয়োজন।

গাইবান্ধায় ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিচিতি সভা। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতেই এই আয়োজন।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বারদী ইউনিয়নের (১৭) বছরে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বারদী ইউনিয়নের (১৭) বছরে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।

বেড়া আলহেরায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ কে সংবর্ধনা:

বেড়া আলহেরায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ কে সংবর্ধনা:

ওসমানীনগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক  সাংবাদিক হারুন রশিদের স্মরণে দোয়া মাহফিল

ওসমানীনগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হারুন রশিদের স্মরণে দোয়া মাহফিল

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহীতে গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে থোকা থোকা আম। এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদিত  আমের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। বর্তমানে বাগান মালিকরা আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রাজশাহী নগরীর বুলনপুর বসরী এলাকার বাসিন্দা আলম এবারে আম প্রসঙ্গে বলেন, এবার বাগানে প্রচুর আম এসেছে। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালিসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছে গাছে ভরপুর। কিন্তু ল্যাংড়া আমে হপার পোকার আক্রমণ বেশি। ল্যাংড়া বাদে অন্য প্রজাতির আম বাম্পার ফলন হবে বলে জানান তিনি। গত বছর আমের দাম ভালো ছিল না। এবার আমের ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। কিন্তু বাম্পার ফলনের কারণে দাম কমও হতে পারে বলে শষ্কায় রয়েছেন।

রাজশাহীতে চৈত্রের শেষভাগে বৃষ্টির পর প্রকৃতি এখন নতুন রূপে সেজে উঠেছে। দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর গাছে গাছে এখন আমের সমারোহ।  নতুন মৌসুমের শুরুতেই কৃষকদের মনে জেগেছে সোনালি স্বপ্ন। রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে অনুকূল আবহাওয়ায় আমগাছে গুটি বড় হয়ে কড়ালি আমে পরিণত হয়েছে। সবুজ পাতার ফাঁকে আম সৃষ্টি করেছে নয়নাভিরাম দৃশ্য। ধানের পর এই অঞ্চলের কৃষকদের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফসল এখন আম।

চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এদিকে আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ আবার পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে স্প্রে করছেন। কৃষকদের মতে, ভালো মানের ফলন পেতে তিন মাসে অন্তত ৬ থেকে ৭ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়।

রাজশাহী পবা উপজেলার কয়রা গ্রামের কৃষক সিরাজুল হক বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর ফলন ভালো হবে। প্রায় সব গাছেই আম এসেছে, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় আশাব্যঞ্জক।

রাজশাহীর পার্শ্ববতী জেলা নওগাঁতে প্রচুর আম এসেছে। নওগাঁ সাপাহার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান টোকি জানান, এবার রোদ ও বৃষ্টির সমন্বয়ে আম চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে রোগবালাই তুলনামূলক কম। এই ধারা বজায় থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুমে কিছুটা রোগবালাই বাড়তে পারে।

তিনি আরও জানান, সাপাহার উপজেলায় ৯ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর—এই চার জেলা নিয়ে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদন অঞ্চল। এখানে আম্রপালি, ক্ষিরসাপাত, হাড়িভাঙ্গা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, কাটিমন, ফজলি ও বারি-৪সহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ করা হয়।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জার্মানি, ইংল্যান্ড, সুইডেন, ইতালি, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডায় প্রায় ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার আম রপ্তানি হয়েছে। প্রতি কেজি আমের গড় মূল্য ছিল ৯৩ টাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই চার জেলায় মোট আম উৎপাদন হয়েছিল ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন। পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টনে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন।

এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রতি কেজি গড়ে ৯৩ টাকা দরে মোট সম্ভাব্য বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের পরিচর্যার কারণে এ বছর আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজশাহীর আম মৌসুমকে ঘিরে বিরাজ করছে আশাবাদের সুবাতাস।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহীতে গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে থোকা থোকা আম। এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদিত  আমের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। বর্তমানে বাগান মালিকরা আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রাজশাহী নগরীর বুলনপুর বসরী এলাকার বাসিন্দা আলম এবারে আম প্রসঙ্গে বলেন, এবার বাগানে প্রচুর আম এসেছে। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালিসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছে গাছে ভরপুর। কিন্তু ল্যাংড়া আমে হপার পোকার আক্রমণ বেশি। ল্যাংড়া বাদে অন্য প্রজাতির আম বাম্পার ফলন হবে বলে জানান তিনি। গত বছর আমের দাম ভালো ছিল না। এবার আমের ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। কিন্তু বাম্পার ফলনের কারণে দাম কমও হতে পারে বলে শষ্কায় রয়েছেন।

রাজশাহীতে চৈত্রের শেষভাগে বৃষ্টির পর প্রকৃতি এখন নতুন রূপে সেজে উঠেছে। দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর গাছে গাছে এখন আমের সমারোহ।  নতুন মৌসুমের শুরুতেই কৃষকদের মনে জেগেছে সোনালি স্বপ্ন। রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে অনুকূল আবহাওয়ায় আমগাছে গুটি বড় হয়ে কড়ালি আমে পরিণত হয়েছে। সবুজ পাতার ফাঁকে আম সৃষ্টি করেছে নয়নাভিরাম দৃশ্য। ধানের পর এই অঞ্চলের কৃষকদের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফসল এখন আম।

চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এদিকে আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ আবার পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে স্প্রে করছেন। কৃষকদের মতে, ভালো মানের ফলন পেতে তিন মাসে অন্তত ৬ থেকে ৭ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়।

রাজশাহী পবা উপজেলার কয়রা গ্রামের কৃষক সিরাজুল হক বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর ফলন ভালো হবে। প্রায় সব গাছেই আম এসেছে, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় আশাব্যঞ্জক।

রাজশাহীর পার্শ্ববতী জেলা নওগাঁতে প্রচুর আম এসেছে। নওগাঁ সাপাহার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান টোকি জানান, এবার রোদ ও বৃষ্টির সমন্বয়ে আম চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে রোগবালাই তুলনামূলক কম। এই ধারা বজায় থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুমে কিছুটা রোগবালাই বাড়তে পারে।

তিনি আরও জানান, সাপাহার উপজেলায় ৯ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর—এই চার জেলা নিয়ে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদন অঞ্চল। এখানে আম্রপালি, ক্ষিরসাপাত, হাড়িভাঙ্গা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, কাটিমন, ফজলি ও বারি-৪সহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ করা হয়।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জার্মানি, ইংল্যান্ড, সুইডেন, ইতালি, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডায় প্রায় ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার আম রপ্তানি হয়েছে। প্রতি কেজি আমের গড় মূল্য ছিল ৯৩ টাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই চার জেলায় মোট আম উৎপাদন হয়েছিল ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন। পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টনে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন।

এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রতি কেজি গড়ে ৯৩ টাকা দরে মোট সম্ভাব্য বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের পরিচর্যার কারণে এ বছর আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজশাহীর আম মৌসুমকে ঘিরে বিরাজ করছে আশাবাদের সুবাতাস।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ