মাতুয়াইলে প্রবাসীর বাড়ি জোড়পুর্বক দখলে ষড়যন্ত্র লিপ্ত।
বিশেষ প্রতিনিধি : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৪ নং ওয়ার্ড উত্তর বাগিচার বাসিন্দা প্রবাসী মোহাম্মদ হারুনের নির্মাণধীন চতুর্থ তলা বাড়িটি নানা অজুহাতের মধ্য দিয়ে গ্রাস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন। ১/মোহাম্মদ দিদার হোসেন, পিতা মৃত তমিজ উদ্দিন ২/ মোঃ জয়দুল, কৃষকলীগ নেতা ৩/মোহাম্মদ বশির আহমেদ, পিতা মৃত মো: সায়েন উদ্দিন। প্রবাসী হারুন সংবাদ কর্মীদের জানায়,আমি ২০১৯ সালে জমি ক্রয় করি এবং সেখানে চতুর্থ তলা বাড়ি করি। এ বাড়িতে আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান বসবাস করে আসছে হঠাৎ দিদার নামক এক ভূমিদস্যু জমির আংশিক মালিকানা দাবি করে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন যাহা বিচার অধীন। যেহেতু আমি বাংলাদেশে থাকিনা সেই সুবাদে আমার বাড়িটি দখল করার নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভূমি দস্যুরা। আমি বাড়ি না থাকাতে আমার স্ত্রী সন্তানদের হত্যার উদ্দেশ্যে গত ১২/০৫/২০২৪ ইং তারিখে গভীর রাতে বাড়িতে প্রবেশ করার চেষ্টা চালায়। আমার স্ত্রী হঠাৎ সিসি ক্যামেরায় দেখা মাত্রই আত্মচিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দ্রুত পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু চক্ররা।
উক্ত বিষয়ে গত ১৩/০৫/২০২৪ ইং তারিখ যাত্রাবাড়ী থানায় অভিযোগ করেন আমার স্ত্রী শিউলি বেগম। প্রবাসী হারুন এর স্ত্রী শিউলি বেগম সংবাদ কর্মীদের জানায় , সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুরা আমাকে ও আমার সন্তানদের মেরে ফেলার নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে আমি ২০২৪ সালে যাত্রাবাড়ী থানায় ও র্যাব-১০ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে এমনকি ৬৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল মোল্লার মাধ্যমে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে দিদার,জয়দুল ও বসির আহমেদ সহ কয়েক জন। এক পর্যায়ে আমি তাদের দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করিলে ঐ সময়ে বাবুর মোল্লা সহ ভূমিদস্যুরা নানাভাবে হুমকি দিতো আমি কোন হুমকি আমলে নেই নাই। ০৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের দোসর বাবুল মোল্লাও পলাতক রয়েছে ভূমিদস্যুরাও নীরব ছিল।
১২ ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে কৃষক লীগের নেতা জয়দুল খোলস পরিবর্তন করে বিএনপি নেতাদের ছত্র ছায়ায় থেকে দিদারের সাথে আতাত করে বাড়ির দখল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তারা এমনকি আমার বিরুদ্ধে কৃষক লীগের নেতা জয়দুল ও বশির আহমেদ বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছেন মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার কারণ হলো।
সরেজমিনে আওয়ামীলীগের একাধিক মামলার ৬৪ নং ওর্য়াডের পলাতক কাউন্সিলর মাসুদুর রহমান বাবুল মোল্লার মাধ্যমে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল ওই টাকা না দেওয়ার কারণেই আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দেয় তারা। এ বিষয়ে স্বৈরাচার কৃষক লীগের নেতা জয়দুল এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, শিউলি আক্তার ও দিদার এদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে।
একপর্যায়ে তাদের উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কে বিতর্ক হয় এক পর্যায়ে দিদার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন উক্ত বিষয়ে আমাকে সাক্ষী দেওয়া হয় আদালত আমাকে সাক্ষীর জন্য নোটিশ প্রদান করেন আমি সাক্ষী দিতে না গেলে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী ওয়ারেন্ট হয় পরবর্তীতে আমি আদালতে সাক্ষী দিয়েছি তা সত্য।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
মাতুয়াইলে প্রবাসীর বাড়ি জোড়পুর্বক দখলে ষড়যন্ত্র লিপ্ত।
বিশেষ প্রতিনিধি : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৪ নং ওয়ার্ড উত্তর বাগিচার বাসিন্দা প্রবাসী মোহাম্মদ হারুনের নির্মাণধীন চতুর্থ তলা বাড়িটি নানা অজুহাতের মধ্য দিয়ে গ্রাস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন। ১/মোহাম্মদ দিদার হোসেন, পিতা মৃত তমিজ উদ্দিন ২/ মোঃ জয়দুল, কৃষকলীগ নেতা ৩/মোহাম্মদ বশির আহমেদ, পিতা মৃত মো: সায়েন উদ্দিন। প্রবাসী হারুন সংবাদ কর্মীদের জানায়,আমি ২০১৯ সালে জমি ক্রয় করি এবং সেখানে চতুর্থ তলা বাড়ি করি। এ বাড়িতে আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান বসবাস করে আসছে হঠাৎ দিদার নামক এক ভূমিদস্যু জমির আংশিক মালিকানা দাবি করে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন যাহা বিচার অধীন। যেহেতু আমি বাংলাদেশে থাকিনা সেই সুবাদে আমার বাড়িটি দখল করার নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভূমি দস্যুরা। আমি বাড়ি না থাকাতে আমার স্ত্রী সন্তানদের হত্যার উদ্দেশ্যে গত ১২/০৫/২০২৪ ইং তারিখে গভীর রাতে বাড়িতে প্রবেশ করার চেষ্টা চালায়। আমার স্ত্রী হঠাৎ সিসি ক্যামেরায় দেখা মাত্রই আত্মচিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দ্রুত পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু চক্ররা।
উক্ত বিষয়ে গত ১৩/০৫/২০২৪ ইং তারিখ যাত্রাবাড়ী থানায় অভিযোগ করেন আমার স্ত্রী শিউলি বেগম। প্রবাসী হারুন এর স্ত্রী শিউলি বেগম সংবাদ কর্মীদের জানায় , সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুরা আমাকে ও আমার সন্তানদের মেরে ফেলার নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে আমি ২০২৪ সালে যাত্রাবাড়ী থানায় ও র্যাব-১০ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে এমনকি ৬৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল মোল্লার মাধ্যমে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে দিদার,জয়দুল ও বসির আহমেদ সহ কয়েক জন। এক পর্যায়ে আমি তাদের দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করিলে ঐ সময়ে বাবুর মোল্লা সহ ভূমিদস্যুরা নানাভাবে হুমকি দিতো আমি কোন হুমকি আমলে নেই নাই। ০৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের দোসর বাবুল মোল্লাও পলাতক রয়েছে ভূমিদস্যুরাও নীরব ছিল।
১২ ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে কৃষক লীগের নেতা জয়দুল খোলস পরিবর্তন করে বিএনপি নেতাদের ছত্র ছায়ায় থেকে দিদারের সাথে আতাত করে বাড়ির দখল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তারা এমনকি আমার বিরুদ্ধে কৃষক লীগের নেতা জয়দুল ও বশির আহমেদ বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছেন মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার কারণ হলো।
সরেজমিনে আওয়ামীলীগের একাধিক মামলার ৬৪ নং ওর্য়াডের পলাতক কাউন্সিলর মাসুদুর রহমান বাবুল মোল্লার মাধ্যমে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল ওই টাকা না দেওয়ার কারণেই আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দেয় তারা। এ বিষয়ে স্বৈরাচার কৃষক লীগের নেতা জয়দুল এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, শিউলি আক্তার ও দিদার এদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে।
একপর্যায়ে তাদের উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কে বিতর্ক হয় এক পর্যায়ে দিদার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন উক্ত বিষয়ে আমাকে সাক্ষী দেওয়া হয় আদালত আমাকে সাক্ষীর জন্য নোটিশ প্রদান করেন আমি সাক্ষী দিতে না গেলে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী ওয়ারেন্ট হয় পরবর্তীতে আমি আদালতে সাক্ষী দিয়েছি তা সত্য।

আপনার মতামত লিখুন