আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি শিক্ষক গ্রেপ্তার,ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত আসামি শনাক্তের দাবি
মোঃ রাসেল আহমেদ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (ভোর ৪টা) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, র্যাব কর্তৃক গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে ওই শিক্ষক একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে সেখানে লেখাপড়া করত। শিশুটির বাবা পরিবার ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় তার মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, গত বছরের ২ নভেম্বর বিকেলে মাদ্রাসা ছুটির পর তার মেয়েকে মাদ্রাসাসংলগ্ন মসজিদে ঝাড়ু দিতে বলা হয়। এ সময় অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চলে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বক্তব্যে অভিযুক্ত শিক্ষক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তের দাবি জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি শিক্ষক গ্রেপ্তার,ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত আসামি শনাক্তের দাবি
মোঃ রাসেল আহমেদ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (ভোর ৪টা) ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, র্যাব কর্তৃক গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে ওই শিক্ষক একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে সেখানে লেখাপড়া করত। শিশুটির বাবা পরিবার ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় তার মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, গত বছরের ২ নভেম্বর বিকেলে মাদ্রাসা ছুটির পর তার মেয়েকে মাদ্রাসাসংলগ্ন মসজিদে ঝাড়ু দিতে বলা হয়। এ সময় অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চলে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে কক্ষে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বক্তব্যে অভিযুক্ত শিক্ষক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তের দাবি জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন