দৌলতপুরে ধর্ষণচেষ্টা মামলা ধামা চাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একপক্ষ।
মোহন আলী স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া।কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবক আলিফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে গাবতলা গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ের ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় একই এলাকার আলিফ নামের এক যুবক। এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আলিফ কৌশলে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মো. জুয়েল জানান, “চিৎকার শুনে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরে বিষয়টি জানতে পেরে আলিফের মায়ের কাছে তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে আলিফকে হাজির করা হয়। তখন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতাহাতির আঁচড়ের দাগ দেখা যায়।”
তিনি আরও জানান, কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয়রা দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত আলিফের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় আলিফ ও তার পরিবার তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির ভয় দেখানোসহ বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলিফ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।দৌলতপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
দৌলতপুরে ধর্ষণচেষ্টা মামলা ধামা চাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একপক্ষ।
মোহন আলী স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া।কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবক আলিফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে গাবতলা গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ের ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় একই এলাকার আলিফ নামের এক যুবক। এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আলিফ কৌশলে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মো. জুয়েল জানান, “চিৎকার শুনে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরে বিষয়টি জানতে পেরে আলিফের মায়ের কাছে তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে আলিফকে হাজির করা হয়। তখন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতাহাতির আঁচড়ের দাগ দেখা যায়।”
তিনি আরও জানান, কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয়রা দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত আলিফের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় আলিফ ও তার পরিবার তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির ভয় দেখানোসহ বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলিফ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।দৌলতপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন