ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

এমবিবিএস ফাইনাল-২০২৫ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেহের আফসানা রাখি—গর্বিত পূর্ব নোয়াগাঁও

এমবিবিএস ফাইনাল-২০২৫ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেহের আফসানা রাখি—গর্বিত পূর্ব নোয়াগাঁও

আশুলিয়ার চারিগ্রামে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার।

আশুলিয়ার চারিগ্রামে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার।

নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে কায়েতপাড়ায় ইউনিয়নে রাস্তায় ও পিলার নির্মাণ: জনদুর্ভোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে কায়েতপাড়ায় ইউনিয়নে রাস্তায় ও পিলার নির্মাণ: জনদুর্ভোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নওগাঁয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, সোনা-নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

নওগাঁয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, সোনা-নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

নওগাঁয় খেলাধুলার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক কিশোরের

নওগাঁয় খেলাধুলার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক কিশোরের

অবৈধ ভাবে সার মজুত করায় ১ মাসের কারাদণ্ড

অবৈধ ভাবে সার মজুত করায় ১ মাসের কারাদণ্ড

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আটক:

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আটক:

৮নং ফতেপুর ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় খালেছ চৌধুরীর, চেয়েছেন দোয়া ও সমর্থন

৮নং ফতেপুর ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় খালেছ চৌধুরীর, চেয়েছেন দোয়া ও সমর্থন

বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ

বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ

বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ 

আশীষ বিশ্বাস  নীলফামারী প্রতিনিধি :-আমি ​ওমর ফারুক- এক দীর্ঘ নিঃশ্বাসের গল্প ডাক্তারী কি শধুই পেশা, নাকি মানবিকতার চরম পরীক্ষা? ​এ শহরের ব্যস্ততা শুরু হয় ভোর থেকেই। কেউ দিন শুরু করে ভালো কিছু করার প্রত্যয়ে, আবার কেউ ব্যস্ত থাকে নিজের স্বার্থের হিসাব-নিকাশে। সরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক হওয়ার পেছনে কত পরিশ্রম, কত ত্যাগ আর মানুষের প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকে—তা সবারই জানা। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকের মনোযোগ যেন সেবার চেয়ে বেশি থাকে কোন প্রাইভেট ক্লিনিকে কখন বসবেন, সেই প্রচারণায়। 

নিজের ওয়ালে ক্লিনিকের সময়সূচি জানাতে তারা যতটা তৎপর, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণ দেখা যায় না সরকারি ডিউটির সময় বা কক্ষ নম্বর জানাতে।​সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসা ও মনোযোগের অভাবে অবহেলার শিকার হন।

 একজন চিকিৎসক যদি বুঝতে পারেন তিনি কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না, তবে অন্তত রোগীকে স্পষ্টভাবে বলা উচিত—“এখানে সম্ভব নয়, উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ওই জায়গায় যান।” কিন্তু রেফার করার বদলে অনেক সময় চলে 'সময়ক্ষেপণ', যার পরিণতিতে রোগ আরও জটিল হয়ে ওঠে।

​আমার দীর্ঘ ৮ বছরের যন্ত্রণার আখ্যান আমি, ওমর ফারুক—এই বাস্তবতারই একজন প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী। আমার এই কষ্টের শুরু ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি, মঙ্গলবার। দুহুলী মাঠে ফুটবল খেলার সময় বাম পা ভেতরে ভেঙে যায়। নীলফামারীতে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমাকে রংপুরের ‘লাইফ লাইন ক্লিনিকে’ ভর্তি করা হয়। ৩১ জানুয়ারি সেখানে অপারেশন করে পায়ে প্লেট লাগিয়ে দেন পঙ্গু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক খন্দকার হামিদুল ইসলাম।

​ষোল দিন পর বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু শুরু হলো নতুন দুর্ভোগ। সেলাই কাটতে গিয়ে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্টের ভুলের কারণে প্রচণ্ড আঘাত পেলাম, রক্ত বের হলো। সেই শুরু—এরপর থেকে আজ অবধি ক্ষতস্থানে ইনফেকশন আর পুঁজ বের হওয়া বন্ধ হলো না। ২০১৯ সালের ৯ জুলাই দ্বিতীয়বার অপারেশন করে প্লেট বের করা হলো। দামী দামী অ্যান্টিবায়োটিক আর ইনজেকশন চললো, কিন্তু সমাধান এলো না।

​এরপর ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী হাসপাতালে ডা. গোলাম মোস্তফা শুভ্র কিউরেট অপারেশন করলেন, কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি বদলি হয়ে গেলেন। তার পরামর্শে রংপুর গুড হেলথ হসপিটালে বিভাগীয় প্রধান ডা. শফিকুল ইসলাম শফিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করলাম। বছরের পর বছর কাটল, যখনই জানতে চেয়েছি স্থায়ী সমাধান কী, উত্তর পেয়েছি— "এগুলো সহজে সারে না, সময় লাগবে, আল্লাহ ভরসা।"

​সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুনরায় দুর্ঘটনা দীর্ঘ ৫ বছর তার অধীনে চিকিৎসা চলার মাঝেই হঠাৎ ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর এক মর্মান্তিক মোড় আসে।

 সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে রিকশায় ওঠার সময় সেই একই জায়গায় হাড়টি আবারও ভেঙে যায়। টানা চার মাস প্লাস্টারে থাকলাম। সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের পর যখন দেখা করলাম, তখন ডাক্তার বললেন— "ইনফেকশন ছড়াচ্ছে, অপারেশন করতে হবে।" যখন জিজ্ঞেস করলাম অপারেশন করলে ঠিক হবে কি না, তিনি কোনো গ্যারান্টি দিতে পারলেন না। পরামর্শ দিলেন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) যাওয়ার।

​অপেক্ষার প্রহর কি শেষ হবে? দীর্ঘ ৮ বছর ৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলা সদর থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছি, কিন্তু মেলেনি সঠিক চিকিৎসা কিংবা স্পষ্ট কোনো পথনির্দেশনা। অবশেষে জাতীয় পর্যায়ের আশায় এখন পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) এসে প্রতিনিয়ত চেম্বারের দরজায় অপেক্ষা করছি। তীব্র যানজট পেরিয়ে এক ক্লিনিক থেকে অন্য ক্লিনিকে টেস্ট করাতে ছুটছি।

​একজন রোগীর জন্য এই পথচলা শুধু শারীরিক কষ্টের নয়, মানসিক ও আর্থিকভাবেও চরম ক্লান্তিকর। সবচেয়ে বেদনাদায়ক হলো—এত বছরের এই সংগ্রামের পরও আজও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না, কবে মিলবে সুস্থতার দেখা।

​এই অভিজ্ঞতা শুধু আমার একার নয়; এমন অসংখ্য রোগীর নীরব কষ্ট আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এক করুণ চিত্র। সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসাস্থল। এই জায়গাটিকে অন্তত শুধু 'ব্যবসা' নয়, 'মানবিকতার' জায়গা হিসেবে রাখা উচিত। রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা, আন্তরিকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা এখন সময়ের দাবি।

সুস্থতার অপেক্ষায় মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়া ওমর ফারুকের বাড়ী নীলফামারী জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নে। তিনি পেশায় একজন গনমাধ্যম কর্মী স্থানীয় একটি ফেসবুক পেইজ nilphamari top news ফেসবুক পেইজ নামের আইডির পরিচালক।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ 

আশীষ বিশ্বাস  নীলফামারী প্রতিনিধি :-আমি ​ওমর ফারুক- এক দীর্ঘ নিঃশ্বাসের গল্প ডাক্তারী কি শধুই পেশা, নাকি মানবিকতার চরম পরীক্ষা? ​এ শহরের ব্যস্ততা শুরু হয় ভোর থেকেই। কেউ দিন শুরু করে ভালো কিছু করার প্রত্যয়ে, আবার কেউ ব্যস্ত থাকে নিজের স্বার্থের হিসাব-নিকাশে। সরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক হওয়ার পেছনে কত পরিশ্রম, কত ত্যাগ আর মানুষের প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকে—তা সবারই জানা। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকের মনোযোগ যেন সেবার চেয়ে বেশি থাকে কোন প্রাইভেট ক্লিনিকে কখন বসবেন, সেই প্রচারণায়। 

নিজের ওয়ালে ক্লিনিকের সময়সূচি জানাতে তারা যতটা তৎপর, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণ দেখা যায় না সরকারি ডিউটির সময় বা কক্ষ নম্বর জানাতে।​সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসা ও মনোযোগের অভাবে অবহেলার শিকার হন।

 একজন চিকিৎসক যদি বুঝতে পারেন তিনি কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না, তবে অন্তত রোগীকে স্পষ্টভাবে বলা উচিত—“এখানে সম্ভব নয়, উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ওই জায়গায় যান।” কিন্তু রেফার করার বদলে অনেক সময় চলে 'সময়ক্ষেপণ', যার পরিণতিতে রোগ আরও জটিল হয়ে ওঠে।

​আমার দীর্ঘ ৮ বছরের যন্ত্রণার আখ্যান আমি, ওমর ফারুক—এই বাস্তবতারই একজন প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী। আমার এই কষ্টের শুরু ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি, মঙ্গলবার। দুহুলী মাঠে ফুটবল খেলার সময় বাম পা ভেতরে ভেঙে যায়। নীলফামারীতে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমাকে রংপুরের ‘লাইফ লাইন ক্লিনিকে’ ভর্তি করা হয়। ৩১ জানুয়ারি সেখানে অপারেশন করে পায়ে প্লেট লাগিয়ে দেন পঙ্গু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক খন্দকার হামিদুল ইসলাম।

​ষোল দিন পর বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু শুরু হলো নতুন দুর্ভোগ। সেলাই কাটতে গিয়ে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্টের ভুলের কারণে প্রচণ্ড আঘাত পেলাম, রক্ত বের হলো। সেই শুরু—এরপর থেকে আজ অবধি ক্ষতস্থানে ইনফেকশন আর পুঁজ বের হওয়া বন্ধ হলো না। ২০১৯ সালের ৯ জুলাই দ্বিতীয়বার অপারেশন করে প্লেট বের করা হলো। দামী দামী অ্যান্টিবায়োটিক আর ইনজেকশন চললো, কিন্তু সমাধান এলো না।

​এরপর ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী হাসপাতালে ডা. গোলাম মোস্তফা শুভ্র কিউরেট অপারেশন করলেন, কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি বদলি হয়ে গেলেন। তার পরামর্শে রংপুর গুড হেলথ হসপিটালে বিভাগীয় প্রধান ডা. শফিকুল ইসলাম শফিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করলাম। বছরের পর বছর কাটল, যখনই জানতে চেয়েছি স্থায়ী সমাধান কী, উত্তর পেয়েছি— "এগুলো সহজে সারে না, সময় লাগবে, আল্লাহ ভরসা।"

​সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুনরায় দুর্ঘটনা দীর্ঘ ৫ বছর তার অধীনে চিকিৎসা চলার মাঝেই হঠাৎ ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর এক মর্মান্তিক মোড় আসে।

 সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে রিকশায় ওঠার সময় সেই একই জায়গায় হাড়টি আবারও ভেঙে যায়। টানা চার মাস প্লাস্টারে থাকলাম। সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের পর যখন দেখা করলাম, তখন ডাক্তার বললেন— "ইনফেকশন ছড়াচ্ছে, অপারেশন করতে হবে।" যখন জিজ্ঞেস করলাম অপারেশন করলে ঠিক হবে কি না, তিনি কোনো গ্যারান্টি দিতে পারলেন না। পরামর্শ দিলেন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) যাওয়ার।

​অপেক্ষার প্রহর কি শেষ হবে? দীর্ঘ ৮ বছর ৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলা সদর থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছি, কিন্তু মেলেনি সঠিক চিকিৎসা কিংবা স্পষ্ট কোনো পথনির্দেশনা। অবশেষে জাতীয় পর্যায়ের আশায় এখন পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) এসে প্রতিনিয়ত চেম্বারের দরজায় অপেক্ষা করছি। তীব্র যানজট পেরিয়ে এক ক্লিনিক থেকে অন্য ক্লিনিকে টেস্ট করাতে ছুটছি।

​একজন রোগীর জন্য এই পথচলা শুধু শারীরিক কষ্টের নয়, মানসিক ও আর্থিকভাবেও চরম ক্লান্তিকর। সবচেয়ে বেদনাদায়ক হলো—এত বছরের এই সংগ্রামের পরও আজও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না, কবে মিলবে সুস্থতার দেখা।

​এই অভিজ্ঞতা শুধু আমার একার নয়; এমন অসংখ্য রোগীর নীরব কষ্ট আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এক করুণ চিত্র। সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসাস্থল। এই জায়গাটিকে অন্তত শুধু 'ব্যবসা' নয়, 'মানবিকতার' জায়গা হিসেবে রাখা উচিত। রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা, আন্তরিকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা এখন সময়ের দাবি।

সুস্থতার অপেক্ষায় মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়া ওমর ফারুকের বাড়ী নীলফামারী জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নে। তিনি পেশায় একজন গনমাধ্যম কর্মী স্থানীয় একটি ফেসবুক পেইজ nilphamari top news ফেসবুক পেইজ নামের আইডির পরিচালক।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ