জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জারে বাগমারায় বিএনপি নেতাসহ আহত ৮: কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের জয়কাম্তা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক অতর্কিত হামলায় একই পরিবারের নারীসহ অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ ১৫ মে ২০২৬ (শুক্রবার) এই হামলার ঘটনা ঘটে । আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের পরিচয়:হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন—
বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া (৪৫) , তাঁর ভাই ইব্রাহিম মিয়া (৫০) ও ইসমাইল মিয়া (৫৫)। এছাড়া ইদ্রিস মিয়ার স্ত্রী হাছিনা বেগম (৩০) এবং ছেলে মোঃ নাহিদ ইসলাম (২০) সহ আরও ৫/৬ জন এই হামলায় আহত হন। আহতরা সবাই জয়কাম্তা গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।
হামলাকারী ও ঘটনার বিবরণ:স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জয়কাম্তা গ্রামের মামুন মিয়ার (পিতা জব্বার আলী) সরাসরি নির্দেশে ও পরিকল্পনায় এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলায় সরাসরি অংশ নেন সহিদুর রহমান, জাকির হোসেন, মফিজ, জাহাঙ্গীর, সহিদ, আলী আকবার এবং সাবিনা বেগমসহ বেশ কয়েকজন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জারে বাগমারায় বিএনপি নেতাসহ আহত ৮: কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের জয়কাম্তা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক অতর্কিত হামলায় একই পরিবারের নারীসহ অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ ১৫ মে ২০২৬ (শুক্রবার) এই হামলার ঘটনা ঘটে । আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের পরিচয়:হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন—
বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া (৪৫) , তাঁর ভাই ইব্রাহিম মিয়া (৫০) ও ইসমাইল মিয়া (৫৫)। এছাড়া ইদ্রিস মিয়ার স্ত্রী হাছিনা বেগম (৩০) এবং ছেলে মোঃ নাহিদ ইসলাম (২০) সহ আরও ৫/৬ জন এই হামলায় আহত হন। আহতরা সবাই জয়কাম্তা গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।
হামলাকারী ও ঘটনার বিবরণ:স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জয়কাম্তা গ্রামের মামুন মিয়ার (পিতা জব্বার আলী) সরাসরি নির্দেশে ও পরিকল্পনায় এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলায় সরাসরি অংশ নেন সহিদুর রহমান, জাকির হোসেন, মফিজ, জাহাঙ্গীর, সহিদ, আলী আকবার এবং সাবিনা বেগমসহ বেশ কয়েকজন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন