ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার  সাথে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সাথে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মণিরামপুরে বিএনপি নেতা মরহুম মুছা'র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও স্মরণসভা

মণিরামপুরে বিএনপি নেতা মরহুম মুছা'র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও স্মরণসভা

পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে স্কুলের পিয়নকে পুলিশে দিল গ্রামবাসি

পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে স্কুলের পিয়নকে পুলিশে দিল গ্রামবাসি

ঝিনাইগাতীতে ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা, দুর্ভোগে ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ

ঝিনাইগাতীতে ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা, দুর্ভোগে ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ

চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগ অনিশ্চিত, ভেরিফিকেশনে আটকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই তরুণ

চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগ অনিশ্চিত, ভেরিফিকেশনে আটকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই তরুণ

কর্মকর্তা সংকটে থমকে আছে বিজয়নগরের জনসেবা

কর্মকর্তা সংকটে থমকে আছে বিজয়নগরের জনসেবা

পদ্মা সরকারি কলেজের নবীনবরণে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

পদ্মা সরকারি কলেজের নবীনবরণে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

ইসলামে সদকা বা দান-সদকার ফজিলত অপরিসীম।

ইসলামে সদকা বা দান-সদকার ফজিলত অপরিসীম।

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

নোয়াখালী প্রতিনিধি:- নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  




আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

নোয়াখালী প্রতিনিধি:- নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  






ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ