নারায়ণগঞ্জ বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী কায়দা হামলায় স্বামী-ভাসুর আহত(৩)
বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। সরুফা আক্তার আসমা , তার স্বামী ও ভাসুর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে আসমা আক্তার স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বন্দর থানাধীন বালিগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সরুফা আক্তার আছমা (৩৬) বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে আবু হানিফ (৪৭), দেলোয়ার হোসেন (৫০), আলমগীর (৪৫), রোকেয়া বেগম (৬৫) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাদীপক্ষের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলার আবেদনও চলমান রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, রোববার ওই বিরোধপূর্ণ জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে দেউলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে বাদীপক্ষের ওপর হামলা চালায়।
বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্ত আবু হানিফ রামদা চাবাতি দিয়ে তার স্বামীকে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার ভাসুর মো. আশরাফ উদ্দিনের মাথায়ও আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম বাদীর চুলের মুঠি ধরে গলায় চাপ দেন এবং অন্য অভিযুক্তরা কিল-ঘুষি মেরে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে বাদীর ছেলেদের হত্যা করে গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাদীর স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।
এ ঘটনায় বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরুফা আক্তার আছমা।বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন জানান ঘটনা সততা যাচাই তদন্ত করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী কায়দা হামলায় স্বামী-ভাসুর আহত(৩)
বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। সরুফা আক্তার আসমা , তার স্বামী ও ভাসুর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে আসমা আক্তার স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বন্দর থানাধীন বালিগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সরুফা আক্তার আছমা (৩৬) বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে আবু হানিফ (৪৭), দেলোয়ার হোসেন (৫০), আলমগীর (৪৫), রোকেয়া বেগম (৬৫) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাদীপক্ষের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলার আবেদনও চলমান রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, রোববার ওই বিরোধপূর্ণ জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে দেউলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে বাদীপক্ষের ওপর হামলা চালায়।
বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্ত আবু হানিফ রামদা চাবাতি দিয়ে তার স্বামীকে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার ভাসুর মো. আশরাফ উদ্দিনের মাথায়ও আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম বাদীর চুলের মুঠি ধরে গলায় চাপ দেন এবং অন্য অভিযুক্তরা কিল-ঘুষি মেরে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে বাদীর ছেলেদের হত্যা করে গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাদীর স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।
এ ঘটনায় বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরুফা আক্তার আছমা।বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন জানান ঘটনা সততা যাচাই তদন্ত করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন