উন্নয়ন নাকি ভোগান্তি শ্রীপুরে রাস্তা কেটে ড্রেনেজ পাইপলাইন
মোঃ খাইরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর:- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার হানু মার্কেট থেকে মাওনা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। কিন্তু এর মধ্যেই এলাকাবাসীর উদ্যোগে হানু মার্কেট এলাকায় রাস্তার ঠিক মাঝখান দিয়ে প্রায় ১০০ ফুটেরও বেশি,অংশে।
গভীর খনন করে বসানো হচ্ছে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন পাইপলাইন। গভীর খননের কারণে বর্তমানে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীরা চরম যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এলাকাবাসী বলছেন, রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার পর কাটাকাটি করা আরও কঠিন হবে। তাই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রাস্তা বাঁধানোর আগেই পানি নিষ্কাশনের এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।সাময়িক ভোগান্তি হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা হলে দীর্ঘমেয়াদে এলাকার উপকার হবে বলে মনে করছেন অনেকে।
উপজেলা প্রকৌশল (LGED) ও স্থানীয় প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে রাস্তার মাঝখান কেটে এভাবে পাইপলাইন বসানোর কোনো পূর্বানুমতি নেওয়া হয়নি। অনুমতি ছাড়া সরকারি সড়ক কাটা নিয়মবহির্ভূত হলেও, এটি জনস্বার্থের বিষয় হওয়ায় নিয়ম মেনে অনুমতির আবেদন করতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী অনুমতি দেওয়া হবে।
বাসাবাড়ির পানি নিষ্কাশন যেমন জরুরি, তেমনি নিয়ম না মেনে সরকারি রাস্তা কেটে জনভোগান্তি তৈরি করাটাও কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
উন্নয়ন নাকি ভোগান্তি শ্রীপুরে রাস্তা কেটে ড্রেনেজ পাইপলাইন
মোঃ খাইরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর:- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার হানু মার্কেট থেকে মাওনা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। কিন্তু এর মধ্যেই এলাকাবাসীর উদ্যোগে হানু মার্কেট এলাকায় রাস্তার ঠিক মাঝখান দিয়ে প্রায় ১০০ ফুটেরও বেশি,অংশে।
গভীর খনন করে বসানো হচ্ছে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন পাইপলাইন। গভীর খননের কারণে বর্তমানে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পোশাক কারখানার শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীরা চরম যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এলাকাবাসী বলছেন, রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার পর কাটাকাটি করা আরও কঠিন হবে। তাই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রাস্তা বাঁধানোর আগেই পানি নিষ্কাশনের এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।সাময়িক ভোগান্তি হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা হলে দীর্ঘমেয়াদে এলাকার উপকার হবে বলে মনে করছেন অনেকে।
উপজেলা প্রকৌশল (LGED) ও স্থানীয় প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে রাস্তার মাঝখান কেটে এভাবে পাইপলাইন বসানোর কোনো পূর্বানুমতি নেওয়া হয়নি। অনুমতি ছাড়া সরকারি সড়ক কাটা নিয়মবহির্ভূত হলেও, এটি জনস্বার্থের বিষয় হওয়ায় নিয়ম মেনে অনুমতির আবেদন করতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী অনুমতি দেওয়া হবে।
বাসাবাড়ির পানি নিষ্কাশন যেমন জরুরি, তেমনি নিয়ম না মেনে সরকারি রাস্তা কেটে জনভোগান্তি তৈরি করাটাও কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন