চাকসু কর্তৃক চবির ৩৬ তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশন প্রত্যাখ্যান ও সংবাদ সম্মেলন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পরিষদ সিনেটের ৩৬তম বার্ষিক সভা আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬ / ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ.আর. মল্লিক ভবনের (প্রশাসনিক ভবন) সিনেট কক্ষে ।
বার্ষিক সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে অধিবেশন প্রত্যাখ্যানের কারণ সম্পর্কে চাকসু সংবাদ সম্মেলন করেন।
একই সময়ে সিনেট নির্বাচন না হওয়া এবং আওয়ামীপন্থী ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষক প্রতিনিধিদের নিয়ে সিনেট অধিবেশন আয়োজনের অভিযোগ তুলে অধিবেশন প্রত্যাখ্যান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
চাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি সংবাদ সম্মেলনে জানান " ১৭ বছরের ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ শিক্ষক, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর ‘গণহত্যার পক্ষে মৌন মিছিল করা’ শিক্ষক এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত শিক্ষককে নিয়ে আয়োজিত সিনেট অধিবেশন প্রত্যাখ্যান করছে চাকসু।" এসময়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন, চিকিৎসা, গবেষণা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার মানোন্নয়নসহ চাকসুর ১৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
পরিশেষে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
ডাকসুর ১৯ দফা দাবির সারসংক্ষেপ ১. ডাকসু, হল সংসদ ও সিনেট নির্বাচন এবং বার্ষিক পরিচালন বাজেট। ২. আবাসিক হল সংস্কার, মেরামত ও আধুনিকায়ন। ৩. আলাওল ও এ. এফ. রহমান হলের এক্সটেনশন ভবন নির্মাণ। ৪. আবাসন সক্ষমতা ন্যূনতম ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি। ৫. বহুতল আবাসিক হল নির্মাণে পৃথক উন্নয়ন বাজেট। ৬. আবাসন সুবিধাবঞ্চিত ৩ হাজার শিক্ষার্থীকে আবাসন ভাতা। ৭. নতুন শাটল ট্রেন ও বাস-অবকাঠামোর উন্নয়ন। ৮. চট্টগ্রাম শহরগামী ন্যূনতম ১০টি বাস চালু।
৯. টিএসসি, মুক্তমঞ্চ, অডিটোরিয়াম, স্টেডিয়াম ও কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ।১০. আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও উচ্চগতির ইন্টারনেট।১১. লাইব্রেরি ও হল রিডিং রুম আধুনিকায়ন ও এসি সুবিধা। ১২. ৩০ শয্যার মেডিকেল সেন্টার ও ন্যূনতম ৫টি আইসিইউ বেড। ১৩. আধুনিক জিমনেশিয়াম, টার্ফ ও ক্যাম্পাস সৌন্দর্যবর্ধন। ১৪. গবেষণা অনুদান ও গবেষণা অবকাঠামোয় বরাদ্দ বৃদ্ধি।
১৫. প্রশাসনিক অটোমেশন দ্রুত বাস্তবায়ন। ১৬. ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। ১৭. স্বল্পমূল্যে মানসম্মত খাবার ও খাদ্য-ভর্তুকি। ১৮. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের চিকিৎসা সহায়তা। ১৯. মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
চাকসু কর্তৃক চবির ৩৬ তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশন প্রত্যাখ্যান ও সংবাদ সম্মেলন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পরিষদ সিনেটের ৩৬তম বার্ষিক সভা আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬ / ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ.আর. মল্লিক ভবনের (প্রশাসনিক ভবন) সিনেট কক্ষে ।
বার্ষিক সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে অধিবেশন প্রত্যাখ্যানের কারণ সম্পর্কে চাকসু সংবাদ সম্মেলন করেন।
একই সময়ে সিনেট নির্বাচন না হওয়া এবং আওয়ামীপন্থী ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষক প্রতিনিধিদের নিয়ে সিনেট অধিবেশন আয়োজনের অভিযোগ তুলে অধিবেশন প্রত্যাখ্যান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
চাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি সংবাদ সম্মেলনে জানান " ১৭ বছরের ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ শিক্ষক, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর ‘গণহত্যার পক্ষে মৌন মিছিল করা’ শিক্ষক এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত শিক্ষককে নিয়ে আয়োজিত সিনেট অধিবেশন প্রত্যাখ্যান করছে চাকসু।" এসময়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন, চিকিৎসা, গবেষণা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার মানোন্নয়নসহ চাকসুর ১৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
পরিশেষে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
ডাকসুর ১৯ দফা দাবির সারসংক্ষেপ ১. ডাকসু, হল সংসদ ও সিনেট নির্বাচন এবং বার্ষিক পরিচালন বাজেট। ২. আবাসিক হল সংস্কার, মেরামত ও আধুনিকায়ন। ৩. আলাওল ও এ. এফ. রহমান হলের এক্সটেনশন ভবন নির্মাণ। ৪. আবাসন সক্ষমতা ন্যূনতম ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি। ৫. বহুতল আবাসিক হল নির্মাণে পৃথক উন্নয়ন বাজেট। ৬. আবাসন সুবিধাবঞ্চিত ৩ হাজার শিক্ষার্থীকে আবাসন ভাতা। ৭. নতুন শাটল ট্রেন ও বাস-অবকাঠামোর উন্নয়ন। ৮. চট্টগ্রাম শহরগামী ন্যূনতম ১০টি বাস চালু।
৯. টিএসসি, মুক্তমঞ্চ, অডিটোরিয়াম, স্টেডিয়াম ও কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ।১০. আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও উচ্চগতির ইন্টারনেট।১১. লাইব্রেরি ও হল রিডিং রুম আধুনিকায়ন ও এসি সুবিধা। ১২. ৩০ শয্যার মেডিকেল সেন্টার ও ন্যূনতম ৫টি আইসিইউ বেড। ১৩. আধুনিক জিমনেশিয়াম, টার্ফ ও ক্যাম্পাস সৌন্দর্যবর্ধন। ১৪. গবেষণা অনুদান ও গবেষণা অবকাঠামোয় বরাদ্দ বৃদ্ধি।
১৫. প্রশাসনিক অটোমেশন দ্রুত বাস্তবায়ন। ১৬. ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। ১৭. স্বল্পমূল্যে মানসম্মত খাবার ও খাদ্য-ভর্তুকি। ১৮. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের চিকিৎসা সহায়তা। ১৯. মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা।

আপনার মতামত লিখুন