বারহাট্টায় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ
ওমর ফারুক আহম্মদ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে গেল মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে। শুক্রবার উপজেলার ৭ নং রায়পুর ইউনিয়নের কুড়ালদেও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাজেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করে এই বিয়ে বন্ধ করেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়ালদেও গ্রামের মোঃ মাজহারুল ইসলামের মেয়ে অর্পিতা আক্তার হাসি নামে মাদ্রাসা পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকার সাথে একই ইউনিয়নের তিলসিন্দুর গ্রামের তফাজ্জলের ছেলে মোজাম্মেলের সাথে বিয়ের আয়োজন করেছিল তার পরিবারের লোকজন। বিয়ের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ছিল। গোপন সূত্রে এই বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজেদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
সেখানে গিয়ে তিনি বয়স যাচাই করে বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার করে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে পরিবারের কাছ থেকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ১০ ধারা অনুযায়ী মুচলেকা নেওয়া হয়। বিবাহের জন্য আয়োজিত প্যান্ডেল গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পন্ড করা হয়।
বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বারহাট্টা উপজেলাকে বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে প্রশাসন সর্বদা সজাগ রয়েছে। এ ধরনের অপরাধ রোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
অভিযানের সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিবাহ বন্ধে লিখিত অঙ্গীকার করেন।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
বারহাট্টায় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ
ওমর ফারুক আহম্মদ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে গেল মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে। শুক্রবার উপজেলার ৭ নং রায়পুর ইউনিয়নের কুড়ালদেও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাজেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করে এই বিয়ে বন্ধ করেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়ালদেও গ্রামের মোঃ মাজহারুল ইসলামের মেয়ে অর্পিতা আক্তার হাসি নামে মাদ্রাসা পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকার সাথে একই ইউনিয়নের তিলসিন্দুর গ্রামের তফাজ্জলের ছেলে মোজাম্মেলের সাথে বিয়ের আয়োজন করেছিল তার পরিবারের লোকজন। বিয়ের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ছিল। গোপন সূত্রে এই বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজেদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
সেখানে গিয়ে তিনি বয়স যাচাই করে বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার করে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে পরিবারের কাছ থেকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ১০ ধারা অনুযায়ী মুচলেকা নেওয়া হয়। বিবাহের জন্য আয়োজিত প্যান্ডেল গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে পন্ড করা হয়।
বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বারহাট্টা উপজেলাকে বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে প্রশাসন সর্বদা সজাগ রয়েছে। এ ধরনের অপরাধ রোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
অভিযানের সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিবাহ বন্ধে লিখিত অঙ্গীকার করেন।

আপনার মতামত লিখুন