ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পীরগাছায় বাড়িতে ঢুকে বিধবা নারী ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পীরগাছায় বাড়িতে ঢুকে বিধবা নারী ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পীরগাছায় বাড়িতে ঢুকে বিধবা নারী ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

​ রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরান গ্রামে পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বিধবা নারী ও তার তরুণ ছেলেকে বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর এবং ওই নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

​গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন (৪৪) ও তার ছেলে মোঃ রিয়াদ মিয়াকে (১৯) উদ্ধার করে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানকে নিয়ে চরম কষ্টের মধ্য দিয়ে সংসার চালিয়ে আসছিলেন রেজিয়া খাতুন। ব্যবহৃত একটি ফ্রিজে খাবার রাখাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে তার দেবর জহুরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে রেজিয়া খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়।

​হামলাকারীরা ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। রেজিয়া খাতুন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ১৯ বছর বয়সী রিয়াদ মিয়াকেও লোহার রড ও গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে হামলাকারীরা।

​অভিযোগে অভিযুক্তদের তালিকায় রেজিয়া খাতুনের দেবর, দেবরের স্ত্রী ও ভাতিজাসহ মোট পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম মুঠোফোনে সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রিয়াদ আমার আপন ভাতিজা। পারিবারিক শাসনের অংশ হিসেবে তাকে সামান্য মারধর করা হয়েছে। ভাঙচুর কিংবা শ্লীলতাহানির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


পীরগাছায় বাড়িতে ঢুকে বিধবা নারী ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পীরগাছায় বাড়িতে ঢুকে বিধবা নারী ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

​ রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরান গ্রামে পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বিধবা নারী ও তার তরুণ ছেলেকে বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর এবং ওই নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

​গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন (৪৪) ও তার ছেলে মোঃ রিয়াদ মিয়াকে (১৯) উদ্ধার করে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানকে নিয়ে চরম কষ্টের মধ্য দিয়ে সংসার চালিয়ে আসছিলেন রেজিয়া খাতুন। ব্যবহৃত একটি ফ্রিজে খাবার রাখাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে তার দেবর জহুরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে রেজিয়া খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়।

​হামলাকারীরা ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। রেজিয়া খাতুন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাকে চারদিক থেকে ঘিরে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ১৯ বছর বয়সী রিয়াদ মিয়াকেও লোহার রড ও গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে হামলাকারীরা।

​অভিযোগে অভিযুক্তদের তালিকায় রেজিয়া খাতুনের দেবর, দেবরের স্ত্রী ও ভাতিজাসহ মোট পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম মুঠোফোনে সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রিয়াদ আমার আপন ভাতিজা। পারিবারিক শাসনের অংশ হিসেবে তাকে সামান্য মারধর করা হয়েছে। ভাঙচুর কিংবা শ্লীলতাহানির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ