কয়রায় জেলা শিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলা
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: জিএম তারিকুল ইসলাম। খুলনার কয়রা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা পর্যায়ের নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় ও স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক ও জ্ঞানহীন অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেদি হাসান (১৭) এবং তার বাবা জাহাঙ্গীর ওরফে ইয়ার আলী মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেলেও হামলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পরই পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা যাবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
কয়রায় জেলা শিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলা
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: জিএম তারিকুল ইসলাম। খুলনার কয়রা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা পর্যায়ের নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় ও স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক ও জ্ঞানহীন অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেদি হাসান (১৭) এবং তার বাবা জাহাঙ্গীর ওরফে ইয়ার আলী মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেলেও হামলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পরই পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা যাবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন