জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা: বহিষ্কৃত নাজির খানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ও গ্রেফতারের দাবি।
ফয়জুর রহমান (ময়মনসিংহ )ফুলপুর প্রতিনিধি:- জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি ও সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সাথে চাঁদাবাজি, হুমকি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত কথিত সাংবাদিক নাজির খানকে অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের তালাশ বিডি ডটকম ও ‘তালাশ নিউজ নারায়ণগঞ্জ’ ফেসবুক পেজে সংগঠন ও চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ সাইবার অপরাধের দায়ে অনলাইন ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে জিডি নং-১২৬০ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তাদের নামে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সংগঠনের নীতি ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার এবং অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগে নাজির খানকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
বহিষ্কারের ক্ষোভে নাজির খান পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট ক্রাইম বিডি ২৪ ডটকম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবারও ভিত্তিহীন মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে সংগঠন ও সংগঠনের চেয়ারম্যান জনাব সুমন চৌধুরীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা চালায়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান, নাজির খান ও তার সহযোগী পারভীন আক্তার গত ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে সংগঠনের নিবন্ধন পাওয়ার আগেই স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে চলে যান, একই সময়ে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আল হেলালও সংগঠন ত্যাগ করেন। এরা ধারণা করেছিলেন সংগঠনটি হয়তো সরকারি নিবন্ধন পাবে না অযথা সংঠনে থেকে লাব কি। তাদের দীর্ঘ এক বৎসর নিষ্ক্রিয়তার পর কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শেষে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকর কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটি নতুন করে নিজেরা টাকা দিয়ে সরকারি নিবন্ধন লাভ করে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ভাষ্যমতে, সংগঠনের কোনো দায়দায়িত্ব পালন না করে কোনো শ্রম বা ত্যাগ ছাড়াই হঠাৎ ‘বসন্তের কোকিল’-এর মতো সংগঠনের পদ বা অর্থ দাবি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শামিল।
সংগঠনের কার্যালয় ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে চরম মিথ্যাচার আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দরা জানান, সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজের একটি রাস্তার পাশে ঘর মেরামত করে সংগঠনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ করে দেন। অফিসের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ডেকোরেশন ও অফিস পরিচালনা ব্যয়ের সিংহভাগই তিনি এককভাবে বহন করে আসছেন। এমনকি সংগঠনের শুরু থেকেই তারা সংগঠনের অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক সদস্য ফি এর ১০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারেন নাই। সংগঠনের অফিসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ও ডেকোরেশন মেরামত করার মোটা অংকের টাকা সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী সংগঠনের নিকট প্রাপ্য। যেখানে সুমন চৌধুরীর ব্যক্তিগত ত্যাগ ও অর্থায়নে সংগঠনটি দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তার বিরুদ্ধেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা চরম অপ-সাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ। সংগঠনটির চেয়ারম্যান সুৃমন চৌধুরী চেয়েছিলেন অপ-সাংবাদিক চাঁদাবাজদের এই সংগঠনে কোন স্থান নেই, স্বচ্ছ একটি সংগঠন হিসাবে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি এগিয়ে যাবে, নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুখ দুঃখে পাশে দাড়াবে, তাদের কল্যানে কাজ করে যাবে, অথচ দেখা যাচ্ছে নাজির খানের মতো অপ-সাংবাদিককে ব্যবহার করে কোন এক অশুভ অদৃশ্য শক্তি সংগঠনের চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। নামি দামি অনলাইন পোর্টালে নিউজের সত্যতা যাচাই বাছাই ছাড়া কিভাবে একটি সংগঠনের নামে একতরফা নিউজ প্রকাশ করে? নাজির খানের মতো অপ-সাংবাদিকতা যার একটি নিউজ লেখার মতো যোগ্যতা নেই অন্যের কাছে সহযোগীতা নিয়ে নিউজ তৈরী করতে হয় তারা কিভাবে এই ধরনের নিউজ পোর্টাল গুলোতে নিউজ করার সাহস দেখায়।
সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ও অন্যান্য দায়িত্ব থাকা নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বলেন নাজির খান আর পারভীন আক্তার যদি সংগঠনের সাংগঠনিক ফি এর টাকা সংগঠনকে দিয়ে থাকে, তারা স্বেচ্ছায় এক বছর আগে অব্যহতি নিয়ে চলে গিয়ে এক বছর পরে এসে সেই টাকা দাবী করার কোন যৌক্তিক আছি কিনা আমাদের প্রশ্ন? নাজির খান আর পারভীন দুজনে ১৬ হাজার টাকা দাবি করে এই ধরনের ভয়ংকর কাজে লিপ্ত হয়েছেন, কি কারনে নাজির খান আর পারভীন টাকা দিয়েছে তার যৌক্তিক প্রমান সহ সংগঠনের ০৭ জন বিশিষ্ট কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হলে অবশ্যই কমিটি বিবেচনা করে তা ফেরত দিতেন৷ কিন্ত নাজির খান তা না করে এক অশুভ শক্তির ডাল হিসাবে ব্যবহার হয়ে মারাত্মক অপরাধে লিপ্ত হয়েছে৷
একজন সম্মানি ব্যাক্তির সম্মানহানি ও সংগঠনের নামে মিথ্যা অপপ্রচার এটা সাইবার ক্রাইমে কত বড় অপরাধ সকল সহযোদ্ধা সাংবাদিক ভাই বোনদের কাছে প্রশ্ন? আজ যাহা আমার সাথে ঘটেছে আগামীকাল আপনার সাথে তাহা ঘটতেই পারে। আজ এদের মতো অপ-সাংবাদিকতার কারনে পেশাদার সাংবাদিকরা হুমকির মুখে।
সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, সুমন চৌধুরী সাংবাদিকতা পেশা বিক্রি করে কিংবা সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কারো একটি টাকাও আত্মসাৎ করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। অপপ্রচারের সপক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দরা আরও উল্লখ করে বলেন নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেকেই পিঠ বাচাতে সংগঠনে আসেন আবার অনেকেই স্বার্থ হাসিল করে চলেও যান, প্রতিটি সংগঠন নিজেদের অর্থায়নে পরিচালিত হয় যেহেতু জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি সুমন চৌধুরীর একক সংগঠন নয়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মতবিরোধ নিরসনে পূর্বে তাদের আলোচনার আহ্বান জানানো হলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে তারা ধারাবাহিক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সাংবাদিকতার মতো মহৎ পেশাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি ও চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে। অপ-সাংবাদিক নাজির খান এবং নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা: বহিষ্কৃত নাজির খানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ও গ্রেফতারের দাবি।
ফয়জুর রহমান (ময়মনসিংহ )ফুলপুর প্রতিনিধি:- জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি ও সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সাথে চাঁদাবাজি, হুমকি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত কথিত সাংবাদিক নাজির খানকে অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের তালাশ বিডি ডটকম ও ‘তালাশ নিউজ নারায়ণগঞ্জ’ ফেসবুক পেজে সংগঠন ও চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ সাইবার অপরাধের দায়ে অনলাইন ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে জিডি নং-১২৬০ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তাদের নামে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সংগঠনের নীতি ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার এবং অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগে নাজির খানকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
বহিষ্কারের ক্ষোভে নাজির খান পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট ক্রাইম বিডি ২৪ ডটকম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবারও ভিত্তিহীন মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে সংগঠন ও সংগঠনের চেয়ারম্যান জনাব সুমন চৌধুরীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা চালায়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান, নাজির খান ও তার সহযোগী পারভীন আক্তার গত ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে সংগঠনের নিবন্ধন পাওয়ার আগেই স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে চলে যান, একই সময়ে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আল হেলালও সংগঠন ত্যাগ করেন। এরা ধারণা করেছিলেন সংগঠনটি হয়তো সরকারি নিবন্ধন পাবে না অযথা সংঠনে থেকে লাব কি। তাদের দীর্ঘ এক বৎসর নিষ্ক্রিয়তার পর কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শেষে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকর কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটি নতুন করে নিজেরা টাকা দিয়ে সরকারি নিবন্ধন লাভ করে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ভাষ্যমতে, সংগঠনের কোনো দায়দায়িত্ব পালন না করে কোনো শ্রম বা ত্যাগ ছাড়াই হঠাৎ ‘বসন্তের কোকিল’-এর মতো সংগঠনের পদ বা অর্থ দাবি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শামিল।
সংগঠনের কার্যালয় ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে চরম মিথ্যাচার আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দরা জানান, সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজের একটি রাস্তার পাশে ঘর মেরামত করে সংগঠনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ করে দেন। অফিসের ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ডেকোরেশন ও অফিস পরিচালনা ব্যয়ের সিংহভাগই তিনি এককভাবে বহন করে আসছেন। এমনকি সংগঠনের শুরু থেকেই তারা সংগঠনের অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক সদস্য ফি এর ১০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারেন নাই। সংগঠনের অফিসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ও ডেকোরেশন মেরামত করার মোটা অংকের টাকা সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী সংগঠনের নিকট প্রাপ্য। যেখানে সুমন চৌধুরীর ব্যক্তিগত ত্যাগ ও অর্থায়নে সংগঠনটি দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তার বিরুদ্ধেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা চরম অপ-সাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ। সংগঠনটির চেয়ারম্যান সুৃমন চৌধুরী চেয়েছিলেন অপ-সাংবাদিক চাঁদাবাজদের এই সংগঠনে কোন স্থান নেই, স্বচ্ছ একটি সংগঠন হিসাবে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি এগিয়ে যাবে, নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুখ দুঃখে পাশে দাড়াবে, তাদের কল্যানে কাজ করে যাবে, অথচ দেখা যাচ্ছে নাজির খানের মতো অপ-সাংবাদিককে ব্যবহার করে কোন এক অশুভ অদৃশ্য শক্তি সংগঠনের চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। নামি দামি অনলাইন পোর্টালে নিউজের সত্যতা যাচাই বাছাই ছাড়া কিভাবে একটি সংগঠনের নামে একতরফা নিউজ প্রকাশ করে? নাজির খানের মতো অপ-সাংবাদিকতা যার একটি নিউজ লেখার মতো যোগ্যতা নেই অন্যের কাছে সহযোগীতা নিয়ে নিউজ তৈরী করতে হয় তারা কিভাবে এই ধরনের নিউজ পোর্টাল গুলোতে নিউজ করার সাহস দেখায়।
সংগঠনের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ও অন্যান্য দায়িত্ব থাকা নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বলেন নাজির খান আর পারভীন আক্তার যদি সংগঠনের সাংগঠনিক ফি এর টাকা সংগঠনকে দিয়ে থাকে, তারা স্বেচ্ছায় এক বছর আগে অব্যহতি নিয়ে চলে গিয়ে এক বছর পরে এসে সেই টাকা দাবী করার কোন যৌক্তিক আছি কিনা আমাদের প্রশ্ন? নাজির খান আর পারভীন দুজনে ১৬ হাজার টাকা দাবি করে এই ধরনের ভয়ংকর কাজে লিপ্ত হয়েছেন, কি কারনে নাজির খান আর পারভীন টাকা দিয়েছে তার যৌক্তিক প্রমান সহ সংগঠনের ০৭ জন বিশিষ্ট কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হলে অবশ্যই কমিটি বিবেচনা করে তা ফেরত দিতেন৷ কিন্ত নাজির খান তা না করে এক অশুভ শক্তির ডাল হিসাবে ব্যবহার হয়ে মারাত্মক অপরাধে লিপ্ত হয়েছে৷
একজন সম্মানি ব্যাক্তির সম্মানহানি ও সংগঠনের নামে মিথ্যা অপপ্রচার এটা সাইবার ক্রাইমে কত বড় অপরাধ সকল সহযোদ্ধা সাংবাদিক ভাই বোনদের কাছে প্রশ্ন? আজ যাহা আমার সাথে ঘটেছে আগামীকাল আপনার সাথে তাহা ঘটতেই পারে। আজ এদের মতো অপ-সাংবাদিকতার কারনে পেশাদার সাংবাদিকরা হুমকির মুখে।
সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, সুমন চৌধুরী সাংবাদিকতা পেশা বিক্রি করে কিংবা সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কারো একটি টাকাও আত্মসাৎ করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। অপপ্রচারের সপক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দরা আরও উল্লখ করে বলেন নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেকেই পিঠ বাচাতে সংগঠনে আসেন আবার অনেকেই স্বার্থ হাসিল করে চলেও যান, প্রতিটি সংগঠন নিজেদের অর্থায়নে পরিচালিত হয় যেহেতু জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি সুমন চৌধুরীর একক সংগঠন নয়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মতবিরোধ নিরসনে পূর্বে তাদের আলোচনার আহ্বান জানানো হলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে তারা ধারাবাহিক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সাংবাদিকতার মতো মহৎ পেশাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি ও চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে। অপ-সাংবাদিক নাজির খান এবং নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন