মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় তিনটি সড়ক উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10692] মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২.৩০ মিনিটে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মঈনুল ইসলাম খান (শান্ত) এসব উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিজা বিসরাত হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুজ্জামান, হরিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তৌফিক আজম প্রমূখ। [TECHTARANGA-POST:10693]উল্লেখ্য,সড়কগুলো হলো, আরুয়া ইউনিয়নের বাল্লা বাজার থেকে কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন সড়ক, কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মোহাম্মদপুরের হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়ক এবং গোপীনাথপুর উত্তরপাড়া-বাহাদুরপুর সড়ক।এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জ প্রকল্পের (MDIRIDP) আওতায় আরুয়া ইউনিয়নের বাল্লা বাজার থেকে কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন সড়কের ১ হাজার ৬১ মিটার অংশ উন্নয়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪ হাজার ৪৩১ টাকা। এ কাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৪ হাজার ২০৯ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স দোয়েল হেলথ ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন। ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই কাজ শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১৮ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10694]অন্যদিকে, কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মোহাম্মদপুরের হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৭৬০ মিটার সড়ক উন্নয়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৬ টাকা। এর চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭ হাজার ৫৮৩ টাকা। রেনেসা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের কাজও ২০২৭ সালের ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10695]এ ছাড়াও গোপীনাথপুর উত্তরপাড়া-বাহাদুরপুর সড়কের ৯০০ মিটার অংশ উন্নয়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭১ হাজার ৩২৫ টাকা। এ কাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩১ লাখ ৭৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। রেনেসা কনস্ট্রাকশন কাজটি বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের ২০ জুলাই শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১৯ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। [TECHTARANGA-POST:10696]এসময় উপস্থিত বক্তরা আরো বলেন,সড়কগুলো উন্নয়ন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশাবাদী।