বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে , মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চাইলেন।
বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে , মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চাইলেন। আজ ১১ ই জুলাই শনিবার, ঠিক দুপুর ১.৩০ মিনিটে, কলকাতার প্রেসক্লাবে, অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রান্সজেন্ডার হিজড়া ইন বেঙ্গল আয়োজিত, বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করলেন ও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন। [TECHTARANGA-POST:8570]উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সম্মেলনে নিপীড়িত, অত্যাচারিত, আক্রান্ত ও বিভিন্নভাবে কেশে ফাঁসানো বেশ কয়েকজন প্রতিবাদী অভিযোগকারী, তার মধ্যে ছিলেন দীপা ,পামেলা ও রুপালী সহ অন্যান্যরা। যাহারা আজও লড়াই করে চলেছেন বিভিন্ন বাধা-বিপত্তিকে পিছনে ফেলে। তাহারা বার বার একটা কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ১৫ বছর ধরে কিভাবে বিষ্ণুপুরের ত্রাস পপি ও বিষ্ণুপুর থানায় অত্যাচারিত হয়েছেন, জেলা থেকে কলকাতা সমস্ত জায়গায় পপির লোকজন হুমকি এমনকি মার্ডার ও করে দিয়েছেন কেউ মুখ খুললে কিন্তু তাহার বিরুদ্ধে আজো কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। আমরা যখনই কিছু প্রতিবাদ করতে যাই, পপি টাকা খাইয়ে আমাদের কে কেস দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিতেন।[TECHTARANGA-POST:8571]শুধু তাই নয় যে সকল ট্রান্সজেন্ডার ও রোহিঙ্গা বাংলাদেশ থেকে বিনা পাসপোর্টে বিনা ডকমেন্সে এদেশে এসে রয়েছেন, তাহাদেরকে ভুয়ো পাসপোর্ট, ভোটার আইডি ,রেশন কার্ড বানিয়ে দিয়েছেন। যাদের এই সকল ডকুমেন্টস এর মধ্যে বাবার নাম একটাই, আমরা ২৭ জনের প্রুফ জোগাড় করেছি, সেই ২৭ জনের পরিচয়পত্রে বাবা একটাই, ২৭ জনের যে বাবা একজনই হয় এটা আমাদের জানা ছিল না।। আমরা এদেশের নাগরিক হয়ে, আমাদের বাবা-মা ও আমাদেরকে রোহিঙ্গা বলে তাড়ানোর চেষ্টা করছেন, আমাদের উপর জোর জুলুম খাটিয়ে টাকা আদায় করেছেন, আমরা যে দেশের নাগরিক আমাদের কাছে সকল প্রমাণপত্র রয়েছে, কিন্তু এই সকল জেন্ডার রোহিঙ্গাদের পরিচয় পত্র দেখা হোক এবং এদেরকে বাংলাদেশের পাঠিয়ে দেয়া হোক। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এটাই আবেদন করছি। [TECHTARANGA-POST:8572]আমরা জানি আমাদের মধ্যে অনেকেই মুখ খুলতে চাননি কারণ যেভাবে অত্যাচারিত হচ্ছি, এটাও আমরা জানি জামরা সাংবাদিক সম্মেলন করছি কিন্তু আমাদের ভয় রয়ে যাচ্ছে। কখন আমাদেরকে আবার অ্যাটাক করে, কিন্তু আর নয় আমরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে লড়াই করে যাব এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন অবিলম্বে পপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক,এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হোক। তাহার সাথে সাথে করা ব্যবস্থা নেয়া হোক যাহাতে এই ভাবে অনুপ্রবেশ করতে না পারে। আরো বলেন আমাদেরকে এক একটি কেস দিয়ে ৩ লাখ টাকা করে নিয়েছেন, আমরা ভয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি, কিন্তু এই পপি থেকে শুরু করে সুইটি এদের এত টাকা কোথা থেকে আসলো এমনকি সোনা দানা। তবে আমরা জানতে পেরেছি পপিকে নাকি প্রতিমাসে কুড়ি লক্ষ টাকা করে কালীঘাটে দিয়ে আসতে হয়।। টাকা শোনা আসছে কোথা থেকে, কি করে হলো। [TECHTARANGA-POST:8573]আমরা এতদিন মুখ খুলতে পারিনি, সরকার পরিবর্তন হয়েছে, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, আমাদেরকে এই জায়গা করে দিয়েছেন তাই আমরা আজ সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারছি। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটাই অনুরোধ করব, এবার আমাদের পাশে থাকুন, আর করা হাতে ব্যবস্থা নিয়ে পপির মতো গুন্ডা মস্তান রোহিঙ্গাদের এ দেশ থেকে তাড়ান। আমরা কোনদিন চাইনি সাধারণ মানুষ ও তাদের পরিবার থেকে জোর জুলুম করে বেশি টাকা নিতে, খুশি করে যেটা দেয় ৫০০ হাজার তাতেই আমরা আনন্দ পাই কিন্তু এই সকল দুষ্কৃতী ও গুন্ডাদের জন্য আমাদের আমাদেরকে বাধ্য করানো হয় জোর করে টাকা আদায় করার, আমরা আশা করব আমাদের এই কথাগুলো মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুনবেন ও আমাদের পাশে থাকবেন। এর সাথে সাথে আমাদের সকল বোনেদের বলবো সঙ্গবদ্ধ হয়ে এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।