অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা
তাপস চন্দ্র সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক কুমিল্লা:- বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক গৌরবের অধ্যায় রচনা করেছে কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর শিরোপা জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দলকে সংবর্ধনা জানাতে আবেগ, ভালোবাসা ও গর্বে মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লা। জেলার ক্রীড়াঙ্গনের সেরা অর্জনকে উদযাপন করতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।
জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন পরিণত হয় কুমিল্লাবাসীর এক মিলনমেলায়। হলজুড়ে ছিল করতালি, উচ্ছ্বাস আর চ্যাম্পিয়নদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ। ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক এবং দাঁড়িয়ে অভিবাদনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় জাতীয় চ্যাম্পিয়নদের।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর মোঃ কবির খান, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু এবং কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, আদর্শ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, "এই শিরোপা শুধু একটি ট্রফি নয়, এটি কুমিল্লার মানুষের স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের প্রতীক। আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা প্রমাণ করেছে সুযোগ পেলে তারাই দেশের জন্য বড় অর্জন বয়ে আনতে পারে। সরকার সবসময় খেলাধুলার উন্নয়নে আন্তরিক। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "আজকের এই চ্যাম্পিয়নরা আগামী দিনের জাতীয় দলের সম্পদ। তাদের সফলতা নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করবে এবং মাদক, অপরাধ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখবে।"
সভাপতির বক্তব্যে ইউসূফ মোল্লা টিপু বলেন, "কুমিল্লার এই অর্জন আমাদের সবার অর্জন। এই বিজয় কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য নতুন যুগের সূচনা করেছে। খেলোয়াড়দের সম্মান দেওয়া মানে ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন তৈরির পথ আরও সুগম করা।" তিনি কুমিল্লায় আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, "এই দলটি প্রমাণ করেছে পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে জেলা পর্যায় থেকেও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সম্ভব। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে বিসিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।"
জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার বলেন, "আজ কুমিল্লার জন্য গর্বের দিন। এই বিজয় শুধু খেলোয়াড়দের নয়, জেলার প্রতিটি মানুষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খেলাধুলার উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "যে জেলা ক্রীড়াকে ভালোবাসে, সেই জেলা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যায়। এই অর্জন কুমিল্লাকে নতুনভাবে পরিচিত করেছে।"
অতিরিক্ত পুলিশসুপার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, "খেলাধুলা যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে রাখে। কুমিল্লার ক্রিকেটাররা মাঠে যে শৃঙ্খলা, সাহস ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা অন্যদের জন্য অনুকরণীয়।"
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, "এই বিজয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।"
বিসিবি কাউন্সিলর মোঃ কবির খান বলেন, "কুমিল্লার ক্রিকেটের সম্ভাবনা অনেক। এখান থেকে আরও জাতীয় দলের ক্রিকেটার উঠে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।" তিনি আরও বলেন, "খেলাধুলার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিভাজন নেই। কুমিল্লার এই বিজয় আমাদের সবার। আমরা সবসময় ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগের পাশে থাকব।"
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বিসিবি ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু বলেন, "এই শিরোপার পেছনে খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, কোচিং স্টাফের নিবেদন এবং পুরো দলের আত্মবিশ্বাস কাজ করেছে। এই অর্জন ধরে রাখতে হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে হবে।"
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু বলেন, "আজকের এই সংবর্ধনা খেলোয়াড়দের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে সাহস যোগাবে।"
অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ সময় হলজুড়ে উপস্থিত দর্শকদের করতালি, "চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা" ধ্বনি এবং উচ্ছ্বাসে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী এই বিজয়কে জেলার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে অভিহিত করেন।
খেলোয়াড়রা বলেন, এই সম্মাননা তাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও কুমিল্লার নাম দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও উজ্জ্বল করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে বক্তারা একসুরে বলেন, কুমিল্লার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে ধরে রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে ক্রিকেট উন্নয়ন, আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, উন্নত অবকাঠামো এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়মিত পরিচর্যার বিকল্প নেই।
একটি শিরোপা যেমন একটি জেলার গর্বের প্রতীক, তেমনি এই নাগরিক সংবর্ধনা প্রমাণ করে—নিজেদের সন্তানদের সাফল্যকে সম্মান জানাতে কুমিল্লাবাসী সবসময় এক ও অভিন্ন। জাতীয় ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা
তাপস চন্দ্র সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক কুমিল্লা:- বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক গৌরবের অধ্যায় রচনা করেছে কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর শিরোপা জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দলকে সংবর্ধনা জানাতে আবেগ, ভালোবাসা ও গর্বে মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লা। জেলার ক্রীড়াঙ্গনের সেরা অর্জনকে উদযাপন করতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।
জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন পরিণত হয় কুমিল্লাবাসীর এক মিলনমেলায়। হলজুড়ে ছিল করতালি, উচ্ছ্বাস আর চ্যাম্পিয়নদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ। ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক এবং দাঁড়িয়ে অভিবাদনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় জাতীয় চ্যাম্পিয়নদের।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর মোঃ কবির খান, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু এবং কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, আদর্শ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, "এই শিরোপা শুধু একটি ট্রফি নয়, এটি কুমিল্লার মানুষের স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের প্রতীক। আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা প্রমাণ করেছে সুযোগ পেলে তারাই দেশের জন্য বড় অর্জন বয়ে আনতে পারে। সরকার সবসময় খেলাধুলার উন্নয়নে আন্তরিক। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "আজকের এই চ্যাম্পিয়নরা আগামী দিনের জাতীয় দলের সম্পদ। তাদের সফলতা নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করবে এবং মাদক, অপরাধ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখবে।"
সভাপতির বক্তব্যে ইউসূফ মোল্লা টিপু বলেন, "কুমিল্লার এই অর্জন আমাদের সবার অর্জন। এই বিজয় কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য নতুন যুগের সূচনা করেছে। খেলোয়াড়দের সম্মান দেওয়া মানে ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন তৈরির পথ আরও সুগম করা।" তিনি কুমিল্লায় আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, "এই দলটি প্রমাণ করেছে পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে জেলা পর্যায় থেকেও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সম্ভব। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে বিসিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।"
জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার বলেন, "আজ কুমিল্লার জন্য গর্বের দিন। এই বিজয় শুধু খেলোয়াড়দের নয়, জেলার প্রতিটি মানুষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খেলাধুলার উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "যে জেলা ক্রীড়াকে ভালোবাসে, সেই জেলা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যায়। এই অর্জন কুমিল্লাকে নতুনভাবে পরিচিত করেছে।"
অতিরিক্ত পুলিশসুপার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, "খেলাধুলা যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে রাখে। কুমিল্লার ক্রিকেটাররা মাঠে যে শৃঙ্খলা, সাহস ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা অন্যদের জন্য অনুকরণীয়।"
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, "এই বিজয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।"
বিসিবি কাউন্সিলর মোঃ কবির খান বলেন, "কুমিল্লার ক্রিকেটের সম্ভাবনা অনেক। এখান থেকে আরও জাতীয় দলের ক্রিকেটার উঠে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।" তিনি আরও বলেন, "খেলাধুলার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিভাজন নেই। কুমিল্লার এই বিজয় আমাদের সবার। আমরা সবসময় ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগের পাশে থাকব।"
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বিসিবি ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু বলেন, "এই শিরোপার পেছনে খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, কোচিং স্টাফের নিবেদন এবং পুরো দলের আত্মবিশ্বাস কাজ করেছে। এই অর্জন ধরে রাখতে হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে হবে।"
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু বলেন, "আজকের এই সংবর্ধনা খেলোয়াড়দের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে সাহস যোগাবে।"
অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ সময় হলজুড়ে উপস্থিত দর্শকদের করতালি, "চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা" ধ্বনি এবং উচ্ছ্বাসে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী এই বিজয়কে জেলার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে অভিহিত করেন।
খেলোয়াড়রা বলেন, এই সম্মাননা তাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও কুমিল্লার নাম দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও উজ্জ্বল করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে বক্তারা একসুরে বলেন, কুমিল্লার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে ধরে রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে ক্রিকেট উন্নয়ন, আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, উন্নত অবকাঠামো এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়মিত পরিচর্যার বিকল্প নেই।
একটি শিরোপা যেমন একটি জেলার গর্বের প্রতীক, তেমনি এই নাগরিক সংবর্ধনা প্রমাণ করে—নিজেদের সন্তানদের সাফল্যকে সম্মান জানাতে কুমিল্লাবাসী সবসময় এক ও অভিন্ন। জাতীয় ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা।

আপনার মতামত লিখুন