বগুড়ায় শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পায়ে খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মী, ক্ষোভ
আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধি:- বগুড়ার খোকন পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল বেদিতে জুতা পায়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা-কর্মীদের অবস্থান ও চলাচলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তবে বিষয়টি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) খোকন পার্কে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশকে ঘিরে প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় সংগঠনটির কয়েকজন নেতা-কর্মী শহীদ মিনারের মূল বেদিতে জুতা পায়ে অবস্থান ও চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা ছাড়া ওঠার প্রচলিত রীতি রয়েছে। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচির প্রস্তুতির সময় জুতা পায়ে ওঠার বিষয়টি তাদের কাছে দৃষ্টিকটু ও অনভিপ্রেত মনে হয়েছে।
ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা স্থানীয় কয়েকজন নাগরিক বলেন, শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি, আত্মত্যাগ এবং বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতীক। তাই সেখানে যেকোনো কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এর মর্যাদা ও প্রচলিত শিষ্টাচার রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
এদিকে শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পায়ে অবস্থানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অনেকে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে শহীদ মিনারসহ জাতীয় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মর্যাদা রক্ষায় আয়োজকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার দাবি জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সবার রয়েছে। তবে সেই কর্মসূচির প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নের সময় জাতীয় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করাও রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বগুড়া জেলা সেক্রেটারি মুফতি মামুন রহমানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এটা আমাদের বেখেয়ালেই হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আমরা বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখব, ইনশাআল্লাহ।”
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে শহীদ মিনারসহ এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মর্যাদা রক্ষায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ায় শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পায়ে খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মী, ক্ষোভ
আশরাফুদ্দীন আল আজাদ বিশেষ প্রতিনিধি:- বগুড়ার খোকন পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল বেদিতে জুতা পায়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা-কর্মীদের অবস্থান ও চলাচলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তবে বিষয়টি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) খোকন পার্কে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশকে ঘিরে প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় সংগঠনটির কয়েকজন নেতা-কর্মী শহীদ মিনারের মূল বেদিতে জুতা পায়ে অবস্থান ও চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা ছাড়া ওঠার প্রচলিত রীতি রয়েছে। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচির প্রস্তুতির সময় জুতা পায়ে ওঠার বিষয়টি তাদের কাছে দৃষ্টিকটু ও অনভিপ্রেত মনে হয়েছে।
ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা স্থানীয় কয়েকজন নাগরিক বলেন, শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি, আত্মত্যাগ এবং বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতীক। তাই সেখানে যেকোনো কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এর মর্যাদা ও প্রচলিত শিষ্টাচার রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
এদিকে শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পায়ে অবস্থানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অনেকে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে শহীদ মিনারসহ জাতীয় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মর্যাদা রক্ষায় আয়োজকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার দাবি জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সবার রয়েছে। তবে সেই কর্মসূচির প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নের সময় জাতীয় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করাও রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বগুড়া জেলা সেক্রেটারি মুফতি মামুন রহমানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এটা আমাদের বেখেয়ালেই হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আমরা বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখব, ইনশাআল্লাহ।”
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে শহীদ মিনারসহ এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মর্যাদা রক্ষায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন