বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য ওয়ান আইডি
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- একবার ভাবুন তো , একটা কার্ডের মাধ্যমে হবে সব কিছুই। ভেবে দেখুন তো, পকেটে এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা স্মার্টকার্ড কিচ্ছু নেই, তবুও মাত্র ১টি আইডি দিয়েই হয়ে যাচ্ছে সব কাজ! অবাস্তব মনে হলেও এটাই সত্যি হতে চলেছে...
জন্মের পর জন্মনিবন্ধন, আর ১৮ বছর হলে এনআইডি, এই ঝামেলার দিন এবার শেষ হতে চলেছে! দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এবার আসছে আজীবন মেয়াদি একটিমাত্র পরিচয়পত্র, যার নাম ‘এক-আইডি’ (One-ID)।
যেমন ধরুন, কুড়িগ্রামের চিলমারী গ্রামের কৃষক রহিম মিয়া কিংবা ঢাকার সাভারের নবজাতক শিশু, সবার জন্যই থাকবে একটি ইউনিক আইডি। এই ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি কোনো অফিসে একই তথ্য বারবার জমা দিতে হবে না।
কী কী সুবিধা থাকছে এই কার্ডে? জন্মের পরেই আইডি: ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না, জন্মের পরপরই শিশু এই স্থায়ী আইডি পেয়ে যাবে। সব কার্ড এক সুতোয়: বর্তমান এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো সমস্ত সেবা চলে আসবে এই এক আইডির অধীনে।
সব সেবা এক জায়গায়: স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে শুরু করে ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে লেনদেনও করা যাবে এই এক কার্ডে!
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিটি স্মার্ট চিপ কার্ড তৈরিতে খরচ ধরা হয়েছে মাত্র অল্প কিছু টাকা।
ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ! বর্তমান সরকারের অসাধারণ সুন্দর একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যা সবাই ইতিমধ্যেই , এই ধরনের ওয়ান আইডি কার্ডের ব্যাপক প্রশংসা করছেন ।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য ওয়ান আইডি
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- একবার ভাবুন তো , একটা কার্ডের মাধ্যমে হবে সব কিছুই। ভেবে দেখুন তো, পকেটে এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা স্মার্টকার্ড কিচ্ছু নেই, তবুও মাত্র ১টি আইডি দিয়েই হয়ে যাচ্ছে সব কাজ! অবাস্তব মনে হলেও এটাই সত্যি হতে চলেছে...
জন্মের পর জন্মনিবন্ধন, আর ১৮ বছর হলে এনআইডি, এই ঝামেলার দিন এবার শেষ হতে চলেছে! দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এবার আসছে আজীবন মেয়াদি একটিমাত্র পরিচয়পত্র, যার নাম ‘এক-আইডি’ (One-ID)।
যেমন ধরুন, কুড়িগ্রামের চিলমারী গ্রামের কৃষক রহিম মিয়া কিংবা ঢাকার সাভারের নবজাতক শিশু, সবার জন্যই থাকবে একটি ইউনিক আইডি। এই ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি কোনো অফিসে একই তথ্য বারবার জমা দিতে হবে না।
কী কী সুবিধা থাকছে এই কার্ডে? জন্মের পরেই আইডি: ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না, জন্মের পরপরই শিশু এই স্থায়ী আইডি পেয়ে যাবে। সব কার্ড এক সুতোয়: বর্তমান এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো সমস্ত সেবা চলে আসবে এই এক আইডির অধীনে।
সব সেবা এক জায়গায়: স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে শুরু করে ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে লেনদেনও করা যাবে এই এক কার্ডে!
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিটি স্মার্ট চিপ কার্ড তৈরিতে খরচ ধরা হয়েছে মাত্র অল্প কিছু টাকা।
ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ! বর্তমান সরকারের অসাধারণ সুন্দর একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যা সবাই ইতিমধ্যেই , এই ধরনের ওয়ান আইডি কার্ডের ব্যাপক প্রশংসা করছেন ।

আপনার মতামত লিখুন