ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবতার ফেরিওয়ালা রফিকুল ইসলামকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

মানবতার ফেরিওয়ালা রফিকুল ইসলামকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

মানবতার ফেরিওয়ালা রফিকুল ইসলামকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

ফয়জুর রহমান,ফুলপুর  (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের করুয়াপাড়া সুতারবাড়ি এলাকার বিএনপি নেতা মো. রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। নিজের উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে কাঁচা রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। এ কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে রফিকুল ইসলাম নিজের অর্থায়নে কয়েকটি কাঁচা রাস্তা সংস্কার করে দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

এ ছাড়া মসজিদের মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্যও তিনি বিভিন্ন সময় রাস্তা সংস্কার ও অন্যান্য সহযোগিতামূলক কাজ করেছেন বলে এলাকাবাসীর ভাষ্য। তাঁর এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা উপকৃত হচ্ছেন বলে জানান তাঁরা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিজের মতো করে সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে যেসব রাস্তা দিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন, সেসব রাস্তার দুরবস্থা দেখলে তিনি নিজ উদ্যোগে সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। ভবিষ্যতেও তিনি যেন এ ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে পারেন, সে জন্য তাঁর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

এলাকাবাসীর একটি অংশ মনে করেন, মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে রফিকুল ইসলামকে ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দেখতে চান তাঁরা। তাঁদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে তিনি আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তবে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়ে রফিকুল ইসলামের বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘আমি এলাকার উন্নয়ন করছি কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়। মেম্বার বা চেয়ারম্যান হওয়ার আশায়ও এসব কাজ করছি না। এলাকার সন্তান হিসেবে নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই মানুষের জন্য এসব কাজ করে যাচ্ছি। এর বিনিময়ে আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি শুধু এলাকাবাসীর দোয়া চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতেও যেন উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারি এবং মানুষের পাশে থাকতে পারি—এটাই আমার চাওয়া। এলাকাবাসী চাইলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিবেচনা করে দেখব।’

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সব মানুষের পাশে আজীবন থাকতে চাই। গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আল্লাহ যেন আমাকে সেই তৌফিক দান করেন।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়টি রফিকুল ইসলাম এখনো চূড়ান্তভাবে ঘোষণা না করলেও তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডকে তাঁরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

 তাই স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন বলেন আমাদের  প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সরকারি ও জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন  এজন্য আমরা এলাকাবাসী চাই রফিকুল ইসলামকে আমাদের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার বানাতে এ বিষয়ে আমাদের ওয়ার্ডের সকল মানুষই একমত।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মানবতার ফেরিওয়ালা রফিকুল ইসলামকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মানবতার ফেরিওয়ালা রফিকুল ইসলামকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

ফয়জুর রহমান,ফুলপুর  (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের করুয়াপাড়া সুতারবাড়ি এলাকার বিএনপি নেতা মো. রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। নিজের উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে কাঁচা রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। এ কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে রফিকুল ইসলাম নিজের অর্থায়নে কয়েকটি কাঁচা রাস্তা সংস্কার করে দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

এ ছাড়া মসজিদের মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্যও তিনি বিভিন্ন সময় রাস্তা সংস্কার ও অন্যান্য সহযোগিতামূলক কাজ করেছেন বলে এলাকাবাসীর ভাষ্য। তাঁর এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা উপকৃত হচ্ছেন বলে জানান তাঁরা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিজের মতো করে সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে যেসব রাস্তা দিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন, সেসব রাস্তার দুরবস্থা দেখলে তিনি নিজ উদ্যোগে সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। ভবিষ্যতেও তিনি যেন এ ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে পারেন, সে জন্য তাঁর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

এলাকাবাসীর একটি অংশ মনে করেন, মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে রফিকুল ইসলামকে ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দেখতে চান তাঁরা। তাঁদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে তিনি আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তবে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়ে রফিকুল ইসলামের বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘আমি এলাকার উন্নয়ন করছি কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়। মেম্বার বা চেয়ারম্যান হওয়ার আশায়ও এসব কাজ করছি না। এলাকার সন্তান হিসেবে নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই মানুষের জন্য এসব কাজ করে যাচ্ছি। এর বিনিময়ে আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি শুধু এলাকাবাসীর দোয়া চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতেও যেন উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারি এবং মানুষের পাশে থাকতে পারি—এটাই আমার চাওয়া। এলাকাবাসী চাইলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিবেচনা করে দেখব।’

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ৯ নং ধারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সব মানুষের পাশে আজীবন থাকতে চাই। গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আল্লাহ যেন আমাকে সেই তৌফিক দান করেন।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিষয়টি রফিকুল ইসলাম এখনো চূড়ান্তভাবে ঘোষণা না করলেও তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডকে তাঁরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

 তাই স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন বলেন আমাদের  প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সরকারি ও জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন  এজন্য আমরা এলাকাবাসী চাই রফিকুল ইসলামকে আমাদের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার বানাতে এ বিষয়ে আমাদের ওয়ার্ডের সকল মানুষই একমত।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ