মাদকের বিষাক্ত ছোবলে কোল খালি হচ্ছে মা-বাবার: কটিয়াদীতে সন্তান বিক্রির মর্মান্তিক খবর
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:- দারিদ্র্যের কষাঘাত ও মাদকের কড়াল গ্রাসে ধ্বংসের মুখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রাম। নেশার টাকা জোগাড় করতে চার পরিবারের পক্ষ থেকে তাদেরই পাঁচটি শিশু সন্তানকে হাতবদল করার মতো হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে। থানা থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে ঘটে চলা এই অমানবিক ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাকির-ফারজানা দম্পতি নবজাতককে ৬০ হাজার টাকায়, সাদ্দাম হোসেন দুই স্ত্রীর গর্ভের দুই সন্তানকে ১ লাখ ৫০ হাজার ও ২০ হাজার টাকায়, জাকির নামের এক ব্যক্তি ৭৭ হাজার এবং আসাদ মিয়া তার সন্তানকে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তুলে দিয়েছেন অন্যের হাতে। ক্রেতারা পরবর্তীতে শিশুদের আরও বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়ায় তাদের নিরাপত্তা এখন চরম হুমকিতে।
মাদকের এমন সর্বগ্রাসী থাবায় গ্রামের পুরো সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। চরম সামাজিক মর্যাদাহানির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও। মাদকসেবীদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ৫ বছরের শিশুকেও মাদক সেবনে বাধ্য করার মতো ভয়াবহ তথ্য মিলেছে।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মাদক নির্মূলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদকের বিষাক্ত ছোবলে কোল খালি হচ্ছে মা-বাবার: কটিয়াদীতে সন্তান বিক্রির মর্মান্তিক খবর
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:- দারিদ্র্যের কষাঘাত ও মাদকের কড়াল গ্রাসে ধ্বংসের মুখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রাম। নেশার টাকা জোগাড় করতে চার পরিবারের পক্ষ থেকে তাদেরই পাঁচটি শিশু সন্তানকে হাতবদল করার মতো হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে। থানা থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে ঘটে চলা এই অমানবিক ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাকির-ফারজানা দম্পতি নবজাতককে ৬০ হাজার টাকায়, সাদ্দাম হোসেন দুই স্ত্রীর গর্ভের দুই সন্তানকে ১ লাখ ৫০ হাজার ও ২০ হাজার টাকায়, জাকির নামের এক ব্যক্তি ৭৭ হাজার এবং আসাদ মিয়া তার সন্তানকে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তুলে দিয়েছেন অন্যের হাতে। ক্রেতারা পরবর্তীতে শিশুদের আরও বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়ায় তাদের নিরাপত্তা এখন চরম হুমকিতে।
মাদকের এমন সর্বগ্রাসী থাবায় গ্রামের পুরো সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। চরম সামাজিক মর্যাদাহানির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও। মাদকসেবীদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ৫ বছরের শিশুকেও মাদক সেবনে বাধ্য করার মতো ভয়াবহ তথ্য মিলেছে।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মাদক নির্মূলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন