ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষমতা নয়-মানবসেবা

ক্ষমতা নয়-মানবসেবা" এই আদর্শ নিয়ে সিংহের বাংলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী শামীম তালুকদার

নেত্রকোণার বারহাট্টায় ৪ নং আসমা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রাসেল আহমেদ রুমি

নেত্রকোণার বারহাট্টায় ৪ নং আসমা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রাসেল আহমেদ রুমি

কলমাকান্দায় ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার

কলমাকান্দায় ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার

পীরগাছায় বসতবাড়ি ভাঙচুর ও বাঁশঝাড় সাবাড়ের অভিযোগ

পীরগাছায় বসতবাড়ি ভাঙচুর ও বাঁশঝাড় সাবাড়ের অভিযোগ

ইশিবপুর ইউনিয়ন সাবেক ৩নং ওয়াট প্রবাসী ও যুব সমাজের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

ইশিবপুর ইউনিয়ন সাবেক ৩নং ওয়াট প্রবাসী ও যুব সমাজের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৫

বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৫

ময়নামতিতে দিন দিন বেড়েই চলছে অপরাধ; এবার ডাকাতের কবলে প্রবাসী, টাকা-মোবাইল ছিনতাই

ময়নামতিতে দিন দিন বেড়েই চলছে অপরাধ; এবার ডাকাতের কবলে প্রবাসী, টাকা-মোবাইল ছিনতাই

কচুয়াবাসীর জন্য সুখবর: কচুয়াতেই এখন বিদেশি ফর্মুলার কেমিক্যাল মুক্ত হোমমেড কেক!

কচুয়াবাসীর জন্য সুখবর: কচুয়াতেই এখন বিদেশি ফর্মুলার কেমিক্যাল মুক্ত হোমমেড কেক!

নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৭নং নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার(১২ সেপ্টেম্বর)  তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়,শনিবার নবীনগর বাজার এলাকা থেকে সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর নবীনগর থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর নবীনগর-রাধিকা সড়কের কনিকারা সেতুর পূর্ব পাশে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা একত্র হয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ খবর পায়। পরে পুলিশ সেখানে গেলে কয়েকজন পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পালানোর চেষ্টা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে মো. রাজিব (৩২) ও মো. জামাল হোসেন (৪২) নামের দুজনকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২২টি ইটের টুকরা ও ১৫টি বাঁশের লাঠি জব্দ করা হয়। পরে তদন্তে সোহেল মিয়ার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ দাবি করেছে।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর নবীনগর থানায় মামলা হয়। মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৬, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক খন্দকার মো. আজাদুল ইসলাম আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, সোহেল মিয়া এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি আত্মগোপন করতে বা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন এবং তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়।

সোহেল মিয়া নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের মো. মোখলেছুর রহমান ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৭নং নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার(১২ সেপ্টেম্বর)  তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়,শনিবার নবীনগর বাজার এলাকা থেকে সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর নবীনগর থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর নবীনগর-রাধিকা সড়কের কনিকারা সেতুর পূর্ব পাশে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা একত্র হয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ খবর পায়। পরে পুলিশ সেখানে গেলে কয়েকজন পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পালানোর চেষ্টা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে মো. রাজিব (৩২) ও মো. জামাল হোসেন (৪২) নামের দুজনকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২২টি ইটের টুকরা ও ১৫টি বাঁশের লাঠি জব্দ করা হয়। পরে তদন্তে সোহেল মিয়ার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশ দাবি করেছে।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর নবীনগর থানায় মামলা হয়। মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৬, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক খন্দকার মো. আজাদুল ইসলাম আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, সোহেল মিয়া এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি আত্মগোপন করতে বা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন এবং তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়।

সোহেল মিয়া নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের মো. মোখলেছুর রহমান ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ