হরিরামপুরে ইছামতীর বুকে নৌকা বাইচে উৎসবের আমেজ।
মোহাম্মদ আলী,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি । ঢাক-ঢোলের তালে মাঝিদের বৈঠার ছন্দ, নদীর দুই পাড়ে হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসের মধ্যে দিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতী নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার ঝিটকা মনোপীর মাজারসংলগ্ন ইছামতী নদীতে মনোপীর দরবারের উদ্যোগে আয়োজিত এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী হাজারো মানুষ। মাঝিদের বৈঠার ছন্দ, ঢাক-ঢোলের শব্দ আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।
বর্ণাঢ্য এ নৌকা বাইচে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রতিযোগী দলগুলো সুসজ্জিত নৌকা নিয়ে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শুরু হতেই নদীর বুকে দ্রুতগতিতে ছুটে চলে একের পর এক নৌকা। নৌকার গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসেও যোগ হয় নতুন মাত্রা।
নৌকা বাইচের আয়োজন পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিজা বিসরাত হোসেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নদীর বুকে ঐতিহ্যের ছন্দ বর্ষার পানিতে নদী-নালা যখন পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন গ্রামবাংলার বিভিন্ন এলাকায় আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। সেই ধারাবাহিকতায় ইছামতী নদীতেও আয়োজন করা হয় এ প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতার।
নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের চোখ তখন শুধু নদীর বুকে ছুটে চলা নৌকার দিকে। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে এসে উপভোগ করেন এ আয়োজন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বয়স্কদের মধ্যেও দেখা যায় উৎসবের আমেজ।
লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রাখার আয়োজন নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মিশে থাকা এ আয়োজন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিনোদন, সম্প্রীতি ও মিলনমেলার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।
ইছামতী নদীতে আয়োজিত এবারের নৌকা বাইচও স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছেও গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হরিরামপুরে ইছামতীর বুকে নৌকা বাইচে উৎসবের আমেজ।
মোহাম্মদ আলী,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি । ঢাক-ঢোলের তালে মাঝিদের বৈঠার ছন্দ, নদীর দুই পাড়ে হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসের মধ্যে দিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতী নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার ঝিটকা মনোপীর মাজারসংলগ্ন ইছামতী নদীতে মনোপীর দরবারের উদ্যোগে আয়োজিত এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী হাজারো মানুষ। মাঝিদের বৈঠার ছন্দ, ঢাক-ঢোলের শব্দ আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।
বর্ণাঢ্য এ নৌকা বাইচে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রতিযোগী দলগুলো সুসজ্জিত নৌকা নিয়ে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শুরু হতেই নদীর বুকে দ্রুতগতিতে ছুটে চলে একের পর এক নৌকা। নৌকার গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসেও যোগ হয় নতুন মাত্রা।
নৌকা বাইচের আয়োজন পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিজা বিসরাত হোসেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নদীর বুকে ঐতিহ্যের ছন্দ বর্ষার পানিতে নদী-নালা যখন পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন গ্রামবাংলার বিভিন্ন এলাকায় আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। সেই ধারাবাহিকতায় ইছামতী নদীতেও আয়োজন করা হয় এ প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতার।
নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের চোখ তখন শুধু নদীর বুকে ছুটে চলা নৌকার দিকে। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে এসে উপভোগ করেন এ আয়োজন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বয়স্কদের মধ্যেও দেখা যায় উৎসবের আমেজ।
লোকজ সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রাখার আয়োজন নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মিশে থাকা এ আয়োজন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিনোদন, সম্প্রীতি ও মিলনমেলার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।
ইছামতী নদীতে আয়োজিত এবারের নৌকা বাইচও স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছেও গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন