লালপুরে তরুণীকে অপহরণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
সাধীন আলম হোসেন লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:- নাটোরের লালপুরে এক তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিও ধারণ এবং ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে লালপুর থানার উত্তর লালপুর ও জোতদৈবকী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন উত্তর লালপুরের আশিক জামান (২০), কাজল ইসলাম (১৯) এবং জোতদৈবকী গ্রামের শাকিল ইসলাম বাদল (২৩)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর দুপুরে ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণী আশিকের সঙ্গে দেখা করতে লালপুরের গোপালপুর রেলগেটের দক্ষিণ পাশে সিএনজি স্ট্যান্ডে যান। পরে আশিক ও কাজল তাকে ইজিবাইকে করে একটি পার্কে নিয়ে যান। সেখান থেকে বিকেলে জোতদৈবকী গ্রামের শাকিলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে আশিক তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শাকিল গোপনে মোবাইল ফোনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং পরবর্তীতে ভিডিও দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ধর্ষণ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কাজলও ভয়ভীতি ও মারধরের মাধ্যমে তরুণীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একই দিন বিকেলে মেহেদী নামে আরও একজন নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তরুণীর কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন আশিক ফোন করে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে তাদের পরামর্শে লালপুর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনায় লালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গ্রেপ্তার কাজল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের একটি চুরি, চোরাই মাল গ্রহণ ও ভাঙচুরের মামলা এবং শাকিল ইসলাম বাদলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের একটি মারামারি ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
লালপুরে তরুণীকে অপহরণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
সাধীন আলম হোসেন লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:- নাটোরের লালপুরে এক তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিও ধারণ এবং ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে লালপুর থানার উত্তর লালপুর ও জোতদৈবকী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন উত্তর লালপুরের আশিক জামান (২০), কাজল ইসলাম (১৯) এবং জোতদৈবকী গ্রামের শাকিল ইসলাম বাদল (২৩)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর দুপুরে ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণী আশিকের সঙ্গে দেখা করতে লালপুরের গোপালপুর রেলগেটের দক্ষিণ পাশে সিএনজি স্ট্যান্ডে যান। পরে আশিক ও কাজল তাকে ইজিবাইকে করে একটি পার্কে নিয়ে যান। সেখান থেকে বিকেলে জোতদৈবকী গ্রামের শাকিলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে আশিক তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শাকিল গোপনে মোবাইল ফোনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং পরবর্তীতে ভিডিও দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ধর্ষণ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কাজলও ভয়ভীতি ও মারধরের মাধ্যমে তরুণীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একই দিন বিকেলে মেহেদী নামে আরও একজন নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তরুণীর কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন আশিক ফোন করে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে তাদের পরামর্শে লালপুর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনায় লালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গ্রেপ্তার কাজল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের একটি চুরি, চোরাই মাল গ্রহণ ও ভাঙচুরের মামলা এবং শাকিল ইসলাম বাদলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের একটি মারামারি ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন