ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

তীব্র ধিক্কার ও ন্যাক্কারজনক অপকর্মের প্রতিবাদ

তীব্র ধিক্কার ও ন্যাক্কারজনক অপকর্মের প্রতিবাদ

​আমি ইদ্রিস মিয়া, কোষাধ্যক্ষ, ১ নং বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি, লালমাই উপজেলা।

​১৯৮৮ সাল থেকে ২০০১ এবং পরবর্তী সময়েও আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পতাকাতলে থেকে রাজপথে সক্রিয় রয়েছি। আমাদের নেতা, কুমিল্লার মাটি ও মানুষের জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই তৎকালীন কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকাকে নিজের পরিবারের মতো করে আগলে রেখেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই অঞ্চলে সদর দক্ষিণ উপজেলার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন কুমিল্লা-৯ আসনে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন, বিগত এক-দেড় দশকেও তার তিন ভাগের এক ভাগ উন্নয়নও এই অঞ্চলে হয়নি পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ষড়যন্ত্র করে লালমাই উপজেলা সৃষ্টি করে ইতিহাস ও রাজনৈতিক পরিকাঠামো বিকৃত করার চেষ্টা করেছিল। আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি ও সিদ্ধান্ত—বাগমারা উত্তর, বাগমারা দক্ষিণ তথা পুরো লালমাই উপজেলাকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও সদর দক্ষিণের আওতাভুক্ত করে ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে হবে।

​যে নেতা (মনিরুল হক চৌধুরী) এই অঞ্চলের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁকে নিয়ে আজ ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমাদের প্রাণের ঠিকানা লালমাই উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের ছবিসংবলিত ব্যানার ও পোস্টারে আগুন দেওয়ার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই—যেকোনো উপায়েই হোক, যারা শহীদ জিয়ার ছবি পোড়ায়, দেশনেত্রী ও দেশনায়কের ছবিতে আগুন দেয় এবং কার্যালয় ভাঙচুর করে, তারা কোনো অবস্থাতেই বিএনপির কোনো কর্মী বা সমর্থক হতে পারে না।

​এরা বিএনপির ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা সুবিধাবাদী ও আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী অপশক্তি! আমাদের ঐক্য নষ্ট করতে এবং জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাইয়ের ত্যাগ ও জনপ্রিয়তাকে আঘাত করতেই এই চক্রান্ত করা হয়েছে।

​আমাদের জোরালো দাবি:

১. লালমাই উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও মহান নেতাদের ছবিতে আগুন দেওয়া ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে হবে 

২. জড়িতদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. দল ও বীর শহীদদের আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারী অনুপ্রবেশকারীদের বিএনপি থেকে চিরতরে প্রতিহত করতে হবে।

৪. ঐতিহাসিক প্রশাসনিক সুবিধার স্বার্থে বাগমারা উত্তর, বাগমারা দক্ষিণসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাকে কুমিল্লা সিটির (সদর দক্ষিণ) আওতাভুক্ত করতে হবে।

​তৃণমূলের কোনো সত্যিকারের সৈনিক নিজ কার্যালয়ে হামলা চালাতে পারে না। কুমিল্লার মাটিতে ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো ঠাঁই নেই।

​বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!

জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি জিন্দাবাদ!

জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই জিন্দাবাদ!

​— ইদ্রিস মিয়া

কোষাধ্যক্ষ, ১ নং বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি

লালমাই উপজেলা, কুমিল্লা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


তীব্র ধিক্কার ও ন্যাক্কারজনক অপকর্মের প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

​আমি ইদ্রিস মিয়া, কোষাধ্যক্ষ, ১ নং বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি, লালমাই উপজেলা।

​১৯৮৮ সাল থেকে ২০০১ এবং পরবর্তী সময়েও আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পতাকাতলে থেকে রাজপথে সক্রিয় রয়েছি। আমাদের নেতা, কুমিল্লার মাটি ও মানুষের জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই তৎকালীন কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকাকে নিজের পরিবারের মতো করে আগলে রেখেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই অঞ্চলে সদর দক্ষিণ উপজেলার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন কুমিল্লা-৯ আসনে জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন, বিগত এক-দেড় দশকেও তার তিন ভাগের এক ভাগ উন্নয়নও এই অঞ্চলে হয়নি পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ষড়যন্ত্র করে লালমাই উপজেলা সৃষ্টি করে ইতিহাস ও রাজনৈতিক পরিকাঠামো বিকৃত করার চেষ্টা করেছিল। আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি ও সিদ্ধান্ত—বাগমারা উত্তর, বাগমারা দক্ষিণ তথা পুরো লালমাই উপজেলাকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও সদর দক্ষিণের আওতাভুক্ত করে ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে হবে।

​যে নেতা (মনিরুল হক চৌধুরী) এই অঞ্চলের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁকে নিয়ে আজ ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমাদের প্রাণের ঠিকানা লালমাই উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের ছবিসংবলিত ব্যানার ও পোস্টারে আগুন দেওয়ার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই—যেকোনো উপায়েই হোক, যারা শহীদ জিয়ার ছবি পোড়ায়, দেশনেত্রী ও দেশনায়কের ছবিতে আগুন দেয় এবং কার্যালয় ভাঙচুর করে, তারা কোনো অবস্থাতেই বিএনপির কোনো কর্মী বা সমর্থক হতে পারে না।

​এরা বিএনপির ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা সুবিধাবাদী ও আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী অপশক্তি! আমাদের ঐক্য নষ্ট করতে এবং জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাইয়ের ত্যাগ ও জনপ্রিয়তাকে আঘাত করতেই এই চক্রান্ত করা হয়েছে।

​আমাদের জোরালো দাবি:

১. লালমাই উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও মহান নেতাদের ছবিতে আগুন দেওয়া ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে হবে 

২. জড়িতদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. দল ও বীর শহীদদের আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারী অনুপ্রবেশকারীদের বিএনপি থেকে চিরতরে প্রতিহত করতে হবে।

৪. ঐতিহাসিক প্রশাসনিক সুবিধার স্বার্থে বাগমারা উত্তর, বাগমারা দক্ষিণসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাকে কুমিল্লা সিটির (সদর দক্ষিণ) আওতাভুক্ত করতে হবে।

​তৃণমূলের কোনো সত্যিকারের সৈনিক নিজ কার্যালয়ে হামলা চালাতে পারে না। কুমিল্লার মাটিতে ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো ঠাঁই নেই।

​বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!

জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি জিন্দাবাদ!

জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী ভাই জিন্দাবাদ!

​— ইদ্রিস মিয়া

কোষাধ্যক্ষ, ১ নং বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি

লালমাই উপজেলা, কুমিল্লা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ