পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
হাবিবুর রহমান হাবিব পীরগাছা(রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় জমি-সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরিতে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মনু মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নয়া মিয়া পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন নয়া মিয়া। তিনি পীরগাছা উপজেলার পূর্বদেবু এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনে নয়া মিয়া দাবি করেন, পূর্বদেবু মৌজায় কবলা দলিলমূলে কেনা জমি তিনি প্রায় ১৩-১৪ বছর ধরে ভোগদখল করে চাষাবাদ করছেন। জমি নিয়ে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এম.আর. ৯১৫/২৬ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে জমির বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসকে বলা হয়।
নয়া মিয়ার অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়। তবে সরেজমিন তদন্তের সময় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি, জমিতে ধান রোপণকারী কৃষিশ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
বরং মনগড়াভাবে প্রতিবেদন তৈরি করে তাঁর ক্রয় করা জমির বিপক্ষে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পরিচয়ে মো. আসাদুল ইসলাম প্রতিবেদনের জন্য তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁর বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন নয়া মিয়া।
এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও পুনঃতদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় উপজেলার পূর্বদেবু মৌজার জেএলনং- ১১১, আরএস -৭৬২,দাগ-১৬১৯ ও ১৬৯৯ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত। নয়া মিয়ার দাবি, উভয় দাগে তাঁর মোট ২০ একর জমি রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাম্বুলপুর ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মনু মিয়া জানান,‘আমি সঠিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন না।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
হাবিবুর রহমান হাবিব পীরগাছা(রংপুর) প্রতিনিধি:- রংপুরের পীরগাছায় জমি-সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরিতে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মনু মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নয়া মিয়া পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন নয়া মিয়া। তিনি পীরগাছা উপজেলার পূর্বদেবু এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনে নয়া মিয়া দাবি করেন, পূর্বদেবু মৌজায় কবলা দলিলমূলে কেনা জমি তিনি প্রায় ১৩-১৪ বছর ধরে ভোগদখল করে চাষাবাদ করছেন। জমি নিয়ে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এম.আর. ৯১৫/২৬ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে জমির বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসকে বলা হয়।
নয়া মিয়ার অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়। তবে সরেজমিন তদন্তের সময় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি, জমিতে ধান রোপণকারী কৃষিশ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
বরং মনগড়াভাবে প্রতিবেদন তৈরি করে তাঁর ক্রয় করা জমির বিপক্ষে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পরিচয়ে মো. আসাদুল ইসলাম প্রতিবেদনের জন্য তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁর বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন নয়া মিয়া।
এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও পুনঃতদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় উপজেলার পূর্বদেবু মৌজার জেএলনং- ১১১, আরএস -৭৬২,দাগ-১৬১৯ ও ১৬৯৯ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত। নয়া মিয়ার দাবি, উভয় দাগে তাঁর মোট ২০ একর জমি রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাম্বুলপুর ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মনু মিয়া জানান,‘আমি সঠিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন না।

আপনার মতামত লিখুন