ওসমানীনগরে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সভায় মাঠকর্মীদের ক্ষোভ খাবার নিয়েও বৈষম্যের অভিযোগ
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি:- সিলেটের ওসমানীনগরে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উন্নয়ন সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সাফল্যে ভূমিকা রাখলেও যথাযথ মূল্যায়ন, সুযোগ-সুবিধা এবং খাবারের মানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার তাজপুরে প্রতিষ্ঠানটির সাংগঠনিক কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির সিলেট এরিয়া ম্যানেজার এ এস এম সাজ্জাদুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গোলায়াবাজার জুনের প্রধান আব্দুল মুমিন ও তাজপুরের সহকারী জোনপ্রধান সুমা বেগম।
শেরপুর সাংগঠনিক অফিসের এজিএম আলা মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মীরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আনহার মিয়া। পরে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গ্রাহক ও কর্মকর্তার মধ্যে পুরস্কার ও উপহার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনবীমার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বীমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে আস্থা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
তবে অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে দুপুরের খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে মাঠকর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সভায় অংশ নিলেও তাদের জন্য তুলনামূলক নিম্নমানের খাবার, ছানা পোলাও পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য গরুর মাংস, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন পদের খাবারের ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করেন তারা।
ক্ষুব্ধ কয়েকজন মাঠকর্মী বলেন, আমরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দিন-রাত পরিশ্রম করে বীমা সংগ্রহ করি। প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সম্প্রসারণে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। অথচ আমাদের শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে মাঠকর্মীদের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি কর্মীদের জন্য সম্মানজনক পরিবেশ, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা এবং অনুষ্ঠান আয়োজনে সবার প্রতি সমান গুরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিলেট এরিয়া ম্যানেজার এ এস এম সাজ্জাদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে মাঠকর্মীদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাঠকর্মীদের অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
ওসমানীনগরে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সভায় মাঠকর্মীদের ক্ষোভ খাবার নিয়েও বৈষম্যের অভিযোগ
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি:- সিলেটের ওসমানীনগরে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উন্নয়ন সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সাফল্যে ভূমিকা রাখলেও যথাযথ মূল্যায়ন, সুযোগ-সুবিধা এবং খাবারের মানের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার তাজপুরে প্রতিষ্ঠানটির সাংগঠনিক কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির সিলেট এরিয়া ম্যানেজার এ এস এম সাজ্জাদুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গোলায়াবাজার জুনের প্রধান আব্দুল মুমিন ও তাজপুরের সহকারী জোনপ্রধান সুমা বেগম।
শেরপুর সাংগঠনিক অফিসের এজিএম আলা মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মীরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আনহার মিয়া। পরে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গ্রাহক ও কর্মকর্তার মধ্যে পুরস্কার ও উপহার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনবীমার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বীমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে আস্থা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
তবে অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে দুপুরের খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে মাঠকর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সভায় অংশ নিলেও তাদের জন্য তুলনামূলক নিম্নমানের খাবার, ছানা পোলাও পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য গরুর মাংস, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন পদের খাবারের ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করেন তারা।
ক্ষুব্ধ কয়েকজন মাঠকর্মী বলেন, আমরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দিন-রাত পরিশ্রম করে বীমা সংগ্রহ করি। প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সম্প্রসারণে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। অথচ আমাদের শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে মাঠকর্মীদের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি কর্মীদের জন্য সম্মানজনক পরিবেশ, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা এবং অনুষ্ঠান আয়োজনে সবার প্রতি সমান গুরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিলেট এরিয়া ম্যানেজার এ এস এম সাজ্জাদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে মাঠকর্মীদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাঠকর্মীদের অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন