সরিষাবাড়ীতে বসত-বাড়িতে হামলা-লুটপাট, দুই নারীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:- জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি জমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে বসত বাড়িতে পূর্বপরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ও কুপিয়ে এবং লাঠিশোঠা দিয়ে পিটিয়ে দুই নারীকে কে আহতের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের পারপাড়া গোপিনাথপুর গ্রামে সাজেদা বেগমের বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের পারপাড়া গোপিনাথপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন ফকির এর সাথে একই বংশের বাদশা মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ফকির, সুমন ও জামাল উদ্দিন ফকির সহ আরোও কিছু লোকজন প্রতিপক্ষের দেয়া মামলায় পুরুষ শুন্য বাড়ীতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিশোঠা নিয়ে বুধবার সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে সাজেদা বেগমের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় পুত্রবধূ শাহানা বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকে রামদা- দা দিয়ে কুপিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হামলাকারীরা শাহানার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। পাশাপাশি সেলাই মেশিন, হালচাষের ট্রাক্টর ও ঘরের মালামালসহ প্রায় ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত শাহানা বেগমকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয় ও তার পরিবারের স্বজনরা উদ্ধার করে প্রথমে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি দেখা দেয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাজেদা বেগম (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের এবং বংশের নুর মোহাম্মদ ফকির কে প্রধান বিবাদী করা করে এবং সুমন ফকির, জামাল উদ্দিন ফকিরের নাম উল্লেখ করে আরোও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা করে তাদের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ফকির মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেন। এবং একে ‘সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছেন তিনি।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সরিষাবাড়ীতে বসত-বাড়িতে হামলা-লুটপাট, দুই নারীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:- জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি জমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে বসত বাড়িতে পূর্বপরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ও কুপিয়ে এবং লাঠিশোঠা দিয়ে পিটিয়ে দুই নারীকে কে আহতের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের পারপাড়া গোপিনাথপুর গ্রামে সাজেদা বেগমের বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের পারপাড়া গোপিনাথপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন ফকির এর সাথে একই বংশের বাদশা মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ফকির, সুমন ও জামাল উদ্দিন ফকির সহ আরোও কিছু লোকজন প্রতিপক্ষের দেয়া মামলায় পুরুষ শুন্য বাড়ীতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিশোঠা নিয়ে বুধবার সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে সাজেদা বেগমের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় পুত্রবধূ শাহানা বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকে রামদা- দা দিয়ে কুপিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হামলাকারীরা শাহানার গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। পাশাপাশি সেলাই মেশিন, হালচাষের ট্রাক্টর ও ঘরের মালামালসহ প্রায় ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত শাহানা বেগমকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয় ও তার পরিবারের স্বজনরা উদ্ধার করে প্রথমে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি দেখা দেয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাজেদা বেগম (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের এবং বংশের নুর মোহাম্মদ ফকির কে প্রধান বিবাদী করা করে এবং সুমন ফকির, জামাল উদ্দিন ফকিরের নাম উল্লেখ করে আরোও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা করে তাদের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ফকির মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেন। এবং একে ‘সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছেন তিনি।
জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন