ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে  এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের আয়োজনে  মানবপাচারও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ কর্মশালা অনুষ্ঠিত।।

কক্সবাজারের উখিয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের আয়োজনে মানবপাচারও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ কর্মশালা অনুষ্ঠিত।।

তারাকান্দায় টিসিবির ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাদ পড়েছেন যোগ্য আবেদনকারীরা

তারাকান্দায় টিসিবির ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাদ পড়েছেন যোগ্য আবেদনকারীরা

যেখানে শেষ হয়েছিল আশার আলো, সেখানেই মানবিকতার হাত বাড়ালেন প্লাবন

যেখানে শেষ হয়েছিল আশার আলো, সেখানেই মানবিকতার হাত বাড়ালেন প্লাবন

তেঁতুলিয়ায় জমি অবৈধ  জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে  ভুক্তভোগী পরিবারের  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তেঁতুলিয়ায় জমি অবৈধ জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সাঘাটায় মাদকাসক্ত দুই ছেলের অপকর্মে অতিষ্ঠ মা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

সাঘাটায় মাদকাসক্ত দুই ছেলের অপকর্মে অতিষ্ঠ মা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

টিউশনি ও হোটেলে কাজ করে জিপিএ ৫ পেলো কুড়িগ্রামের কৌশিক

টিউশনি ও হোটেলে কাজ করে জিপিএ ৫ পেলো কুড়িগ্রামের কৌশিক

বুড়িচংয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ

বুড়িচংয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ

বীরগঞ্জে ঈদগাহ ও খেলার মাঠের বেহাল দশা পরিদর্শনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাসেল ইসলাম, সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস

বীরগঞ্জে ঈদগাহ ও খেলার মাঠের বেহাল দশা পরিদর্শনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাসেল ইসলাম, সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস

যেখানে শেষ হয়েছিল আশার আলো, সেখানেই মানবিকতার হাত বাড়ালেন প্লাবন

যেখানে শেষ হয়েছিল আশার আলো, সেখানেই মানবিকতার হাত বাড়ালেন প্লাবন

ঝিনাইদহে তিন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে অসহায় এক মায়ের জীবনসংগ্রাম। অভাব-অনটনে কখনো একবেলা খাবার জোটে, আবার কখনো কাটে অনাহারে। এমন একটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনর আর রশীদ প্লাবন।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১ নম্বর সাধুহাটি ইউনিয়নের ধর্মতলা গ্রামের এই অসহায় পরিবারের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন হারুনর আর রশীদ প্লাবন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. মিলন মিয়া। শুধু খোঁজখবর নেওয়াই নয়, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে একবেলা খাবারও খেয়েছিলেন তাঁরা। সেখানেই জানতে পারেন, বৃদ্ধা মায়ের তিন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে প্রতিনিয়ত কতটা কষ্টে দিন কাটে তাঁদের।

পরিবারটির দুর্দশার কথা শুনে সেদিন নগদ অর্থ সহায়তা করেন প্লাবন। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতি দেন, প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন এক বস্তা চাল।

প্রতিশ্রুতি দিয়েই থেমে থাকেননি তিনি। নিজের দেওয়া কথা রাখতে এবার নিজ কাঁধে করে চালের বস্তা নিয়ে পৌঁছে গেলেন সেই অসহায় পরিবারের দুয়ারে। তাঁর এই উদ্যোগে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে অসহায় পরিবারটির মুখে।

প্লাবনের এমন মানবিক উদ্যোগে আবেগাপ্লুত হয়ে বৃদ্ধা মা বলেন, ‘আল্লাহ আমার বড় ছেলে হারুনকে আরও ভালো কাজ এবং মানুষের সেবা করার তৌফিক দাও।’

এ বিষয়ে হারুনর আর রশীদ প্লাবন বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর পারিবারিক শিক্ষা। তিনি রাজনীতি করেন মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।

এক বস্তা চাল হয়তো একটি পরিবারের সব অভাব ঘুচিয়ে দিতে পারে না, কিন্তু অনিশ্চয়তার জীবনে বেঁচে থাকার নতুন সাহস জোগাতে পারে। আর সেই সাহসটুকুই যেন অসহায় এই মায়ের হাতে তুলে দিলেন প্লাবন।

মানবিকতা শুধু মুখের কথায় নয়, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই তার প্রকৃত পরিচয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


যেখানে শেষ হয়েছিল আশার আলো, সেখানেই মানবিকতার হাত বাড়ালেন প্লাবন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহে তিন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে অসহায় এক মায়ের জীবনসংগ্রাম। অভাব-অনটনে কখনো একবেলা খাবার জোটে, আবার কখনো কাটে অনাহারে। এমন একটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনর আর রশীদ প্লাবন।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১ নম্বর সাধুহাটি ইউনিয়নের ধর্মতলা গ্রামের এই অসহায় পরিবারের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন হারুনর আর রশীদ প্লাবন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. মিলন মিয়া। শুধু খোঁজখবর নেওয়াই নয়, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে একবেলা খাবারও খেয়েছিলেন তাঁরা। সেখানেই জানতে পারেন, বৃদ্ধা মায়ের তিন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে প্রতিনিয়ত কতটা কষ্টে দিন কাটে তাঁদের।

পরিবারটির দুর্দশার কথা শুনে সেদিন নগদ অর্থ সহায়তা করেন প্লাবন। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতি দেন, প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন এক বস্তা চাল।

প্রতিশ্রুতি দিয়েই থেমে থাকেননি তিনি। নিজের দেওয়া কথা রাখতে এবার নিজ কাঁধে করে চালের বস্তা নিয়ে পৌঁছে গেলেন সেই অসহায় পরিবারের দুয়ারে। তাঁর এই উদ্যোগে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে অসহায় পরিবারটির মুখে।

প্লাবনের এমন মানবিক উদ্যোগে আবেগাপ্লুত হয়ে বৃদ্ধা মা বলেন, ‘আল্লাহ আমার বড় ছেলে হারুনকে আরও ভালো কাজ এবং মানুষের সেবা করার তৌফিক দাও।’

এ বিষয়ে হারুনর আর রশীদ প্লাবন বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর পারিবারিক শিক্ষা। তিনি রাজনীতি করেন মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।

এক বস্তা চাল হয়তো একটি পরিবারের সব অভাব ঘুচিয়ে দিতে পারে না, কিন্তু অনিশ্চয়তার জীবনে বেঁচে থাকার নতুন সাহস জোগাতে পারে। আর সেই সাহসটুকুই যেন অসহায় এই মায়ের হাতে তুলে দিলেন প্লাবন।

মানবিকতা শুধু মুখের কথায় নয়, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই তার প্রকৃত পরিচয়।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ