শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুললেও ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নেননি বাচ্চু মিয়া। ভ্যান চালিয়েই ছয় সদস্যের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। কিন্তু গত ২০ অক্টোবর দুর্বৃত্তরা তাঁর ভ্যানের চারটি ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের একমাত্র পথ। চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে পরিবারটি। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েও সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন বাচ্চু মিয়া। অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর দুর্দশার খবর ছড়িয়ে পড়লে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বিএনপি নেতা পলাশ মিয়া ফারুক।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি ও সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুকের উদ্যোগে বাচ্চু মিয়াকে ভ্যানের চারটি নতুন ব্যাটারি এবং পরিবারের জন্য চালসহ খাদ্যসামগ্রী তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে আবারও ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। স্বস্তি ফিরেছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মুখে।
শারীরিক প্রতিবন্ধী বাচ্চু মিয়া উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বগারপাড় গ্রামের শামসুল হকের ছেলে। বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তাঁর ছয় সদস্যের পরিবার। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে নিজের শ্রমে উপার্জন করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটারি চুরির পর থেকে কর্মহীন হয়ে পড়ায় পরিবারের খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে ওঠে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসার পর পলাশ মিয়া ফারুক শারীরিক প্রতিবন্ধী বাচ্চু মিয়ার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের দিকনির্দেশনায় এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বুধবার আনোয়ার হোসেন নিজে পলাশ মিয়া ফারুকের পক্ষে বাচ্চু মিয়ার নিজ বাড়িতে তার হাতে ব্যাটারি ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
এ সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত বাচ্চু মিয়া সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর জন্য দোয়া করে বলেন, ভবিষ্যতেও যেন তিনি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এ নিয়ে বাচ্চু মিয়ার ঘটনা একদিকে যেমন মানবিক সহায়তার দৃষ্টান্ত, অন্যদিকে তেমনি অসহায় মানুষের বিপদে প্রশাসনিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামনে এনেছে। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও সাড়া না পাওয়ার যে অভিযোগ তিনি করেছেন। অসহায় মানুষের আবেদন যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মানবিক সহায়তা শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীল না থেকে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ হওয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুললেও ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নেননি বাচ্চু মিয়া। ভ্যান চালিয়েই ছয় সদস্যের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। কিন্তু গত ২০ অক্টোবর দুর্বৃত্তরা তাঁর ভ্যানের চারটি ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের একমাত্র পথ। চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে পরিবারটি। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েও সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন বাচ্চু মিয়া। অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর দুর্দশার খবর ছড়িয়ে পড়লে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বিএনপি নেতা পলাশ মিয়া ফারুক।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি ও সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুকের উদ্যোগে বাচ্চু মিয়াকে ভ্যানের চারটি নতুন ব্যাটারি এবং পরিবারের জন্য চালসহ খাদ্যসামগ্রী তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে আবারও ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। স্বস্তি ফিরেছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মুখে।
শারীরিক প্রতিবন্ধী বাচ্চু মিয়া উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের বগারপাড় গ্রামের শামসুল হকের ছেলে। বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তাঁর ছয় সদস্যের পরিবার। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে নিজের শ্রমে উপার্জন করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটারি চুরির পর থেকে কর্মহীন হয়ে পড়ায় পরিবারের খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে ওঠে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসার পর পলাশ মিয়া ফারুক শারীরিক প্রতিবন্ধী বাচ্চু মিয়ার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের দিকনির্দেশনায় এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বুধবার আনোয়ার হোসেন নিজে পলাশ মিয়া ফারুকের পক্ষে বাচ্চু মিয়ার নিজ বাড়িতে তার হাতে ব্যাটারি ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
এ সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত বাচ্চু মিয়া সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ মিয়া ফারুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর জন্য দোয়া করে বলেন, ভবিষ্যতেও যেন তিনি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এ নিয়ে বাচ্চু মিয়ার ঘটনা একদিকে যেমন মানবিক সহায়তার দৃষ্টান্ত, অন্যদিকে তেমনি অসহায় মানুষের বিপদে প্রশাসনিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামনে এনেছে। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও সাড়া না পাওয়ার যে অভিযোগ তিনি করেছেন। অসহায় মানুষের আবেদন যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মানবিক সহায়তা শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীল না থেকে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন