নেত্রকোণার মদনে মগড়া নদী থেকে আব্দুল লতিফ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর তিয়শ্রী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালালী গ্রামের বালালী বাজারসংলগ্ন মগড়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল লতিফ দক্ষিণ বালালী গ্রামের মৃত লাবু হাজীর ছেলে। নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে মদন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি আব্দুল লতিফের বলে শনাক্ত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল লতিফ নিজ বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার দুপুরে মগড়া নদীতে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।
পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মরদেহের কপালের ডান পাশে ছিদ্রযুক্ত জখমের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মদন থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার মদনে মগড়া নদী থেকে আব্দুল লতিফ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর তিয়শ্রী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালালী গ্রামের বালালী বাজারসংলগ্ন মগড়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল লতিফ দক্ষিণ বালালী গ্রামের মৃত লাবু হাজীর ছেলে। নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে মদন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি আব্দুল লতিফের বলে শনাক্ত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল লতিফ নিজ বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার দুপুরে মগড়া নদীতে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।
পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মরদেহের কপালের ডান পাশে ছিদ্রযুক্ত জখমের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মদন থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন