ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানো ও পরিচর্যার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানো ও পরিচর্যার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

তিন মাস পরপর কুসিক জনগণকে ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিব: কুসিক প্রশাসক

তিন মাস পরপর কুসিক জনগণকে ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিব: কুসিক প্রশাসক

তিন মাস পরপর কুসিক জনগণকে ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিব: কুসিক প্রশাসক

এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।।কুমিল্লা নগরবাসীর ট্যাক্সের টাকার ব্যবহার নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি তিন মাস পরপর আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। একইসঙ্গে কুমিল্লাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে বেশ কিছু বড় উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে কুসিকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের প্রশাসনিক কাঠামোয় দুর্নীতির প্রভাব ছিল, যার কারণে অনেক কর্মকর্তা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমান প্রশাসন সেই চক্র ভেঙে একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

নগর উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোমতী নদীর দুই তীরজুড়ে একটি দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণ করা হবে এবং এর মাঝখানে থাকবে আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতু। এছাড়া লিবার্টি চত্বরকে পূবালী চত্বরের আদলে সম্প্রসারণ করে সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ফোয়ারা স্থাপন করা হবে, যা নগরীর সৌন্দর্য বাড়াবে।

সভায় কুসিক প্রশাসন তাদের সাম্প্রতিক আর্থিক অবস্থার একটি বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে। রাজস্ব খাতে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট আয় হয়েছে ৪১ কোটি ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৬৪ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৬ টাকা। আগের স্থিতিসহ মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৬১ কোটি ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৪ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় শেষে বর্তমানে অবশিষ্ট রয়েছে ২৩ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৮ টাকা।

উন্নয়ন প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে দেখা যায়, সিআইডিপি (ডিপিপি) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ৯৭৭ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮০৫ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭৭ টাকা এবং অবশিষ্ট রয়েছে ৩০১ কোটি ১০ লাখ ৭৫ হাজার ১২৭ টাকা। এই অবশিষ্ট অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যয়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং এর মধ্য থেকে ১১টি প্রকল্পে প্রায় ৬৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এলজিএসপিআরআরপি (কোভিড-১৯) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ছিল ২৮ কোটি ৮২ লাখ ৪১ হাজার ২১০ টাকা, যার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৬ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৭৪ টাকা। ফলে এই প্রকল্পে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ২ কোটি ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৬ টাকা, যা থেকে বোঝা যায় এই খাতে বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ ইতোমধ্যেই ব্যয় করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইউডিসিজি প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ৭৩ কোটি ১১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৩৮ কোটি ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯১ টাকা এবং অবশিষ্ট রয়েছে ৩৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৭ হাজার ৯ টাকা। এই প্রকল্পেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এখনও ব্যয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মোট প্রাপ্তি হয়েছে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫১ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ৬৪ লাখ ১০ হাজার ১৪১ টাকা। ফলে বর্তমানে অবশিষ্ট রয়েছে ৪৬ কোটি ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ২১০ টাকা। এই অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ১০৯টি প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


তিন মাস পরপর কুসিক জনগণকে ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিব: কুসিক প্রশাসক

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

তিন মাস পরপর কুসিক জনগণকে ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিব: কুসিক প্রশাসক

এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।।কুমিল্লা নগরবাসীর ট্যাক্সের টাকার ব্যবহার নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি তিন মাস পরপর আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। একইসঙ্গে কুমিল্লাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে বেশ কিছু বড় উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে কুসিকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের প্রশাসনিক কাঠামোয় দুর্নীতির প্রভাব ছিল, যার কারণে অনেক কর্মকর্তা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমান প্রশাসন সেই চক্র ভেঙে একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

নগর উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোমতী নদীর দুই তীরজুড়ে একটি দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণ করা হবে এবং এর মাঝখানে থাকবে আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতু। এছাড়া লিবার্টি চত্বরকে পূবালী চত্বরের আদলে সম্প্রসারণ করে সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ফোয়ারা স্থাপন করা হবে, যা নগরীর সৌন্দর্য বাড়াবে।

সভায় কুসিক প্রশাসন তাদের সাম্প্রতিক আর্থিক অবস্থার একটি বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে। রাজস্ব খাতে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট আয় হয়েছে ৪১ কোটি ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৬৪ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৬ টাকা। আগের স্থিতিসহ মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৬১ কোটি ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৪ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় শেষে বর্তমানে অবশিষ্ট রয়েছে ২৩ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৮ টাকা।

উন্নয়ন প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে দেখা যায়, সিআইডিপি (ডিপিপি) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ৯৭৭ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮০৫ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭৭ টাকা এবং অবশিষ্ট রয়েছে ৩০১ কোটি ১০ লাখ ৭৫ হাজার ১২৭ টাকা। এই অবশিষ্ট অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যয়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং এর মধ্য থেকে ১১টি প্রকল্পে প্রায় ৬৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এলজিএসপিআরআরপি (কোভিড-১৯) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ছিল ২৮ কোটি ৮২ লাখ ৪১ হাজার ২১০ টাকা, যার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৬ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৭৪ টাকা। ফলে এই প্রকল্পে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ২ কোটি ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৬ টাকা, যা থেকে বোঝা যায় এই খাতে বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ ইতোমধ্যেই ব্যয় করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইউডিসিজি প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ৭৩ কোটি ১১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৩৮ কোটি ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯১ টাকা এবং অবশিষ্ট রয়েছে ৩৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৭ হাজার ৯ টাকা। এই প্রকল্পেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এখনও ব্যয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মোট প্রাপ্তি হয়েছে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫১ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ৬৪ লাখ ১০ হাজার ১৪১ টাকা। ফলে বর্তমানে অবশিষ্ট রয়েছে ৪৬ কোটি ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ২১০ টাকা। এই অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ১০৯টি প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ