ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে আবারও আজিমনগর চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান-  মোঃ আলী আকবর খান।

জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে আবারও আজিমনগর চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান- মোঃ আলী আকবর খান।

হরিরামপুরে তিন দিনব্যাপী ভেলাবাদ মোহাম্মদ আলী ফকিরের ৪৫তম ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত।

হরিরামপুরে তিন দিনব্যাপী ভেলাবাদ মোহাম্মদ আলী ফকিরের ৪৫তম ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত।

লিবিয়ায় জিম্মি করে ২৫ লাখ টাকা আদায়, দেশে ফিরেও হামলার শিকার প্রবাসী

লিবিয়ায় জিম্মি করে ২৫ লাখ টাকা আদায়, দেশে ফিরেও হামলার শিকার প্রবাসী

সাতক্ষীরার বৈকারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার বৈকারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তারাকান্দায় রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

তারাকান্দায় রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে আবারও ধূলশুড়া চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান-  মোঃ জায়েদ খান।

জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে আবারও ধূলশুড়া চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান- মোঃ জায়েদ খান।

পীরগঞ্জে মেয়র প্রার্থী হিসেবে এমপির সমর্থনের দাবি বিএনপি নেতার, এমপি বললেন ‘কাউকে সমর্থন দিইনি’

পীরগঞ্জে মেয়র প্রার্থী হিসেবে এমপির সমর্থনের দাবি বিএনপি নেতার, এমপি বললেন ‘কাউকে সমর্থন দিইনি’

বাদিয়াখালীতে চিকিৎসকের বাড়িতে সেচপাম্পের তার চুরির অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

বাদিয়াখালীতে চিকিৎসকের বাড়িতে সেচপাম্পের তার চুরির অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

প্রবাসী নবী হোসেনের সুখের সংসার ভেঙে চুরমার—পরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি।

প্রবাসী নবী হোসেনের সুখের সংসার ভেঙে চুরমার—পরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি।

প্রবাসী নবী হোসেনের সুখের সংসার ভেঙে চুরমার—পরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি।

মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। প্রবাসীর সুখের সংসার ভেঙে চুরমারপরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি। কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার মামুদপুর গ্রামের এক প্রবাসী যুবক মোঃ নবী হোসেন আজ অসহায় অবস্থায় মানবিক সহায়তা ও ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন।

তিনি জানান, তিনি আব্দুল হাশেম মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড় হয়ে ওঠা নবী হোসেন বিয়ের পর আলাদা হয়ে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার শুরু করেন। জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি ভালো কাজ পান এবং সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে আসে।

স্ত্রীকে ভালোবেসে কিছু অলংকার তৈরি করে দেন। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় পারিবারিক অশান্তি। অভিযোগ রয়েছে, বড় ভাইয়ের স্ত্রীর হিংসার কারণে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

নবী হোসেনের দাবি, তার ভাইয়ের শ্বশুর মোহাম্মদ ফুল মিয়া, যিনি একজন কবিরাজ হিসেবে পরিচিত, বিভিন্নভাবে তাদের সংসারে হস্তক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে তাবিজ-কবিরাজির মাধ্যমে তাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় তিন মাস আগে হঠাৎ করে পরিবারের সদস্যরা নবী হোসেন ও তার স্ত্রীকে ভুল বুঝাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তাকে ও তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

বর্তমানে তার স্ত্রী তাহমিনা দুই কন্যা সন্তানসহ জান্নাতুল ফেরদৌস ও তহা মনীকে  নিয়ে মিঠামইনের গোবিন্দপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, তার শ্বশুর লায়েছ মিয়া দুই বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন।            নবী হোসেন আরও জানান, বর্তমানে তার সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক খারাপ অবস্থায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তাকে ডিভোর্স দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি শুধু একটা শান্তিপূর্ণ সংসার চেয়েছিলাম কিন্তু কিছু মানুষের হিংসা আর ষড়যন্ত্রে আমার সংসারটা ভেঙে গেল।

 আমার কী দোষ ছিল?”এ ঘটনায় তিনি সমাজের বিবেকবান মানুষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অএ এলাকার এডভোকেট লুৎফর রহমান ভুইয়া চেয়ারম্যান   ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শেষে তিনি সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন—তার ঘটনাটি যেন বেশি বেশি শেয়ার করে সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


প্রবাসী নবী হোসেনের সুখের সংসার ভেঙে চুরমার—পরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি।

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রবাসী নবী হোসেনের সুখের সংসার ভেঙে চুরমার—পরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি।

মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। প্রবাসীর সুখের সংসার ভেঙে চুরমারপরিবারের কাছে ন্যায়বিচারের আকুতি। কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার মামুদপুর গ্রামের এক প্রবাসী যুবক মোঃ নবী হোসেন আজ অসহায় অবস্থায় মানবিক সহায়তা ও ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন।

তিনি জানান, তিনি আব্দুল হাশেম মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড় হয়ে ওঠা নবী হোসেন বিয়ের পর আলাদা হয়ে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার শুরু করেন। জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি ভালো কাজ পান এবং সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে আসে।

স্ত্রীকে ভালোবেসে কিছু অলংকার তৈরি করে দেন। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় পারিবারিক অশান্তি। অভিযোগ রয়েছে, বড় ভাইয়ের স্ত্রীর হিংসার কারণে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

নবী হোসেনের দাবি, তার ভাইয়ের শ্বশুর মোহাম্মদ ফুল মিয়া, যিনি একজন কবিরাজ হিসেবে পরিচিত, বিভিন্নভাবে তাদের সংসারে হস্তক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে তাবিজ-কবিরাজির মাধ্যমে তাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় তিন মাস আগে হঠাৎ করে পরিবারের সদস্যরা নবী হোসেন ও তার স্ত্রীকে ভুল বুঝাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তাকে ও তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

বর্তমানে তার স্ত্রী তাহমিনা দুই কন্যা সন্তানসহ জান্নাতুল ফেরদৌস ও তহা মনীকে  নিয়ে মিঠামইনের গোবিন্দপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, তার শ্বশুর লায়েছ মিয়া দুই বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন।            নবী হোসেন আরও জানান, বর্তমানে তার সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক খারাপ অবস্থায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তাকে ডিভোর্স দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি শুধু একটা শান্তিপূর্ণ সংসার চেয়েছিলাম কিন্তু কিছু মানুষের হিংসা আর ষড়যন্ত্রে আমার সংসারটা ভেঙে গেল।

 আমার কী দোষ ছিল?”এ ঘটনায় তিনি সমাজের বিবেকবান মানুষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অএ এলাকার এডভোকেট লুৎফর রহমান ভুইয়া চেয়ারম্যান   ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শেষে তিনি সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন—তার ঘটনাটি যেন বেশি বেশি শেয়ার করে সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করা হয়।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ