তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার
শাহজাহান কবির প্রধান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহারি সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমানের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুশিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। সাংবাদিকরা অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য নিতে গেলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।
রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বৃষ্টির কারণে ওইদিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে প্রধান শিক্ষক শিশুটিকে দোতলায় ডেকে নেন বলে অভিযোগ। শিশুটি কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়ি ফিরলে পরিবারকে সব জানায়।
পরিবার ও স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে একটি কক্ষের টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকতে দেখেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ঘেরাও করে ফেলে। বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা পূর্বেও তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের একাধিক অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ সোয়েল রানা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুরুতে বেগ পেতে হলেও পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ওসি সোয়েল রানা জানান, ভুক্তভোগী শিশুর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার
শাহজাহান কবির প্রধান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহারি সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমানের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুশিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। সাংবাদিকরা অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য নিতে গেলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।
রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বৃষ্টির কারণে ওইদিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে প্রধান শিক্ষক শিশুটিকে দোতলায় ডেকে নেন বলে অভিযোগ। শিশুটি কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়ি ফিরলে পরিবারকে সব জানায়।
পরিবার ও স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে একটি কক্ষের টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকতে দেখেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ঘেরাও করে ফেলে। বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা পূর্বেও তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের একাধিক অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ সোয়েল রানা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুরুতে বেগ পেতে হলেও পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ওসি সোয়েল রানা জানান, ভুক্তভোগী শিশুর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন