ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ০৩ মে ২০২৬

সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত:'জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)'

সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত:'জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)'

গোয়ালঘরে পরিণত স্কুল ভবন, দুর্গন্ধে ক্লাস করতে বাধ্য শিক্ষার্থীরা

গোয়ালঘরে পরিণত স্কুল ভবন, দুর্গন্ধে ক্লাস করতে বাধ্য শিক্ষার্থীরা

ডিমলা সদর ইউনিয়নে জনদুর্ভোগ: ১ কিমি রাস্তার বেহাল দশায় পাঁচ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে

ডিমলা সদর ইউনিয়নে জনদুর্ভোগ: ১ কিমি রাস্তার বেহাল দশায় পাঁচ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিএনসি’র অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার।  ‎

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিএনসি’র অভিযানে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার। ‎

মোল্লাহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, গুরুতর আহত ২

মোল্লাহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, গুরুতর আহত ২

বদলগাছীতে বিষাক্ত সাপের দংশনে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বদলগাছীতে বিষাক্ত সাপের দংশনে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু

দুই উপজেলা সংযোগকারী আর্মিদিং নদীর উপর নির্মিত ব্রিজে অনিয়মের অভিযোগ

দুই উপজেলা সংযোগকারী আর্মিদিং নদীর উপর নির্মিত ব্রিজে অনিয়মের অভিযোগ

পীরগঞ্জে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ।

পীরগঞ্জে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ।

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বুক চিরে এক সময় যে স্বচ্ছ জলধারা বয়ে যেত, আজ তা দুর্গন্ধ আর বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের প্রাণ হিসেবে পরিচিত আলাই নদ এখন এলাকাবাসীর জন্য ‘মরণফাঁদ’।

জেলা -উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ২০  কিলোমিটার দীর্ঘ আলাই নদ একসময় যমুনার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল। কাটাখালী নদীর সঙ্গে মিলে এই জনপদকে শীতল ও সজীব রাখত। কিন্তু গত এক দশকে সংস্কারের অভাবে নদের অস্তিত্ব আজ বিপন্ন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, নদের দুই পাড়ের সব ড্রেনের ময়লা ও বর্জ্য সরাসরি নদে গিয়ে পড়ছে। পানির রং কালচে, দুর্গন্ধ এত তীব্র যে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও দায়। দুই পাড়ের হাজারো বাসিন্দা জানান, দুর্গন্ধে ঘরে টেকা যাচ্ছে না। ব্যবহারের তো প্রশ্নই ওঠে না।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ বছর ধরে কচুরিপানায় নদীটি সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। এক বিন্দু ফাঁকা পানি দেখার উপায় নেই। জমে থাকা এই কচুরিপানাই হয়ে উঠেছে মশার প্রজননক্ষেত্র। দিনদুপুরেও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ শিশু থেকে বৃদ্ধ। 

বাদিয়াখালী বাজারের ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, “ঘরে ঘরে জ্বর, ডেঙ্গুর ভয়। কর্তৃপক্ষ না ছিটায় মশার ওষুধ, না পরিষ্কার করে কচুরিপানা। আমরা কোথায় যাব?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল সংস্কার ও পরিষ্কারের জন্য প্রতি বছর বরাদ্দ আসে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় যায়, কেউ জানে না। নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের প্রশ্ন— যাদের সেবার জন্য প্রশাসন, তারা কেন নীরব?”

 ইউপি সদস্য মোঃ জবেদ আলী বলেন, আলাই নদ বাঁচলে বাদিয়াখালী বাঁচবে। এটি শুধু জলাধার নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের মূল মাধ্যম।”এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে নদ পুনঃখনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, কচুরিপানা ও সকল আবর্জনা অপসারণ, জরুরি ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম চালু  

দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শুধু নাম থাকবে কিন্তু নদী থাকবেনা, এক সময়ের শান্ত-শীতল এই নদী কেবল দুর্গন্ধময় ড্রেন হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে— এমনটাই আশঙ্কা করছেন বাদিয়াখালীবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বুক চিরে এক সময় যে স্বচ্ছ জলধারা বয়ে যেত, আজ তা দুর্গন্ধ আর বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের প্রাণ হিসেবে পরিচিত আলাই নদ এখন এলাকাবাসীর জন্য ‘মরণফাঁদ’।

জেলা -উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ২০  কিলোমিটার দীর্ঘ আলাই নদ একসময় যমুনার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল। কাটাখালী নদীর সঙ্গে মিলে এই জনপদকে শীতল ও সজীব রাখত। কিন্তু গত এক দশকে সংস্কারের অভাবে নদের অস্তিত্ব আজ বিপন্ন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, নদের দুই পাড়ের সব ড্রেনের ময়লা ও বর্জ্য সরাসরি নদে গিয়ে পড়ছে। পানির রং কালচে, দুর্গন্ধ এত তীব্র যে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও দায়। দুই পাড়ের হাজারো বাসিন্দা জানান, দুর্গন্ধে ঘরে টেকা যাচ্ছে না। ব্যবহারের তো প্রশ্নই ওঠে না।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ বছর ধরে কচুরিপানায় নদীটি সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। এক বিন্দু ফাঁকা পানি দেখার উপায় নেই। জমে থাকা এই কচুরিপানাই হয়ে উঠেছে মশার প্রজননক্ষেত্র। দিনদুপুরেও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ শিশু থেকে বৃদ্ধ। 

বাদিয়াখালী বাজারের ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, “ঘরে ঘরে জ্বর, ডেঙ্গুর ভয়। কর্তৃপক্ষ না ছিটায় মশার ওষুধ, না পরিষ্কার করে কচুরিপানা। আমরা কোথায় যাব?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল সংস্কার ও পরিষ্কারের জন্য প্রতি বছর বরাদ্দ আসে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় যায়, কেউ জানে না। নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের প্রশ্ন— যাদের সেবার জন্য প্রশাসন, তারা কেন নীরব?”

 ইউপি সদস্য মোঃ জবেদ আলী বলেন, আলাই নদ বাঁচলে বাদিয়াখালী বাঁচবে। এটি শুধু জলাধার নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের মূল মাধ্যম।”এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে নদ পুনঃখনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, কচুরিপানা ও সকল আবর্জনা অপসারণ, জরুরি ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম চালু  

দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শুধু নাম থাকবে কিন্তু নদী থাকবেনা, এক সময়ের শান্ত-শীতল এই নদী কেবল দুর্গন্ধময় ড্রেন হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে— এমনটাই আশঙ্কা করছেন বাদিয়াখালীবাসী।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ