সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত:'জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)'
ফয়জুর রহমান (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)। ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ প্রতিষ্ঠিত এই অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠনটি ইতিমধ্যে দেশের সাংবাদিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সংক্ষিপ্ত প্রেক্ষাপট ও নেতৃত্ব সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, মাত্র ১১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, বর্তমানে এটি একটি শক্তিশালী জাতীয় সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলায় এর সদস্য সংখ্যা অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পাওয়ায়, অতি অল্প সময়েই এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
মূল লক্ষ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা JRIS-এর মূল দর্শন হলো সাংবাদিকদের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি করা। তাদের প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো:
১. অধিকার ও নিরাপত্তা: সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং পেশাগত ঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাল হিসেবে কাজ করা।
২. দক্ষতা বৃদ্ধি: কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের আধুনিক ও ডিজিটাল সাংবাদিকতায় দক্ষ করে তোলা।
৩. আর্থিক কল্যাণ: অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণ তহবিল পরিচালনা।
৪. মানবিক সেবা: কেবল সাংবাদিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে, সমাজের অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা।
দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক বর্তমানে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সম্প্রচারের মাধ্যমের হাজার হাজার সংবাদকর্মী এই সংগঠনের ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। উপজেলা থেকে শুরু করে জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে JRIS-এর সুসংগঠিত কাঠামো তৈরি হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেশে একটি স্বচ্ছ, নৈতিক এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি সংগঠনটির চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী এক বিবৃতিতে জানান:"আমরা বিশ্বাস করি, স্বাধীন গণমাধ্যমই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা সম্ভব নয়।
JRIS সেই মর্যাদা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।" জাতীয় ও আঞ্চলিক কমিটির মাধ্যমে সমন্বিতভাবে আইনি সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মিডিয়া নীতি সংস্কারের বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।
এক নজরে JRIS বৈশিষ্ট্য বিবরণ: প্রতিষ্ঠা ১৫ মার্চ ২০২৪। ধরণ : অরাজনৈতিক ও অলাভজনক জাতীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী |প্রধান ফোকাস: সাংবাদিকদের সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কল্যাণ। নেটওয়ার্ক: সারা বাংলাদেশ (উপজেলা ও জেলা পর্যায়) |
স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সাংবাদিক সমাজের অধিকার আদায়ে JRIS এখন এক আস্থার নাম। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য পেশাগত দক্ষতা অর্জনে এবং জ্যেষ্ঠদের সম্মান রক্ষায় এই সংগঠনটি আগামীর পথপ্রদর্শক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা ব্যক্ত করছেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন দিগন্ত:'জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)'
ফয়জুর রহমান (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি (JRIS)। ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ প্রতিষ্ঠিত এই অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠনটি ইতিমধ্যে দেশের সাংবাদিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সংক্ষিপ্ত প্রেক্ষাপট ও নেতৃত্ব সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী, মাত্র ১১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, বর্তমানে এটি একটি শক্তিশালী জাতীয় সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলায় এর সদস্য সংখ্যা অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পাওয়ায়, অতি অল্প সময়েই এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
মূল লক্ষ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা JRIS-এর মূল দর্শন হলো সাংবাদিকদের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি করা। তাদের প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো:
১. অধিকার ও নিরাপত্তা: সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং পেশাগত ঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাল হিসেবে কাজ করা।
২. দক্ষতা বৃদ্ধি: কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের আধুনিক ও ডিজিটাল সাংবাদিকতায় দক্ষ করে তোলা।
৩. আর্থিক কল্যাণ: অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণ তহবিল পরিচালনা।
৪. মানবিক সেবা: কেবল সাংবাদিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে, সমাজের অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা।
দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক বর্তমানে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সম্প্রচারের মাধ্যমের হাজার হাজার সংবাদকর্মী এই সংগঠনের ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। উপজেলা থেকে শুরু করে জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে JRIS-এর সুসংগঠিত কাঠামো তৈরি হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেশে একটি স্বচ্ছ, নৈতিক এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি সংগঠনটির চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী এক বিবৃতিতে জানান:"আমরা বিশ্বাস করি, স্বাধীন গণমাধ্যমই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা সম্ভব নয়।
JRIS সেই মর্যাদা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।" জাতীয় ও আঞ্চলিক কমিটির মাধ্যমে সমন্বিতভাবে আইনি সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মিডিয়া নীতি সংস্কারের বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।
এক নজরে JRIS বৈশিষ্ট্য বিবরণ: প্রতিষ্ঠা ১৫ মার্চ ২০২৪। ধরণ : অরাজনৈতিক ও অলাভজনক জাতীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুমন চৌধুরী |প্রধান ফোকাস: সাংবাদিকদের সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কল্যাণ। নেটওয়ার্ক: সারা বাংলাদেশ (উপজেলা ও জেলা পর্যায়) |
স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সাংবাদিক সমাজের অধিকার আদায়ে JRIS এখন এক আস্থার নাম। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য পেশাগত দক্ষতা অর্জনে এবং জ্যেষ্ঠদের সম্মান রক্ষায় এই সংগঠনটি আগামীর পথপ্রদর্শক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা ব্যক্ত করছেন।

আপনার মতামত লিখুন