ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

দীর্ঘ ৭ বছর পরে হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ!

দীর্ঘ ৭ বছর পরে হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট থানা-পুলিশ!

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০-বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি উদ্বার

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০-বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি উদ্বার

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মামা-ভাগ্নে আটক, নেত্রকোণায় ডিএনসির অভিযান

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মামা-ভাগ্নে আটক, নেত্রকোণায় ডিএনসির অভিযান

২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের- তৃণমূলের কংগ্রেসের আর ডিজে বাজানো হলো না।

২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের- তৃণমূলের কংগ্রেসের আর ডিজে বাজানো হলো না।

ছাত্রদল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে উদ্বেগ, আবেগঘন পোস্টে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা”

ছাত্রদল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে উদ্বেগ, আবেগঘন পোস্টে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা”

মোল্লাহাটে ৫০পিচ ইয়াবা সহ মাদক কারবারি সাগর আটক

মোল্লাহাটে ৫০পিচ ইয়াবা সহ মাদক কারবারি সাগর আটক

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

মোঃসুলতান মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার।টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাগমারা (কলেজপাড়া) এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (৪ মে) ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৬ ঘন্টার বৃষ্টিতে ওই এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কোমর সমান পানি জমে যওয়ায় দুই শতাধিক পরিবারের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) বেলা ১২ টার দিকে স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌরসভার প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া ও পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আকতারকে নিয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

স্থানীয়রা তাদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, জলাবদ্ধতায় দুই শতাধিক পরিবার চরম দুর্ভোগে আছেন। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে তাঁদের বানভাসির মতো বসবাস করতে হয়। এলাকার সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনপ্রতিনিধি ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এ দুর্ভোগ থেকে তাঁরা মুক্তি চান।

স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল মিয়া জানান, এলাকাটিতে সামান্য বৃষ্টি হলে আঙ্গিনা উপচে কয়েকটি ঘরে পানি ঢোকে। পানি মাড়িয়ে যাবতীয় কাজ সারতে হয়। যেকোনো কাজে বাইরে গেলে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রায় চার বছর ধরে এমন অসহনীয় জলাবদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে তাঁদের বসবাস করতে হচ্ছে।

গৃহিনী রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর ধরে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার বানভাসির মতো বসবাস করছেন। জলাবদ্ধতার সমস্যা নিয়ে বহুবার পৌরসভাসহ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। দীর্ঘ সময় ধরে পানি থাকায়, অনেকের হাত-পায়ে পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

ষাটোর্ধ্ব জুলফিকার জানান, পানি জমে থাকার কারণে বাড়ীতে রান্নাবান্নার কাজ করা করা যায় না। বাড়ীর মহিলাদের কাজ করতে সমস্যা হয়। ঘরে পানি উঠার কারনে সকাল থেকে এখনো চুলায় রান্না বসানো হয়নি। সকাল থেকে ছেলে-মেয়ে নিয়ে না খেয়ে আছি। কোমড় সমান পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যেত পারছে না।

শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আখতার জানান, আপাতত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামীকালকে ইনশাল্লাহ কাজ শুরু হবে। ড্রেন এবং কালভার্ট বন্ধ করা একটা বেআইনি কাজ। আমরা বসে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে পলাশতলার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌরসভার প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশনের জন্য আপাতত একটা ড্রেনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পরে পানি সরে গেলে যত দ্রুত সম্ভব সড়কের এ পাশ থেকে অপর পাশে একটা পাকা ড্রেন করে দেওয়া হবে যেন পানি যেতে পারে।

ওই এলাকার পানি সরাতে ইতিমধ্যে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তারা কাজ করছেন। তাছাড়া পৌরসভার যেসব স্থানে পানি আটকে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি।

মোঃসুলতান মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার।টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাগমারা (কলেজপাড়া) এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (৪ মে) ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৬ ঘন্টার বৃষ্টিতে ওই এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কোমর সমান পানি জমে যওয়ায় দুই শতাধিক পরিবারের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) বেলা ১২ টার দিকে স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌরসভার প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া ও পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আকতারকে নিয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

স্থানীয়রা তাদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, জলাবদ্ধতায় দুই শতাধিক পরিবার চরম দুর্ভোগে আছেন। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে তাঁদের বানভাসির মতো বসবাস করতে হয়। এলাকার সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনপ্রতিনিধি ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এ দুর্ভোগ থেকে তাঁরা মুক্তি চান।

স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল মিয়া জানান, এলাকাটিতে সামান্য বৃষ্টি হলে আঙ্গিনা উপচে কয়েকটি ঘরে পানি ঢোকে। পানি মাড়িয়ে যাবতীয় কাজ সারতে হয়। যেকোনো কাজে বাইরে গেলে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রায় চার বছর ধরে এমন অসহনীয় জলাবদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে তাঁদের বসবাস করতে হচ্ছে।

গৃহিনী রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর ধরে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার বানভাসির মতো বসবাস করছেন। জলাবদ্ধতার সমস্যা নিয়ে বহুবার পৌরসভাসহ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। দীর্ঘ সময় ধরে পানি থাকায়, অনেকের হাত-পায়ে পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

ষাটোর্ধ্ব জুলফিকার জানান, পানি জমে থাকার কারণে বাড়ীতে রান্নাবান্নার কাজ করা করা যায় না। বাড়ীর মহিলাদের কাজ করতে সমস্যা হয়। ঘরে পানি উঠার কারনে সকাল থেকে এখনো চুলায় রান্না বসানো হয়নি। সকাল থেকে ছেলে-মেয়ে নিয়ে না খেয়ে আছি। কোমড় সমান পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যেত পারছে না।

শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহেদ আখতার জানান, আপাতত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামীকালকে ইনশাল্লাহ কাজ শুরু হবে। ড্রেন এবং কালভার্ট বন্ধ করা একটা বেআইনি কাজ। আমরা বসে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে পলাশতলার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌরসভার প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশনের জন্য আপাতত একটা ড্রেনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পরে পানি সরে গেলে যত দ্রুত সম্ভব সড়কের এ পাশ থেকে অপর পাশে একটা পাকা ড্রেন করে দেওয়া হবে যেন পানি যেতে পারে।

ওই এলাকার পানি সরাতে ইতিমধ্যে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তারা কাজ করছেন। তাছাড়া পৌরসভার যেসব স্থানে পানি আটকে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ