কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, শেকৃবিতে সফল মণিরামপুরের আলমগীর কবীর
আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর): শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) পিএইচডি প্রোগ্রামের প্রথম সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছেন মনিরামপুরের কৃতি সন্তান কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অব এক্সামিনেশনস কার্যালয় থেকে প্রকাশিত জুলাই-ডিসেম্বর সেমিস্টার ২০২৫-এর ফলাফলে তাঁর এই অর্জনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএম আলমগীর কবীর জিপিএ ৩.৮৭ পেয়ে সফলতার সঙ্গে প্রথম সেমিস্টার সম্পন্ন করে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি মণিরামপুর উপজেলার ১০নং মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।
বর্তমানে তিনি প্রফেসর ড. সফিউল্ল্যাহ মজুমদার কিরণের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো—দেশের দক্ষিণাঞ্চলে 'স্মার্ট ক্লাইমেট এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি'র প্রয়োগ ও উন্নয়ন। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
নিজের এই অর্জন ও লক্ষ্য সম্পর্কে কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমি গবেষণার মাধ্যমে এমন কিছু উদ্ভাবন করতে চাই, যা তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকদের উপকারে আসবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে”। তাঁর এই সাফল্যে মণিরামপুরসহ স্থানীয় সুধীমহল ও কৃষিবিদ সমাজ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, শেকৃবিতে সফল মণিরামপুরের আলমগীর কবীর
আবু রায়হান, মণিরামপুর (যশোর): শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) পিএইচডি প্রোগ্রামের প্রথম সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছেন মনিরামপুরের কৃতি সন্তান কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অব এক্সামিনেশনস কার্যালয় থেকে প্রকাশিত জুলাই-ডিসেম্বর সেমিস্টার ২০২৫-এর ফলাফলে তাঁর এই অর্জনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএম আলমগীর কবীর জিপিএ ৩.৮৭ পেয়ে সফলতার সঙ্গে প্রথম সেমিস্টার সম্পন্ন করে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি মণিরামপুর উপজেলার ১০নং মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।
বর্তমানে তিনি প্রফেসর ড. সফিউল্ল্যাহ মজুমদার কিরণের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো—দেশের দক্ষিণাঞ্চলে 'স্মার্ট ক্লাইমেট এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি'র প্রয়োগ ও উন্নয়ন। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
নিজের এই অর্জন ও লক্ষ্য সম্পর্কে কৃষিবিদ বিএম আলমগীর কবীর জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমি গবেষণার মাধ্যমে এমন কিছু উদ্ভাবন করতে চাই, যা তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকদের উপকারে আসবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে”। তাঁর এই সাফল্যে মণিরামপুরসহ স্থানীয় সুধীমহল ও কৃষিবিদ সমাজ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন