প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের
বিশেষ প্রতিনিধি:- কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা কারবার নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কথিত সরোয়ার সিন্ডিকেট। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এর সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে একের পর এক ইয়াবা উদ্ধার ও মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার হলেও, কথিত গডফাদারদের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক নির্মূলে শুধু বাহক নয়, বরং মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারির দাবি জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সরোয়ারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের
বিশেষ প্রতিনিধি:- কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা কারবার নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কথিত সরোয়ার সিন্ডিকেট। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এর সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে একের পর এক ইয়াবা উদ্ধার ও মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার হলেও, কথিত গডফাদারদের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক নির্মূলে শুধু বাহক নয়, বরং মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারির দাবি জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সরোয়ারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন