ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পাসের হার শূন্য: ৫টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারে-নি।

ঠাকুরগাঁওয়ে পাসের হার শূন্য: ৫টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারে-নি।

বেড়ার আল-হেরা একাডেমির চমকপ্রদ সাফল্য: পাসের হার ৯৭.৭৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন

বেড়ার আল-হেরা একাডেমির চমকপ্রদ সাফল্য: পাসের হার ৯৭.৭৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন

ফলাফলের সাফল্য ছাপিয়ে সবুজের বার্তা: পাবনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অনন্য দৃষ্টান্ত

ফলাফলের সাফল্য ছাপিয়ে সবুজের বার্তা: পাবনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অনন্য দৃষ্টান্ত

অত্যান্ত দর্শক প্রিয় নায়ক ছিলেন সালমান শাহ

অত্যান্ত দর্শক প্রিয় নায়ক ছিলেন সালমান শাহ

আন-নাফ গ্রীন মডেল হাই স্কুলে সুন্দর হাতের লেখা ও বাংলা রিডিং টেস্ট অনুষ্ঠিত

আন-নাফ গ্রীন মডেল হাই স্কুলে সুন্দর হাতের লেখা ও বাংলা রিডিং টেস্ট অনুষ্ঠিত

খানসামায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

খানসামায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

সুনামগঞ্জের চাদঁনীঘাটে নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করেন জেলা যুবদলের যোগাযোগ সম্পাদক সুজন মাহমুদ

সুনামগঞ্জের চাদঁনীঘাটে নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করেন জেলা যুবদলের যোগাযোগ সম্পাদক সুজন মাহমুদ

সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক, পজিটিভ হলে চাকরি নয়—জেলা প্রশাসক।

সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক, পজিটিভ হলে চাকরি নয়—জেলা প্রশাসক।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী  প্রতিনিধি।(২১শে জুলাই) মঙ্গলবার  সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়।

টানা ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা ভারতের পাহাড়ি ঢলে আবারও বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ইতোমধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তিস্তা নদীর পানি বাড়ার কারণে নীলফামারী জেলার দুটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

মঙ্গলবার  (২১জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

নীলফামারীতে সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী  প্রতিনিধি।(২১শে জুলাই) মঙ্গলবার  সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়।

টানা ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা ভারতের পাহাড়ি ঢলে আবারও বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ইতোমধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তিস্তা নদীর পানি বাড়ার কারণে নীলফামারী জেলার দুটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

মঙ্গলবার  (২১জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ