শিক্ষক ও চিত্রশিল্পী হাবিবুর রহমান বর্ণালীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:-কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের পথিকৃৎ, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক হাবিবুর রহমান বর্ণালীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৯ জুলাই)। এ উপলক্ষে তাঁর পরিবার, শুভানুধ্যায়ী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর কর্মময় জীবন ও অবদান স্মরণ করবে।
হাবিবুর রহমান বর্ণালী ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ইন্তেকাল করেন। পরদিন ১৯ জুলাই নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ১৯ জুলাই তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়ে আসছে।
হাবিবুর রহমান বর্ণালী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ফাইন আর্টসে স্নাতক সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ডিজাইনার হিসেবে প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে সরকারি চাকরি ছেড়ে নিজ এলাকায় ফিরে এসে শিল্পচর্চা, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করেন।
তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘বর্ণালী আর্ট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’ ও ‘বর্ণালী মডেল শিশু নিকেতন’। পাশাপাশি কটিয়াদী আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
শিক্ষা ও শিল্পচর্চার পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ছিলেন সক্রিয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কটিয়াদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন, সামাজিক সচেতনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
মৃত্যুর প্রায় এক দশক পরও তাঁর শিল্পকর্ম, শিক্ষাদান এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড কটিয়াদীর মানুষের কাছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর আদর্শ ও কর্ম আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
শিক্ষক ও চিত্রশিল্পী হাবিবুর রহমান বর্ণালীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:-কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের পথিকৃৎ, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক হাবিবুর রহমান বর্ণালীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৯ জুলাই)। এ উপলক্ষে তাঁর পরিবার, শুভানুধ্যায়ী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর কর্মময় জীবন ও অবদান স্মরণ করবে।
হাবিবুর রহমান বর্ণালী ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ইন্তেকাল করেন। পরদিন ১৯ জুলাই নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ১৯ জুলাই তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়ে আসছে।
হাবিবুর রহমান বর্ণালী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ফাইন আর্টসে স্নাতক সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ডিজাইনার হিসেবে প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে সরকারি চাকরি ছেড়ে নিজ এলাকায় ফিরে এসে শিল্পচর্চা, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করেন।
তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘বর্ণালী আর্ট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’ ও ‘বর্ণালী মডেল শিশু নিকেতন’। পাশাপাশি কটিয়াদী আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
শিক্ষা ও শিল্পচর্চার পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ছিলেন সক্রিয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কটিয়াদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন, সামাজিক সচেতনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
মৃত্যুর প্রায় এক দশক পরও তাঁর শিল্পকর্ম, শিক্ষাদান এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড কটিয়াদীর মানুষের কাছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর আদর্শ ও কর্ম আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন