ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক রোড় ভেঙ্গে  জনদূর্ভোগের সৃষ্টি

উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক রোড় ভেঙ্গে জনদূর্ভোগের সৃষ্টি

কালিয়াকৈর পৌরসভার উদ্যোগে বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

কালিয়াকৈর পৌরসভার উদ্যোগে বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মোল্লাহাটে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাত বৃদ্ধ নিহত

মোল্লাহাটে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাত বৃদ্ধ নিহত

বিপদতারিনী ব্রত পালনে মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘ লাইন।

বিপদতারিনী ব্রত পালনে মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘ লাইন।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা মুক্ত মিন্নতনগর, স্বস্তি ফিরেছে ৪০ পরিবারে

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা মুক্ত মিন্নতনগর, স্বস্তি ফিরেছে ৪০ পরিবারে

শ্রীপুরে মাদকবিরোধী গণপ্রতিবাদ, স্থানীয়দের কঠোর অবস্থান

শ্রীপুরে মাদকবিরোধী গণপ্রতিবাদ, স্থানীয়দের কঠোর অবস্থান

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

বিশেষ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই জুলহাসসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও চালকরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অজুহাতে লেগুনা, সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকিয়ে মামলা ও ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, টিআই জুলহাসের পাশাপাশি সার্জেন্ট খোরশেদ, এসআই আল আমিন ও এএসআই তারিকুল নিয়মিত সড়কে যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্রে ত্রুটি দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলা, ডাম্পিং কিংবা বিভিন্ন ধরনের হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি কয়েকজন চালক মারধরের অভিযোগও করেছেন।

পরিবহন মালিক ও চালকদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ডাম্পিং ফি ২ হাজার টাকার সঙ্গে জ্বালানি বাবদ আরও ৫০০ টাকা নেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৩০০ টাকা আদায় করা হয়, যার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে সিএনজি, লেগুনা ও অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে ঘটনাস্থলেই ২ হাজার টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অর্থেরও কোনো মেমো বা রসিদ দেওয়া হয় না; এটি 'অফিস খরচ' বলে জানানো হয় বলে দাবি চালকদের।

ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, প্রতিদিন সড়কে চলাচলকারী সিএনজি, লেগুনা ও অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে কথিত 'দৈনিক মাসোহারা' আদায় করা হয়। তাদের দাবি, নির্ধারিত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন মোড়ে গাড়ি রাখার সুযোগকে কেন্দ্র করে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা হাইওয়ে পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।

স্থানীয় ও দূরপাল্লার বিভিন্ন বাস কোম্পানির লাইনম্যানদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন করায় টিআই জুলহাস একটি প্রভাবশালী সোর্স ও দালালচক্র গড়ে তুলেছেন। তাদের দাবি, এই চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের মামলা ও ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়।

এছাড়া কয়েকজন বাস-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বাস কোম্পানির কাছ থেকে মাসিক অর্থ নেওয়ার বিনিময়ে ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ বাস চলাচলে সহায়তা করা হয়। তাদের মতে, এতে একদিকে সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী পরিবহন মালিক ও চালকরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টিআই জুলহাসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

এদিকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা বলেন, "আমরা আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। কিন্তু অযৌক্তিক অর্থ দাবি ও হয়রানির কারণে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬


শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক-শ্রমিক

বিশেষ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই জুলহাসসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও চালকরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অজুহাতে লেগুনা, সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকিয়ে মামলা ও ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, টিআই জুলহাসের পাশাপাশি সার্জেন্ট খোরশেদ, এসআই আল আমিন ও এএসআই তারিকুল নিয়মিত সড়কে যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্রে ত্রুটি দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলা, ডাম্পিং কিংবা বিভিন্ন ধরনের হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি কয়েকজন চালক মারধরের অভিযোগও করেছেন।

পরিবহন মালিক ও চালকদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ডাম্পিং ফি ২ হাজার টাকার সঙ্গে জ্বালানি বাবদ আরও ৫০০ টাকা নেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৩০০ টাকা আদায় করা হয়, যার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে সিএনজি, লেগুনা ও অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে ঘটনাস্থলেই ২ হাজার টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অর্থেরও কোনো মেমো বা রসিদ দেওয়া হয় না; এটি 'অফিস খরচ' বলে জানানো হয় বলে দাবি চালকদের।

ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, প্রতিদিন সড়কে চলাচলকারী সিএনজি, লেগুনা ও অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে কথিত 'দৈনিক মাসোহারা' আদায় করা হয়। তাদের দাবি, নির্ধারিত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন মোড়ে গাড়ি রাখার সুযোগকে কেন্দ্র করে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা হাইওয়ে পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।

স্থানীয় ও দূরপাল্লার বিভিন্ন বাস কোম্পানির লাইনম্যানদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন করায় টিআই জুলহাস একটি প্রভাবশালী সোর্স ও দালালচক্র গড়ে তুলেছেন। তাদের দাবি, এই চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের মামলা ও ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে হয়রানি করা হয়।

এছাড়া কয়েকজন বাস-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বাস কোম্পানির কাছ থেকে মাসিক অর্থ নেওয়ার বিনিময়ে ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ বাস চলাচলে সহায়তা করা হয়। তাদের মতে, এতে একদিকে সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী পরিবহন মালিক ও চালকরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টিআই জুলহাসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

এদিকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা বলেন, "আমরা আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। কিন্তু অযৌক্তিক অর্থ দাবি ও হয়রানির কারণে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ